Home আঞ্চলিক সদর সাব রেজিষ্ট্রারের ঘোষণার ৪৮ ঘন্টা পরও কাঁটছে না ধোঁয়াশা, নেই গ্রেফতারও...

সদর সাব রেজিষ্ট্রারের ঘোষণার ৪৮ ঘন্টা পরও কাঁটছে না ধোঁয়াশা, নেই গ্রেফতারও বরং ৫ জনকে সনাক্ত করেছে পুলিশ

48

স্টাফ রিপোর্টার।।

খুলনা সদর সাব রেজিষ্ট্রার তন্ময় মন্ডলকে তুলে নিয়ে যাওয়া আবার ৪০ মিনিট পরে ফিরে আসার ঘটনার ৪৮ ঘন্টা পার হলেও রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি। এ ঘটনায় নেইও কোন আটক। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হ”েছ ঘটনার সাথে জড়িত পাঁচ জনকে সন্তাক্ত করা হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে কোন প্রকার কথা ও আইনি সহায়তা চা”েছননা সাব রেজিষ্ট্রার তন্ময় মন্ডল।

গত ০৭ অক্টোবর দুপুরে খুলনা সদর সাব রেজিষ্ট্রার তার কার্যালয় থেকে বের হয়ে বাসায় দুপুরের খাবার খেতে যা”িছলেন। এ সময় কয়েকজন যুবক প্রথমে তাকে রিক্সায় ও পরে মটরসাইকেলে করে নিয়ে ভৈরব নদীর দিকে নিয়ে যায়। এ ঘটনার সাথে সাথে সংবাদ পেয়ে ঘটনা¯’লে যায় পুলিশেরর বিভিন্ন দল। তারা তদন্ড শুরু করে। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের কার্যালয়, জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়, জেলা প্রশাসক ও আদালত প্রাঙ্গন সংলগ্ন এলাকায় এই ধরনের ঘটনায় শহরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। এর প্রায় এক ঘন্টা ৪৫ মিনিটর পর কার্যালয়ে ফেরত আসেন সাব রেজিষ্ট্রার তন্ময় মন্ডল। এ সময় তিনি জানান জমির দলিল সংক্রান্ত একটি কাগজ দেখাতে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। এটা তেমন কোন ঘটনা।

এ সময় তন্ময় মন্ডল বলেন, ৭ কলমের ফ্লোটা দেখিয়েছে। তাদের কোন কারনে বেঁধে গেছে। তারা বলছে, এটা হ”েছ না কেন? ঐ অফিস করছে না কেন? তারা কোন কারনে তাদের উপর ক্ষুব্ধ। তখন আমি বললাম, এটিতো তাদের অফিসের ব্যাপার। আমার অফিসের কোন ব্যাপার না। তখন তারা বললেন, কাগজটি আপনি একটু দেখেন কোন সমস্যা আছে কি না? তখন আমি তাদের কাগজটা দেখে বললাম এই সমস্যা আছে এটি সমাধান হলে হয়ে যাবে।

এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে, জমিটি কোন সরকারি জমি নয়, এটি ব্যাক্তিমালিকানাধীন জমি নিয়ে সমস্যা বলেন সে।

এ সময় পুনরায় কোন সমস্যা হলে তার কাছে যাওয়া হবে বললে তন্ময় মন্ডল তাদের বলেন, এই যে ভাবে আনা হলো এটি তো স্বাভাবিক নয়। আপনারা আমার অফিসে যেতে পারতেন। বা কাউকে দিয়ে পাঠিয়ে দিতে পারতেন। তখন তারা তন্ময় মন্ডলকে জানান, ওখানে অনেক লোকজন থাকে। অনেকে চেনে। ডিস্টার্ব হয় এ কারনে তারা অফিসে যায়নি।

তবে সেই ব্যাক্তিরা কারা বা কোথাকার জমি কোন অফিসের কাজ তান নিয়ে কিছুই বলেন নি তম্ময় মন্ডর। তন্ময় মন্ডল অরো বলেন, পাঁচ সাত জন যুবক ছিলো। পরে তারা রিক্সা উঠায়ে দিলে তিনি নিজেই চলে আসেন। এখানে কোন হুমকি ধামকি বা অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনা ঘটেনি বলেও জানান তিনি।

তবে সরকারি একজন কর্মকর্তা নগরীর সব থেকে সেনসেটিভ এলাকায় থেকে এভাবে তুলে নিয়ে যাওয়া আবার প্রায় এক ঘন্টার পর তার ফিরে আসা। এবং ঘটনার কারন, কারা এ বিষয়ে ধোঁয়াশা থাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে নানা প্রশ্ন উঠছে।

এ বিষয়ে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ লোকমান হোসেন জানান, এই ঘটনায় কোন প্রকার আইনগত ব্যাব¯’া বা তথ্যও দি”েছন না তন্ময় মন্ডল। তারপরও পুলিশ এই ঘটনার সাথে পাঁচ জনকে সনাক্ত করেছে। তদন্তের সার্থে তাদের নাম পরিচয় বলা হ”েছ না। খুব শীঘ্রই এই ঘটনার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে তন্ময় মন্ডলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তিনি এ বিষয়ে কোন আইনানুগ ব্যাব¯’া গ্রহন করবেন না। তিনি অফিসও করছেন কোন সমস্যা নেই।