অনলাইন ডেস্ক
মধ্যস্থতাকারীদের আলাপ-আলোচনার মধ্যেই যুদ্ধবিরতিতে রাজি হতে হামাসকে এক সপ্তাহ সময় বেঁধে দিয়েছিল ইসরায়েল। এই সময়ের মধ্যে রাজি না হলে রাফায় সামরিক অভিযান চালানোর ঘোষণাও দিয়েছিল দখলদার দেশটি। জাতিসংঘ মহাসচিবও ইসরায়েল ও হামাসকে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। এমনই প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে হামাস। এটি চলতি সপ্তাহেই কার্যকর হতে পারে বলে আশা করছেন হামাস কর্মকর্তারা।
জিম্মি বিনিময় ও যুদ্ধবিরতির চুক্তির প্রথম ধাপ কার্যকর করতে সশস্ত্র সংগঠনটির নেতারা সম্মত হলেও শনিবার পর্যন্ত চুক্তির তথ্য হাতে পৌঁছায়নি বলে দাবি ইসরায়েলের। ফিলিস্তিন ও সৌদি আরবের মিডিয়ায় বলা হয়েছে, চুক্তির দ্বারপ্রান্তে রয়েছে দু’পক্ষ। এ বিষয়ে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ঘোষণা দেবে হামাস। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের
শেষ দফা জিম্মি বিনিময় ও যুদ্ধবিরতি শেষে গাজা থেকে সব সেনা প্রত্যাহার করে নেবে ইসরায়েল– হামাসকে যুক্তরাষ্ট্র এমন গ্যারান্টি দিয়েছে। তবে তা প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল। দেশটির এক কর্মকর্তা বলেন, জিম্মি বিনিময়ের মাধ্যমে গাজায় যুদ্ধ শেষ করার চুক্তিতে সম্মত হবে না ইসরায়েল; বরং হামাস নির্মূলে রাফায় অভিযান চালিয়ে যাবে।
নতুন চুক্তিটি তিন ধাপে সম্পন্ন হবে। প্রথম ধাপে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ হবে ৪০ দিন। এই সময়ে হামাস ৩৩ ইসরায়েলি জিম্মির মুক্তি ও ইসরায়েল কয়েক হাজার ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপের মেয়াদ হবে ৪২ দিন করে। দ্বিতীয় ধাপে বাকি জীবিত জিম্মিকে মুক্তি দেবে হামাস। একই সঙ্গে গাজায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা হবে। তৃতীয় ধাপে মৃত জিম্মিদের মরদেহ ইসরায়েলের কাছে বুঝিয়ে দেবে হামাস।
এদিকে হামাসের একটি প্রতিনিধি দল যুদ্ধবিরতির বিষয়ে আলোচনার জন্য মিসরে পৌঁছেছে। সংগঠনটির মুখপাত্র ওসামা হামদান জানান, ‘কিছু অগ্রগতি’ হয়েছে।
এদিকে শনিবার পর্যন্ত গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৩৪ হাজার ৬৫৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।











































