Home খেলাধুলা শেফিল্ডে ফিরেই পুরো ৯০ মিনিট মাঠে হামজা

শেফিল্ডে ফিরেই পুরো ৯০ মিনিট মাঠে হামজা

1

স্পোর্টস ডেস্ক।।

শেফিল্ড ইউনাইটেডে স্থায়ী চুক্তিতে সই করার সাকুল্যে ২৪ ঘণ্টাও পেরোয়নি। তার আগেই মাঠে নামতে হলো হামজা চৌধুরীকে। তা-ও আবার একাদশে থেকে। ব্র্যামল লেনে ঘরের মাঠে শেফিল্ডের রোমাঞ্চকর ৩-২ গোলের জয়ের সঙ্গী হলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার।

বোল্টন ওয়ান্ডারার্সের বিপক্ষে জয় দিয়ে ফিরতি পর্বের শুরুটা স্মরণীয় হলেও বাংলাদেশের সমর্থকদের চোখ ছিল ভিন্ন এক রোমাঞ্চে। চ্যাম্পিয়নশিপের এ ম্যাচ যেন হয়ে উঠেছিল ‘লঙ্কা-বাংলা’ লড়াই।

একদিকে শেফিল্ডের হামজা, অন্যদিকে বোল্টনের শ্রীলঙ্কান বংশোদ্ভূত ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার জাভিয়ের সিমন্স। তবে ম্যাচটিতে হামজার শুরুটা একেবারেই সুখকর হয়নি। খেলার প্রথম মিনিটেই বাঁ প্রান্তে বোল্টন উইঙ্গার থিয়েরি গ্যালের চ্যালেঞ্জে পরাস্ত হন তিনি। হামজাকে কাটিয়ে গ্যালের বাড়ানো ক্রস সতীর্থরা ক্লিয়ার করলেও ফিরতি বল ফাঁকায় পেয়ে জালে জড়ান সেই সিমন্স।

গ্যালকে সময়মতো রুখে দিতে পারলে হয়তো শেফিল্ডকে শুরুতেই পিছিয়ে পড়তে হতো না। রাইটব্যাক পজিশনে খেলা হামজা বিরতির ঠিক আগে নষ্ট করেন গোলের এক সুবর্ণ সুযোগও। ম্যাচে একদমই মানিয়ে নিতে না পারা বাংলাদেশি তারকাকে সোফাস্কোর তাদের রেটিংয়ে দিয়েছে ১০-এ ৬.৮।

অবশ্য হামজার অফ-ডেতেও পয়েন্ট খোয়াতে হয়নি শেফিল্ডকে। গোল খাওয়ার তিন মিনিটের মাথায় জাফেট ট্যানগ্যাঙ্গার গোলে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা।

বিরতির পর ৬৭ মিনিটে আবারও পিছিয়ে পড়লেও পরের মিনিটেই প্যাট্রিক ব্যামফোর্ডের লক্ষ্যভেদে ম্যাচে ফেরে সমতা। আর নাটকীয়তার চূড়ান্ত রূপ দেখে যোগ করা সময়ে (৯০+৩ মিনিট), রোমেল ডনোভানের জয়সূচক গোলে উল্লাসে ফেটে পড়ে পুরো ব্র্যামল লেন।

ম্যাচ শেষে নিজের অনুভূতি জানিয়ে হামজা বলেন, ‘ব্র্যামল লেনে ফিরতে পেরে রোমাঞ্চ অনুভব করছি। শুরুতেই গোল খেয়ে ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিলাম, আমরা এভাবে সন্ধ্যাটা শুরু করতে চাইনি। তবে সতীর্থরা দুর্দান্ত সাহসিকতা দেখিয়ে খেলায় ফিরেছে। এই স্টেডিয়াম আর এখানকার সমর্থকেরা সত্যিই অসাধারণ।’

লেস্টার সিটিতে দীর্ঘ ২১ বছরের সম্পর্কের ইতি টেনে গত ৩১ আগস্ট স্থায়ীভাবে শেফিল্ডে যোগ দেন ২৭ বছর বয়সী এই ফুটবলার। এর আগে গত মৌসুমে ধারে খেলতে এসে ১৯ ম্যাচে মাঠ মাতিয়ে দলকে প্লে-অফ ফাইনালে তুলতে রেখেছিলেন বড় ভূমিকা।