স্টাফ রিপোর্টার
অপ্রাতিষ্ঠানিক খাত অর্থাৎ দিনমজুর শ্রমিকদের জন্য পর্যান্ত ত্রাণ, আর্থিক বরাদ্দ এবং কমপক্ষে ৬ মাসের জন্য আর্মি রেটে রেশন দেয়ার দাবীতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ সকাল ১০টায় নগরীর গল্লামারী মোড়ে সংক্ষিপ্ত পরিষরে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট খুলনা জেলা শাখার উদ্যেগে প্রতীকী মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
সংগঠনের খুলনা জেলা সভাপতি জনার্দন দত্ত নান্টুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাপদক আব্দুল করিমের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেনÑজেলা কমিটির সদস্য কোহিনুর আক্তার কনা, মোঃ মনির হোসেন, রফিকুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের মোট শ্রমজীবী মানুষের ৮৫ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ৫ কোটি অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিক, যাদের মধ্যে প্রায় ৪ কোটি দৈনিক কাজভিত্তিক মজুরি চুক্তিতে নিয়োজিত শ্রমিক গত ২৬ মার্চ থেকে অদ্যাবধি ৪৯ দিন যাবত লকডাউনের কারণে কর্মহীন হয়ে চরম অসহায়ত্বের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। সরকার করোনা পরিস্থিতি উত্তরণে প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।
কিন্তু এই প্রণোদনা প্যাকেজে শ্রমজীবী মানুষের স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বরাদ্দ খুবই কম, বরাদ্দকৃত নগদ সহায়তার ৭৬০ কোটি টাকা অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের মাথাপিচু বণ্টন করলে প্রত্যেক শ্রমিক পাবে মাত্র ১৪০ টাকা, যা তাদের সাথে প্রহসনের সামিল। প্রচার মাধ্যমে খাদ্য সহায়তা, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ প্রদানের যত চিত্র দেখা যাচ্ছে বাস্তবে তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।
খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার পাশাপাশি বাসাভাড়া পরিশোধের চাপ শ্রমিকদের জীবনকে দুর্বিসহ করে তুলেছে। ঈদ উপলক্ষে ৫০ লক্ষ শ্রমিককে আড়াই হাজার টাকা করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। অথচ দেশে এখন অতি দরিদ্র শ্রমজীবী পরিবার আছে ১ কোটি ৯০ লক্ষ, যাদের বেঁচে থাকার জন্য কমপক্ষে মাসিক ৮ হাজার টাকা প্রয়োজন।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের সকল শ্রমিকের জন্য পর্যান্ত ত্রাণ, নগদ সহায়তা, আর্মি রেটে সারাবছর রেশন সরবরাহ এবং করোনায় আক্রান্ত শ্রমিকের চিকিৎসা ও সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। নতুবা শ্রমিকদের বঞ্চিত করার অপ্রচেষ্টা বুমেরাং হবে।











































