মিলি রহমান।।
অনেকেই সকালে উঠে এক কাপ কফি খান। কেউ বা কাজের ফাঁকে ক্লান্তি দূর করতে, আড্ডায় বসে কফি খেতে পছন্দ করেন। কারও কারও দিনে কয়েক কাপ পর্যন্ত কফি খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে।
চিকিৎসাবিজ্ঞান ও সাম্প্রতিক বেশ কিছু গবেষণায় কফি পানের অভ্যাসের সঙ্গে আমাদের শারীরিক সুস্থতার বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। কফি আমাদের শরীরের ভেতরে ঠিক কতখানি প্রভাব তা জানানো হয়েছে ‘টাইমস নাও’য়ের এক প্রতিবেদনে। যেমন-
হজমশক্তি উন্নত করে
সাম্প্রতিক বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, পরিমিত পরিমাণে কফি পান করলে পেটের ভেতরে নির্দিষ্ট কিছু হরমোনের ক্ষরণ বৃদ্ধি পায়। এর মধ্যে ‘গ্যাস্ট্রিন’ নামক হরমোনটি খাবার দ্রুত হজম করাতে সাহায্য করে। এছাড়া ‘কোলিসিস্টোকিনাইন’ হরমোনের ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে কফি খাবারের পুষ্টিগুণ শরীরের কোষে সঠিকভাবে শোষণ করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। অন্যদিকে, পেটে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়াগুলির স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও কফি সাহায্য করে। সব মিলিয়ে সামগ্রিকভাবে পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে ভূমিকা রাখে কফি।
কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে
অনেকেরই নিয়মিত পেট পরিষ্কার না হওয়ার বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো অস্বস্তিকর সমস্যা থাকে। বিশেষ করে কম পানি খাওয়া বা গ্যাসের সমস্যা থাকলে এটা আরও বেড়ে যায়। তবে গবেষকদের মতে, নিয়ম মেনে কফি পান করলে এই ধরনের সমস্যা অনেকটাই কমে যায়। যারা প্রতিদিন পরিমিত পরিমাণে কফি খান, তাদের ক্ষেত্রে হজমশক্তি উন্নত হয়। এর ফলে পেটও পরিষ্কার থাকে।
কিছু সতর্কতা
কফির যেমন নানা উপকারিতা রয়েছে, তেমনই নেতিবাচক দিকও আছে। অতিরিক্ত মাত্রায় কফি খেলে শরীর শুষ্ক হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এর পাশাপাশি, অনেকের ক্ষেত্রে ক্যাফেইনের প্রভাবে অ্যাসিডের মাত্রা বা অ্যাসিডিটির সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। সব মিলিয়ে বলা যায়, পরিমিত কফি পান পেটের স্বাস্থ্যের জন্য যথেষ্ট উপকারী।











































