Home আঞ্চলিক খুলনার মাত্তমডাঙ্গায় স্ত্রী হত্যায় স্বামীর আদালতে স্বীকারোক্তি

খুলনার মাত্তমডাঙ্গায় স্ত্রী হত্যায় স্বামীর আদালতে স্বীকারোক্তি

37

০ স্টাফ রিপোর্টার

খানজাহান আলী থানার মাত্তমডঙ্গার গুলশান এলাকার গৃহবধু খাদিজা আক্তার রুনু হত্যা মামলার আসামি দ্বিতীয় স্বামী এনামুল আকুজ্ঞি ওরফে মামুন আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ মে) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে আদালতে হাজির করেন। এসময় আসামির দেয়া ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তরিকুল ইসলাম রেকর্ড করেছেন। এর আগে পুলিশ বৃহস্পতিবার ভোরে যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলার ঘোড়াদাইল গ্রাম থেকে উন্নত প্রযুক্তি ব্যাবহারের মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করে।

মামলার বিবরণে জানা যায়,  এনামুল নিহত গৃহবধূর দ্বিতীয় স্বামী। ১০ বছর পূর্বে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তারা ভারত চলে যায়। দুই বছর পূর্বে তারা ভারত থেকে ফিরে খানজাহান আলী থানার মাত্তমডাঙ্গার গুলশান এলাকার ওই বাড়িতে বসবাস শুরু করে। ভারতের বর্ডার থেকে ভিকটিম মালামাল ক্রয় করে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে তা বিক্রি করেন। এক পর্যায়ে উভয়ের মধ্যে সন্দেহের দানা বাধে। উভয়ের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকত। ২২ মে রাতে তাদের মধ্যে কলহ শুরুর একপর্যায়ে এনামুল তার স্ত্রীর গলাচেপে ধরলে ভিকটিম মারা যায়। এনামুল তার মৃত্যু নিশ্চিত করে মৃত দেহের পাশে বসে একটি আবেগঘন চিঠি লেখে। চিঠিতে তার স্ত্রীর প্রতি সন্দেহের কথা উল্লেখ ছিল বেশী। আর শেষের দুই লাইনে তাদের দম্পত্য জীবনের ভালবাসার কথা উল্লেখ করে। ভিকটিমকে হত্যা করে এনামুল বাইরে তালা মেরে পালিয়ে যায়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে মা স্থানীয় মেম্বরকে বিষয়টি জানালে তিনি ঘরের তালা ভেঙ্গে দেখে ঘরের ভিতর রুনুর মৃত দেহ পড়ে রয়েছে। এরপর ওই মেম্বর পুলিশকে খবর দিলে তার লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে। এঘটনায় নিহতের মা আমেনা বেগম বাদী হয়ে তার মেয়ের স্বামীসহ অজ্ঞাতনামা আরও দু’জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন যার নং ১১।