বিনোদন ডেস্ক।।
নাটকের শুটিং করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন অভিনেত্রী প্রিয়ন্তী উর্বী। হাসপাতালের বেডে শুয়ে অভিনয়ের দৃশ্য ধারণের সময় তার মুখের ওপর ক্যামেরাসহ পড়ে যান চিত্রগ্রাহক। এতে নাকে প্রচণ্ড আঘাত পান এই অভিনেত্রী। নাক ফুলে যাওয়ায় চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ খাচ্ছেন তিনি। তবে এই দুর্ঘটনার পরও শুটিং থেকে বিরতি নেননি উর্বী।
সোমবার (১২ অক্টোবর) রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে শুটিংয়ের সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে নিজেই বিষয়টি জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।
দুর্ঘটনার ভয়াবহতা স্মরণ করে উর্বী লিখেছেন, “গতকাল শুটিংয়ে আমার একটা অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে। সত্যি বলতে, অভিজ্ঞতাটা ছিল ভয়ংকর!”
কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, তার বর্ণনা দিয়ে উর্বী জানান, একটি সংলাপহীন দৃশ্যের শুটিং চলছিল। হাসপাতালের বেডে শুয়ে ছিলেন তিনি। কয়েকজন মিলে বেডটি ঠেলে তাকে একটি কক্ষে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ক্লোজ শট নেওয়ার জন্য চিত্রগ্রাহক বেডের ওপর উঠে তার মুখের সামনে ক্যামেরা ধরেন। শুটিংয়ের মাঝখানে বেডটি ঝাঁকি খেলে ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন চিত্রগ্রাহক। এ সময় ক্যামেরাসহ সরাসরি উর্বীর মুখের ওপর পড়ে যান তিনি।
ঘটনার আকস্মিকতায় কিছুক্ষণের জন্য কিছু দেখতে বা কথা বলতে পারছিলেন না উর্বী। ব্যথার তীব্রতা বোঝাতে গিয়ে অভিনেত্রী লিখেছেন, “এক মুহূর্তের জন্য আমি কিছু দেখতে পাচ্ছিলাম না, কথা বলতে পারছিলাম না। ব্যথাটা ছিল অসহ্য!”
দুর্ঘটনার পরপরই হাসপাতালে যান তারা। উর্বীর এক্স-রে করানো হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বর্তমানে ওষুধ সেবন করছেন তিনি। অভিনেত্রী জানান, তার নাকে প্রচণ্ড ব্যথা হয়েছে এবং নাক ফুলেও গেছে। তবে বড় ধরনের কোনো বিপদ ঘটেনি ভেবে সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।
এ ঘটনায় কাউকে দায়ী করতে চান না উর্বী। তার ভাষ্য, “একটা কথা পরিষ্কার করে বলতে চাই, এখানে কারো কোনো দোষ নেই। এটা একটা দুর্ঘটনা ছিল। সবাই নিজের কাজটা ঠিকভাবেই করছিলেন। কিন্তু দুর্ঘটনাটা আমার সঙ্গে ঘটেছে, আর আমি যে ব্যথার মধ্য দিয়ে গিয়েছি, সেটা একদম বাস্তব।”
দুর্ঘটনার পরও কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন উর্বী। শারীরিক অস্বস্তি থাকা সত্ত্বেও আজও শুটিং করছেন তিনি। দ্রুত পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন এই অভিনেত্রী।











































