মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :
পরকীয়ার টানে এক বছর আগে স্বামী ও তিন মেয়েকে রেখে সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে আব্বাস আলী (৪০) নামে এক যুবকের হাত ধরে মুসলিম হয়েছিলেন কল্পনা রানী। সেখানে ঠাঁই হলো না তার। অবশেষে জীবন দিয়ে ভালোবাসার মূল্য দিতে হলো তাকে।
কল্পনার আগের স্বামী চিত্তরঞ্জন বর্তমানে আমেরিকান প্রবাসী। একবছর আগে তিনি স্ত্রীকে সেখানে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। সব ঠিকঠাক করে যে দিন নিয়ে যাবেন সেদিনই আব্বাসের সাথে ঘর ছাড়েন কল্পনা।
আব্বাস যশোরের মণিরামপুর উপজেলার মাঝিয়ালী গ্রামের শরিয়তউল্লাহর ছেলে। তার আগের স্ত্রী ও দুই মেয়ে রয়েছে। আর চিত্তরঞ্জনের বাড়িও একই গ্রামে।
স্থানীয়রা জানান, একবছর আগে আব্বাসের হাত ধরে ঘর ছাড়েন কল্পনা। এরপর তাকে নিয়ে যশোর সদর উপজেলার চাঁচড়া গ্রামে শান্ত মেম্বরের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন তারা। বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে কল্পনার লাশ মাঝিয়ালী গ্রামে নিয়ে আসেন আব্বাস। বাড়ি এনে প্রচার দেন,কল্পনা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। খবর পেয়ে খেদাপাড়া ক্যাম্প পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আবার পুলিশ পাহারায় লাশসহ আব্বাসকে কোতয়ালী থানায় পাঠান। আব্বাস সেখানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।
খেদাপাড়া ক্যাম্প পুলিশের আইসি এসআই গোলাম রসুল বলেন, চাঁচড়া থেকে কল্পনা নামে এক নারীর লাশ মণিরামপুরের মাঝিয়ালী গ্রামে আনারপর আমরা ঘটনাস্থলে যাই। পরে পুলিশ পাহারায় রাতে আবার লাশ সদর থানায় পাঠানো হয়।
যশোর কোতয়ালী থানার ওসি (তদন্ত) তাসমীম বলেন, ধারণা করা হচ্ছে আব্বাস কল্পনাকে মারপিট করেছে। সেই সন্দেহ থেকে তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রথমিকভাবে অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।











































