খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর বিএনপির শফিকুল আলম তুহিন বলেছেন, আমাদের সাংস্কৃতিক যাবতীয় অর্জনের মূলে শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের অবদান অনস্বীকার্য। তার মতো করে এ ব্যাপারে এত গভীরভাবে কেউ ভাবেনি। তার বাস্তবোচিত কর্মকাণ্ডের ফলে এ দেশের সাংস্কৃতিক জগতে অভূতপূর্ব জাগরণ শুরু হয়েছিল। একুশে পদক, স্বাধীনতা পদকসহ নানা অর্জনের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির ব্যবস্থা তিনিই করেছিলেন। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিষ্ঠাতা তিনিই ছিলেন। আজকের বাংলাদেশ যে জঘন্য সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের শিকার এর পেছনে রয়েছে জিয়াউর রহমানের অনুসৃত স্বাতন্ত্র সাংস্কৃতিক বিনির্মানের কর্মসূচি থেকে সরে আসা।
রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন-জাসাস এর ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে খুলনা মহানগর জাসাস আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি জাসাস প্রতিষ্ঠায় শহীদ জিয়ার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সমুন্নত রাখতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, সম্মৃদ্ধশালী, গনতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মানে এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারেক জিয়ার নির্দেশনা মতো সবাইকে কাজ করতে হবে।
জাসাস খুলনা মহানগর আহবায়ক ইঞ্জি. নূর ইসলাম বাচ্চুর সভাপতিত্বে এবং ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব কে এম এ জলিলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনা, ফখরুল আলম, বদরুল আলম খাঁন, একরামুল হক হেলাল, কে,এম হুমায়ূন কবির, হাফিজুর রহমান মনি, আসাদুজ্জামান আসাদ, জাকির ইকবাল বাপ্পী, ফারুক হোসেন, জাসাস খুলনা জেলার সদস্য সচিব আজাদ আমীন. পারভেজ ইসলাম, মীর মো. মো:মিজান, রেজাউল ইসলাম, মো: সেলিম, দিদার সাঈদ, মিতুল মিঠু, ফারুক হোসেন আশা, হাসানুল বান্না, কাজী মুকুল, তরিকুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, শাহিন, মিঠু, ফায়াজ, তৌকির, সেলিম, সুজাত, নান্নু, ঝিল্টন, রানা, রবিউল ইসলাম, সোহাগ, শাহজাহান, সুমন, কাকলি, ইসরাত, মাইশা, আফরিন, কুলসুম, মনিরুল গাজী, মনির হোসেন, সোহেল, শরিফ, শহিদুল, খোকন, রোমান, শফিক, মুরাদ, ইয়াসিন, মিন্টু, জাফরিন, মতিউর মামুন, ডালিম, আরিফুজ্জামান, মেহেদী, রাসেল, আল মামুন, আরাফাত, ফয়সাল, আমিনুর, আরিফ, শফিকুল ইসলাম বাদল, বুলবুল, মনি, নুরূল, মশিউর, ছাত্রদল নেতা সৈয়দ তানভীর সহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে অতিথিগন প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কেটে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সফলতা কামনা করেন।











































