।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে, শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে বিএনপির নেতাকর্মীরা জাগ্রত প্রহরীর মতো ‘ভ্যানগার্ড’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে খুলনা মহানগর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের জরুরি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতির বক্তব্যে শফিকুল আলম তুহিন বলেন, আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে সাধারণ মানুষ ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মনে নানামুখী আশঙ্কা বা দুশ্চিন্তা থাকতে পারে। তবে সেই আশঙ্কা যেন কোনোভাবেই বাস্তবে রূপ না নেয়, সে বিষয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা চারদিকে সর্বদা সজাগ ও সতর্ক রয়েছেন। পূজা উদযাপনকে কেন্দ্র করে কোথাও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে দেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, মানুষের মন থেকে সব ধরনের ভয় ও আতঙ্ক দূর করে একটি বৈষম্যহীন, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখতে আমাদের প্রতিটি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা মাঠ পর্যায়ে পাহারাদারি করবেন। বাংলাদেশ চিরায়ত সামাজিক ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আবহমানকাল ধরে এখানে সব ধর্মের মানুষ নিজ নিজ উৎসব স্বাধীনভাবে উদযাপন করে আসছে। খুলনার মাটিতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, আমাদের সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনেরা যেন কোনো ধরনের নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগেন, সে বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি আমাদের নেতাকর্মীরাও সার্বিক সহযোগিতা ও সহায়তা প্রদান করবেন।
প্রস্তুতি সভায় মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, হাসানুর রশীদ চৌধুরী মিরাজ, কে এম হুমায়ূন কবির, সেখ হাফিজুর রহমান মনি, মুর্শিদ কামাল, কাজী মিজানুর রহমান, অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আলী, বেগম রেহানা ঈসা, ইসতিয়াক উদ্দিন লাভলু, জামাল হোসেন তালুকদার, চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, মো. হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, একরামুল কবির মিল্টন, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, শেখ ইমাম হোসেন, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, আসাদুজ্জামান আসাদ, মিজানুর রহমান মিলটন, জাকির ইকবাল বাপ্পী, মো. নাসির উদ্দিন, শেখ আবু সাইদ, ইফতেখার হোসেন বাবু, শেখ মনিরুজ্জামান মনির, মাসুদউল হক হারুন, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. সালাউদ্দীন মোল্লা (বুলবুল), গাজী আফসার উদ্দীন, এস এম নুরুল আলম দিপু, শেখ মোস্তফা কামাল, আজিজুর রহমান, শেখ হাবিবুর রহমান, কাজী নজরুল ইসলাম, মোঃ খবির উদ্দীন, মো. মাহমুদ আলম মোড়ল, মো. সাইফুল আলম, অ্যাডভোকেট কাজী সামীম, সৈয়দ হাসান উল্লাহ বুলবুল, মো. জাহাঙ্গীর শেখ, মো. জাহিদুল হোসেন, সাহিনুল ইসলাম পাখি, হায়দার আলী তরফদার, কাজী মো. ইকরাম মিন্টু, মো. বেলায়েত হোসেন, লিয়াকাত হোসেন লাভলু, মো. খবির উদ্দীন, মো. জয়নাল আবেদিন, ইকবাল হোসেন মিজান, শেখ আলমগীর হোসেন, মো. নুরুল ইসলাম, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. বায়েজিদ, মেশকাত আলী, মঞ্জুরুল আলম, জুয়েল খান, মো. সওগাতুল আলম ছগীর, মো. আমিন আহমেদ, সাইফুল ইসলাম, কাজী মো. মিজানুর রহমান, মো. আবুল ওয়ারা, শেখ জাকির হোসেন, মো. সবুজ হোসেন, মো. গোলাম মোস্তফা ভুট্টো, মো. মাহফুজুর রহমান মাজু, এ এম মাসুম বিল্লাহ, মো. খোদাবক্স কোরাইশী কালু, মো. আবুল কালাম, শেখ নুরুল ইসলাম, গাজী সালাউদ্দীন, মো. আরমান শেখ, খন্দকার ইকবাল কবীর, শেখ আনসার আলী, মো. রাসেলুজ্জামান, মো. রফিকুল ইসলাম, মীর শওকত হোসেন হিট্টু, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খোকা, মো. রফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর কবির, শেখ মো. মফিজুর রহমান, শেখ সরোয়ার, মো. মুরাদ হোসেন, মো. মফিজুল সরদার, সৈয়দ আজাদ হোসেন, শেখ মেহেদী হাসান, বাবুল রানা, মো. সোহরাব মোল্লা, মো. ইয়াছিন মোল্লা, আব্দুল কাদের মল্লিক, শেখ মনিরুল ইসলাম, মো. বক্কর মীর, ডাঃ শাহিন আহসান, মো. আসমত আলী, জাহাঙ্গীর কবির, মো. হালিম শেখ, মো. বাচ্চু শেখ, মো. সহিদুজ্জামান জুয়েল, মিজানুর রহমান, আছাদুজ্জামান মনির, শেখ মো. কবির হোসেন টিটো, মো. সাইফুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. আকসির হোসেন, মো. রইচ উদ্দীন বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুবদলের শেখ আব্দুল আজিজ সুমন, রবিউল ইসলাম রুবেল; মহিলা দলের সৈয়দা নার্গিস আলী, অ্যাডভোকেট হালিমা আক্তার খানম; জাসাসের ইঞ্জিনিয়ার নুর ইসলাম বাচ্চু, নুরুজ্জামান নিশাত, কে এম এ জলিল; কৃষক দলের আখতারুজ্জামান তালুকদার সজীব; স্বেচ্ছাসেবক দলের ইস্তিয়াক আহম্মেদ ইস্তি; তাঁতী দলের আবু সাঈদ শেখ; ছাত্রদলের মো. তাজিম বিশ্বাস, হাবিবুর রহমান খান বিপ্লব; শ্রমিক দলের মো. মজিবর রহমান, মো. শফিকুল ইসলাম শফি এবং আঞ্চলিক শ্রমিক দলের আবু দাউদ দ্বীন মোহাম্মদসহ মহানগর বিএনপি, থানা, ওয়ার্ড ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে স্বারদীয় দুর্গাপুজায় শফিকুল আলম তুহিন সমন্বয়ক এবং শেখ সাদী, মাসুদ পারভেজ বাবু, হাসানুর রশিদ চৌধুরী মিরাজ, থানা বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আহবায়ক, সদস্য সচিবরা সহ সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করবেন বলে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
সভায় প্রতিটি মন্দিরে টেন্ট নির্মাণ করে সহযোগীতা সেল কাজ করবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সভায় ৯নং ওয়ার্ডে সংঘঠিত ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তে ৩ (তিন) সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।








































