সড়ক পরিবহন, রেলপথ ও সেতু বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত
স্টাফ রিপোর্টার।।
জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল এমপি’র বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ার ও সাফল্যের মুকুটে যুক্ত হলো আরও একটি নতুন সোনালী পালক। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় সংসদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘সড়ক পরিবহন, রেলপথ ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি’-এর সভাপতি হিসেবে তাঁকে নির্বাচিত করা হয়েছে।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মেগা উন্নয়ন নিশ্চিতকরণ, যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল আধুনিকায়ন এবং রেল ও সেতু খাতের দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটানোর লক্ষ্যে অভিজ্ঞ ও দূরদর্শী এই নেতাকে দায়িত্ব প্রদানকে অত্যন্ত সময়োপযোগী পদক্ষেপ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও খুলনার সচেতন মহল। বকুলের এই নতুন অর্জনে পুরো খুলনা অঞ্চলজুড়ে আনন্দঘন পরিবেশ ও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।
ছাত্রজীবন থেকে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে অদম্য সাহসিকতার সঙ্গে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছেন রকিবুল ইসলাম বকুল। হামলা, মামলা, জেল-জুলুম ও নির্যাতন সহ্য করেও দলের নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে তিনি কখনোই আপস করেননি। তৃণমূল কর্মীদের আস্থা অর্জন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম নির্ভরযোগ্য সংগঠক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে খুলনা-৩ আসন থেকে বিজয়ী হওয়ার পর প্রথমে তাঁকে জাতীয় সংসদের ‘হুইপ’ করা হয়। এবার রাষ্ট্র ও সংসদ পরিচালনায় তাঁর দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার মূল্যায়ন হিসেবে তাঁকে সড়ক পরিবহন, রেলপথ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির অভিভাবক করা হলো।
খুলনার কৃতি সন্তানকে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়ায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক ধন্যবাদ, শুভেচ্ছা ও গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি, অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন এবং স্থানীয় বিভিন্ন পেশাজীবী ও সামাজিক সংগঠন।
যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনার দুয়ার: স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, খুলনাকে আধুনিক শিল্প ও পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সড়ক ও রেল যোগাযোগের মানোন্নয়ন সবচেয়ে বড় শর্ত। রকিবুল ইসলাম বকুল এই কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় এখন খুলনার অবকাঠামোগত উন্নয়ন গতি পাবে। নেতাকর্মী ও খুলনার সাধারণ মানুষ বকুলের নতুন এই মেয়াদে তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং রাজনৈতিক জীবনে উত্তরোত্তর সাফল্য ও অগ্রগতি কামনা করেছেন।










































