স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) নিয়ন্ত্রণাধীন কলেজিয়েট গার্লস স্কুলের এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার পর ছাত্রীর পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়েছে শিক্ষকের পরিবার। পরে মঙ্গলবার অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিয়েছেন ওই ছাত্রীর অভিভাবক। গত ২৯ ফেব্রুয়ারি শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম প্রদ্যুৎ ভট্ট। অভিযোগ উঠেছে, নানামুখী চাপে ছাত্রীর পরিবার অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
জানা যায়, স্কুল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করলে অভিভাবকরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এতে গত সোমবার শিক্ষককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়। পরে তাঁকে পাঁচ দিনের ছুটিতে পাঠানো হয়। ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছ থেকে জানা গেছে, ওই ছাত্রী বাথরুমে গেলে তাকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন শিক্ষক প্রদ্যুৎ ভট্ট। অন্য ক্লাসের দুই ছাত্রী বিষয়টি দেখে এগিয়ে গেলে শিক্ষক ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরবর্তী সময়ে তারা অভিভাবক ও অন্য শিক্ষার্থীদের বিষয়টি জানায়।
খুলনা কলেজিয়েট গার্লস স্কুল ও কেসিসি উইমেন্সের অধ্যক্ষ তৌহিদুজ্জামান জানান, সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে কমিটিকে। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ছুটিতে থাকায় অভিযুক্ত শিক্ষক প্রদ্যুৎ ভট্টকে বিদ্যালয়ে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলতে রাজি হননি। তাদের এক প্রতিবেশী জানান, অভিযুক্ত শিক্ষকের পরিবারের সদস্যরা ছাত্রীর বাড়ি গিয়েছিলেন। তারা পরিবারটির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। বিভিন্ন দিক ভেবে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন ছাত্রীর অভিভাবক।











































