পাইকগাছা প্রতিনিধি
পাইকগাছায় জোর করে ৪০বিঘা জমির ধান কাঁটার অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে এ মামলাটি করেছেন উপজেলার গড়ইখালী ইউপি’র কুমখালীর মৃত্যু সুভাষ বাছাড়ের ছেলে নিখিল বাছাড়। যার মামলা নং-১২।
মামলায় আসামী করা হয়েছে গড়ইখালীর মৃতঃ রশীদ সরদারের ছেলে হুমায়ুন সরদার (৪২) কুমখালীর খোকন বর্মনের ছেলে ভবসিন্ধু বর্মন(৩৮), গড়ইখালীর মৃত্যু ইনছার মোল্লার ৪ ছেলে কামরুল মোল্লা (৫২) খানজাহান মোল্লা (৫৯) হারুন মোল্লা(৫৪) ও মোস্তফা মোল্লা (৪১)।
এদিকে বুধবার সকালে এ মামলার ২ নং আসামী ভবসিন্ধু বাদে অন্য ৬ আসামী পাইকগাছার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন প্রার্থনা করলে শুনানীন্তে বিজ্ঞ বিচারক জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে ৬ আসামীর জেল-হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
থানার মামলা সুত্র ও সরেজমিনে জানাগেছে, গড়ইখালীর কুমখালীতে ১২ একর ৫৯ শতক জমির স্বত্ব নিয়ে হুমায়ুন সরদার-কামরুল মোল্লা পক্ষ ও আয়ু হায়দার,খোকন গাজী- নিখিল বাছাড় পক্ষের মধ্যে বিরোধ দীর্ঘদিনের। খোকন গাজী ও মহসীন মুন্সি,বাবুলাল,দ্বীজেন বর্মন সহ একাধিক জমির মালিক জানান, এ জমি আমরা ক্রয়,বর্গাদার হিসেবে মালিক।
মৃতঃ খোকন সাহেবের ১২ একর ৫৯ শতক জমি মোছাঃ জাহানারা বেগম ও নবিউননেছা খাতুন নিলামে ক্রয় করেন। পরবর্তীতে জাহানারা বেগম নিলাম খরিদকৃত জমি গত ৩১-১০-৮৬ সালে নজরুল ইসলাম সরদার বরাবর হস্তান্তর করেন। জানাগেছে বর্তমান জরিপের বিভিন্ন খতিয়ানের জমি আয়ুব,খোকন-নিখিল গংদের নামে রেকর্ড এবং কর খাজনাও পরিশোধ রয়েছে।
মামলার বাদি নিখিল বাছাড়ের অভিযোগ প্রতিপক্ষ হুমায়ুন-কামরুল গত ১২ ডিসেম্বর সকালে গায়ের জেরে আমাদের লাগানো ধান কাটতে গেলে বাঁধা দিলে ওরা আমার ভাই নিহারকে মারপিট করে আহত করে। ১৩ ডিসেম্বর গভীর রাতে প্রতিপক্ষরা লাঠিসোটা,দা-কুড়ালসহ বহিরাগত লোকজন নিয়ে সমস্ত জমির ধান কেটে লুটপাট করে নিয়ে যায়। এ মামলা সম্পর্কে ওসি সবজেল হোসেন জানান,
গতকাল ৬ আসামী আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিজ্ঞা বিচারক তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেল-হাজতে প্রেরনের নির্দেশ দিয়েছেন।










































