স্টাফ রিপোর্টার।।
খুলনায় আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ পাওয়াগেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ‘নগরীর একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালকের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনা-সমালোচনা বেড়েছে। ৫ আগষ্ট পরবর্তীতে পলাতক খুলনার নেতাদের সাথে গোপন যোগাযোগের মাধ্যমে নানা অপকর্মে ছক করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল।’
একাধিক সুত্রের অভিযোগে জানাযায় , ’খুলনা সদর থানা আওয়ামী লীগের একাধিক মামলার পলাতক আসামি এক নেতার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত আজিজুল হক নামের এক ব্যবসায়ী। এছাড়া অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেও তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়দের একটি অংশ।’
স্থানীয়দের দাবি, ’২০১৮ সালের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনেও তিনি একটি পক্ষের হয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। একই সঙ্গে বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সংশ্লিষ্ট থেকে তিনি আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।’
এলাকাবাসীর অভিযোগ, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে তার পরিচালিত “ইন্টারএইড” নামের একটি প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হতো। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একাধিকবার অভিযানও চালিয়েছে বলে জানা গেছে। বিভিন্ন অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েক দফা জরিমানাসহ সাময়িকভাবে বন্ধও করা হয়েছিল বলে স্থানীয় সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে পরবর্তীতে প্রভাব খাটিয়ে প্রতিষ্ঠানটি পুনরায় চালু করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বর্তমানে তিনি তার প্রতিষ্ঠান রক্ষার্থে বিভিন্ন মহলে যোগাযোগ রক্ষা করছেন বলেও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা রয়েছে।
এ বিষয়ে আজিজুল হকের বক্তব্য জানতে তার ব্যবহৃত দুটি মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনার সঠিক কারন জানাযায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল এ সকল অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনের কার্যকর তদন্ত ও নজরদারি কামনা করেছেন।










































