স্টাফ রিপোর্টার।।
সুন্দরবন উপকূলে গত ৩০ বছরে কমেছে ২২ শতাংশ ফসলি জমি। লবণাক্ততা বাড়ায় অনাবাদি জমির পরিমাণ বেড়েছে ৭ শতাংশ। নেই বিকল্প কর্মসংস্থানের বড় কোনো উদ্যোগও। এ অবস্থায় জীবিকার খোঁজে বিদেশে পাড়ি জমালেও প্রতারিত হয়ে দেশে ফিরেছেন অনেকে।
সুন্দরবন সংলগ্ন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বাসিন্দা হাফিজ ইসলাম। সাড়ে ৫ লাখ টাকা খরচ করে অবৈধভাবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমানে গিয়েছিলেন তিনি। এক পর্যায়ে কাজ না পেয়ে জেল খেটে আট মাস পর দেশে ফিরেছেন শূন্য হাতে।
ধারদেনা করে সৌদি আরব গিয়েছিলেন একই এলাকার মোজাহিদ। দেশটিতে গিয়ে তিন মাস না যেতেই ফিরেছেন প্রতারিত হয়ে। কাঠমিস্ত্রির কাজ করে এখন চালাচ্ছেন সংসার।
অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রাম (ওকাপ) -এর তথ্য বলছে, লবণাক্ততায় গত ৩০ বছরে এই এলাকায় ফসলি জমি কমেছে ২২ শতাংশ। ফলে কৃষি উৎপাদন কমে যাওয়ায়, কর্মসংস্থানের তীব্র সংকটে এখানকার মানুষ। যাদের একটি বড় অংশ কাজের খোঁজে পাড়ি জমাচ্ছেন বিদেশে।
ওকাপ বলছে, সুন্দরবনের বাসিন্দাদের ১৬ ভাই জীবিকার জন্য বিদেশ গিয়েছেন। তবুও, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বিদেশ যাওয়ার প্রবণতা কমাতে উপকূলীয় অঞ্চলে নেই বিকল্প কর্মসংস্থানের বড় কোনো উদ্যোগ।
অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রামের চেয়ারপার্সন শাকিরুল ইসলাম বলেন, কেউ যদি মনে করে যে আমি মাইগ্রেশন করতে চাই না তাহলে তার জন্য প্রক্রিয়া কতটা সহজ করা যায়, সেখানে যেনো সে তার পরিবার, সমাজ, সবকিছু নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে তার জন্য তার যত ধরনের অধিকার আছে, যে ধরনের সুযোগ সুবিধাগুলো সেটা নিশ্চিত করতে হবে।











































