স্টাফ রিপোর্টার।।
খুলনার রূপসায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত মামুন মীর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে দাফনের চেষ্টা করা হলে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এর আগে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পরে রাতে স্বজনেরা মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসেন। নিহত মামুন মীর (৩০) রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামের নেয়ামত মীরের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ আগস্ট রাত সাড়ে ৯টার দিকে রূপসা উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামের আবু সালেহীন প্রতিবন্ধী স্কুলের সামনে থেকে দুই যুবক মোটরসাইকেলে করে মামুনকে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় তাকে গুলি করলে বাম চোখে বিদ্ধ হয়। তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য মামুনকে ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শরীরে ক্ষতজনিত ইনফেকশন দেখা দেয়। একপর্যায়ে সোমবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
মামুনের মরদেহ সোমবার রাতে স্বজনরা বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরদিন মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে জানাজা শেষে পুলিশকে না জানিয়ে বাগমারা দারুস সালাম জামে মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে দাফনের চেষ্টা করা হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দাফনে বাধা দেয়। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
রূপসা থানার ওসি আনোয়ার জাহিদ বলেন, গুলিবিদ্ধ হওয়া ও মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা কোনো অভিযোগ করতে চাচ্ছেন না। তবে পুলিশ বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ময়নাতদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।











































