Home খেলাধুলা সিরিয়ার বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

সিরিয়ার বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

1

স্পোর্টস ডেস্ক।।

এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ ২০২৭ বাছাইপর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক উজবেকিস্তানের বিপক্ষে হারের হতাশা ভুলে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আগামীকাল বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টায় সিরিয়ার মুখোমুখি হবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

প্রথম ম্যাচে ২-০ গোলে হারলেও সেই ম্যাচের ইতিবাচক দিকগুলো কাজে লাগিয়ে সিরিয়ার বিপক্ষে ভালো ফলাফল অর্জনের ব্যাপারে দারুণ আশাবাদী বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ জেরার্ড জোন্স।

গুরুত্বপূর্ণ এই লড়াইকে সামনে রেখে আজ স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় উজবেকিস্তান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের ট্রেনিং গ্রাউন্ডে নিবিড় অনুশীলন সেরেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দল।

আগামীকালের ম্যাচের জন্য প্রধান কোচ জেরার্ড জোন্স ও তার কোচিং স্টাফরা দলের ট্যাকটিক্যাল প্রস্তুতির ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছেন। ম্যাচের কৌশল, দলীয় সমন্বয় এবং মাঠে নিজেদের পরিকল্পনা সঠিকভাবে বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে ঘাম ঝরিয়েছেন খেলোয়াড়রা।

প্রথম ম্যাচে উজবেকিস্তানের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে হারলেও দলের পারফরম্যান্সে ইতিবাচক দিক খুঁজে পেয়েছেন কোচ জোন্স। আন্তর্জাতিক মঞ্চের অনভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি সরাসরি বলেন, ‘প্রথম ম্যাচটি দল হিসেবে আমাদের একসঙ্গে প্রথম খেলা ছিল।

অনেক কিছুরই প্রথম অভিজ্ঞতা ছিল সেদিন; স্টেডিয়ামের আবহ, আন্তর্জাতিক ম্যাচ, এমনকি কয়েকজন খেলোয়াড়ের অভিষেক। তাই শুরুতে দলের মধ্যে খানিকটা জড়তা বা নার্ভাসনেস থাকা স্বাভাবিক।’

তবে শুরুর এই ধাক্কা সামলে রক্ষণভাগ যেভাবে লড়াই করেছে, তাতে বেশ সন্তুষ্ট কোচ। নিজের ট্যাকটিক্যাল সফলতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সেই প্রাথমিক চাপ কেটে যাওয়ার পর যদি খেয়াল করেন, প্রতিপক্ষও আমাদের প্রশংসা করেছে। মিড-টু-লো ব্লকে আমাদের রক্ষণাত্মক কৌশল খুবই কার্যকর ছিল। তারা কিন্তু মাঝমাঠ দিয়ে আমাদের ভাঙতে পারেনি, বাধ্য হয়ে কেবল কিছু বিপজ্জনক ডায়াগোনাল লং বল ফেলার চেষ্টা করেছে। আমরা মূলত তাদের বল পজেশনে রাখার সুযোগগুলোই কমিয়ে এনেছিলাম।’

ভারত ও সিরিয়ার মধ্যকার ম্যাচটি খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করার পর সিরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচকে দারুণ এক সুযোগ হিসেবে দেখছেন এই কোচ। নিজেদের স্কোয়াডের ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের জন্য ঘুরে দাঁড়ানোর একটি দারুণ সুযোগ হতে যাচ্ছে। আগের ম্যাচে হয়তো আমরা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাইনি, তবে আমাদের একটি চমৎকার টেকনিক্যাল টিম ও স্কোয়াড রয়েছে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে কাজ করছি এবং দলে অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় রয়েছে।’

সিরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে কৌশলগত পরিবর্তনের ইঙ্গিতও দিয়েছেন জোন্স। আগের ম্যাচের রক্ষণাত্মক সফলতার পাশাপাশি নিজেদের আক্রমণের ধার বাড়াতে চান তিনি। আগামীকালের ম্যাচের পরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আগের ম্যাচে আমাদের কৌশল, বিশেষ করে রক্ষণাত্মক কাঠামো অনেকটাই সফল ছিল। আমরা সেই ম্যাচের ইতিবাচক দিকগুলো এই ম্যাচে কাজে লাগাতে চাই। এই ম্যাচে আমরা আগের চেয়ে অনেক বেশি বল দখলে রাখতে চাই এবং খেলার গতি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাই।’