মহেশপুর প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে সোনা চোরাচালান নিয়ে বিরোধের জের ধরে মতিয়ার রহমান মতি (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা চালায় দুর্বৃত্তরা। গুলিবৃদ্ধ অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেলেও তার হাঁটুতে গুলি লাগে। তিনি মহেশপুর উপজেলার বাঘাডাঙ্গা পশ্চিমপাড়ার আজিজুর রহমানের ছেলে।
মঙ্গলবার (২৫মার্চ) ভোর সকালে বাঘাডাঙ্গা গ্রামের কামারবাড়ি মোড়ে সন্ত্রাসীরা এ হামলা চালায়। আহত মতিয়ার রহমানকে মহেশপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় কোটচাঁদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুন্না বিশ্বাস মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। গুলিবিদ্ধ মতিয়ার রহমান জানান, তিনি মঙ্গলবার ভোর বেলা ফজরের নামাজ পড়ার জন্য মসজিদে যাচ্ছিলেন। এ সময় প্রতিপক্ষ তরিকুল ইসলাম আকালে, আকাশ, ইব্রাহীম ও ইস্্রাফিল হোসেন তাকে ঘিরে ধরে এবং গুলি চালায়। এতে তিনি পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। মসজিদে নামাজরত মুসল্লীরা ছুটে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পওে মুসল্লীরা তাকে উদ্ধার করে মহেশপুর হাসপাতালে নিয়ে আসে। স্থানীয় শাহজাহান আলী জানান, সোনা চোরাচালানের অর্থ ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ ছিল তাদের। সেই দ্বন্দের জের ধরে তার উপর হামলা করা হয়েছে। ওবাইদুল ইসলাম ইসলাম আরো জানান, ২০২৪ সালের ১৭ জানুয়ারি বাঘাডাঙ্গা গ্রামে মন্টু ও তার ভাতিজা শামিমকে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে হত্যা করে। ওই মামলায় হামলাকারীরা আসামী আছেন।
স্থানীয় ইউপি মেম্বর ওবাইদুল ইসলাম ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, ভোর ৫টার দিকে মতিয়ারের উপর হামলা করা হয়। মতি হামলাকারীদের চিনেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ডাবল হত্যা মামলার প্রধান আসামী তরিকুল ইসলাম আকালের সঙ্গে অনেক আগে থেকে মতিয়ারের হুন্ডি ও সোনা চোরাচালানের অর্থ ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ ছিল। সেই দ্বন্দের জের ধরে তার উপর হামলা করা হয়েছে। হামলার আগে তরিকুল ইসলাম আকালে একাধিকবার মতিকে মোবাইলে হত্যার হুমকী দেয়। এ ঘটনায় মতি আতংকিত হয়ে বাড়িতে সিসি ক্যামেরা বসিয়েছেন বলেও জানান স্থানীয়রা।
মহেশপুর থানায় ওসি ফয়েজ উদ্দিন জানান,এ ঘটনায় নিয়মিত একটি মামলা হয়েছে। পুলিশ আসামীদের গ্রেফতার অভিযান শুরু করেছে।











































