Home Lead কারাগার ও দীর্ঘ প্রবাস পেরিয়ে মসনদে: আজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঐতিহাসিক কারামুক্তি...

কারাগার ও দীর্ঘ প্রবাস পেরিয়ে মসনদে: আজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঐতিহাসিক কারামুক্তি দিবস

2

স্টাফ রিপোর্টার।।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ৩ সেপ্টেম্বর এক চরম নাটকীয় ও যুগান্তকারী মাইলফলক। ২০০৮ সালের এই দিনে তৎকালীন ১/১১-এর সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দীর্ঘ ১৮ মাস (৫৫৪ দিন) কারাবাস শেষে বন্দিদশা থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও বর্তমান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

২০০৭ সালের ৭ মার্চ ঢাকার মঈনুল হোসেন রোডের বাসভবন থেকে গ্রেপ্তারের পর ১/১১ সরকার তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক রাজনৈতিক মামলা দায়ের করে। কারারুদ্ধ অবস্থায় তাঁর ওপর চালানো অমানুসিক শারীরিক নির্যাতনের কারণে তাঁর মেরুদণ্ডে মারাত্মক আঘাত লাগে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাঁকে রাজধানীর পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবশেষে ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর হাসপাতাল রুম থেকেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় জামিনে মুক্ত হন তিনি।

সেদিন হুইলচেয়ারে বন্দী ভঙ্গুর স্বাস্থ্যের তারেক রহমানকে দেখতে শাহবাগ ও পিজি হাসপাতাল এলাকায় লাখো নেতাকর্মীর ঢল নেমেছিল। চিকিৎসার জন্য ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্য পাড়ি দিলেও ১/১১ পরবর্তী রাজনৈতিক সমীকরণে শুরু হয় তাঁর দীর্ঘ ১৭ বছরের (৬,৩১৪ দিন) প্রবাস জীবন। যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত অবস্থাতেই তিনি প্রযুক্তির সহায়তায় এক দশকেরও বেশি সময় দল ও অঙ্গসংগঠন পুনর্গঠনে দিনরাত নেতৃত্ব দেন।

দীর্ঘ লড়াই ও নির্বাসন শেষে ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর বীরের বেশে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন তারেক রহমান। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে জনগণের ভালোবাসায় তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।

ঐতিহাসিক ৩ সেপ্টেম্বর কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে আজ সারা দেশে আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নানা কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো। জাতীয় প্রেসক্লাবসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। নেতাকর্মীদের কাছে ৩ সেপ্টেম্বর কেবল একটি দিন নয়; বরং জুলুম ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সত্য ও অদম্য নেতৃত্বের বিজয়ের প্রতীক।