স্টাফ রিপোর্টার
নগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন গোবরচাকা এলাকায় যৌথ অভিযান চালিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী মো. পলাশ তালুকদার ওরফে চিংড়ি পলাশ এবং তার স্ত্রী পারভীন সুলতানা তিতলীকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর যৌথ টিম।
রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) রাত ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ি তল্লাশি করে ৫টি ককটেল, ২টি রামদা, ২টি চাইনিজ কুড়াল ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্রসহ ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার পলাশ নগরীর সোনাডাঙ্গা থানাধীন ২২নং গোবরচাকা এলাকার জনৈক সুলতান তালুকদারের ছেলে। চিংড়ি পলাশ দীর্ঘদিন যাবৎ সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত এবং তার নামে সোনাডাঙ্গা থানায় হত্যা, মাদক ও অস্ত্র মামলাসহ ১৫টি মামলা রয়েছে।
রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে সোনাডাঙ্গা থানায় প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানিয়েছেন নৌবাহিনীর কন্টিজেন কমান্ডার লে. কমান্ডার তারিফ আবরার। তিনি বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে পলাশের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বাড়ির উঠান থেকে পাঁচটি ককটেল, দুটি রামদা, দুটি চাইনিজ কুড়ালসহ বিভিন্ন ধরনের দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।’ তারিফ আবরার বলেন, ‘পলাশের বিরুদ্ধে সোনাডাঙ্গা থানায় আটটি হত্যা, মাদক ও অস্ত্র মামলা রয়েছে। আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধার করা অস্ত্রসহ গ্রেফতার দুজনকে সোনাডাঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়।’
পলাশের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনাডাঙ্গা থানার পরিদর্শক তদন্ত হাওলাদার সানোয়ার হোসাইন মাসুম। তিনি বলেন, তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।











































