১৮০ দিনের টার্গেট পূরণ করতে পারেননি বেশিরভাগ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীই, সরকার অর্জন দেখাতে পারে এমন ব্যক্তিগত সাফল্য নেই কোনো মন্ত্রীরই : কপাল পুড়ছে একাধিক মন্ত্রী-এমপির, ভাগ্যও খুলছে অনেকের
খুলনাঞ্চল রিপোর্ট।।
জনগণের ভোটে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে বিজয়ী হয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠন করে বিএনপি। ২৫ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রীর সমন্বয়ে গঠিত মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী ইশতেহার ও দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য অঙ্গীকারসমূহকে কেন্দ্র করে ‘১৮০ দিনের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা’ ঘোষণা করেন। মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের সতর্ক করে জানিয়ে দেন সকলের ৬ মাসের কাজের মূল্যায়ন করবেন তিনি। দায়িত্ব পালনের এই প্রথম ১৮০ দিন বা ছয় মাস পূর্ণ হতে বাকি আর এক সপ্তাহ। যদিও ইতোমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ও তাঁর ব্যক্তিগত উৎসের মাধ্যমে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের পারফরম্যান্সের তথ্য সংগ্রহ করেছেন। সংগৃহীত এসব তথ্যের এখন চলছে পর্যালোচনা। মন্ত্রণালয়গুলোও পৃথকভাবে তাদের কর্মকা- জমা দিচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। এরই প্রেক্ষিতে বিদ্যমান মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন ও রদবদলের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের একাধিক সূত্র বলছে, সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর ব্যতিক্রমী কিছু উদ্যোগ যেমন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কিংবা বাসভবনের পরিবর্তে নিয়মিত সকাল ৯টায় অফিস করা শুরু করেন সচিবালয়ে। ভিভিআইপি সুবিধা বাদ দিয়ে সড়কে চলছেন সীমিত প্রটোকলে সাধারণ মানুষের মতোই। নিজের পাশাপাশি অন্যদের ভিভিআইপি সুবিধাও বাদ দিয়েছেন। থাকছেন নিজের বাসাতে, ব্যবহার করছেন নিজের গাড়ি, বেতনের ১০ শতাংশ ফিরিয়ে দিচ্ছেন সরকারি ফান্ডে। প্রধানমন্ত্রী হয়েও নিজেকে অতিসাধারণের কাতারে উপস্থাপন করা। জনগণের কল্যাণে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ, বাস্তবায়নে তৎপরতার ফলে সরকারের ইতিবাচক ইমেজ তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্ত্রীই এমন উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখাতে পারেননি, যা সরকারের বড় অর্জন হিসেবে তুলে ধরা যায়। তবে দু-একজন প্রতিমন্ত্রী তুলনামূলক ভালো ‘পারফরম্যান্স’ করছেন বলে মূল্যায়নে বেরিয়ে এসেছে। ১৮০ দিনে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের কারো কারো পারফরম্যান্সে প্রধানমন্ত্রী খুশি হলেও অনেকের ক্ষেত্রে সন্তুষ্ট নন। ফলে কেউ কেউ মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন, কারো কারো দপ্তর পুনর্বণ্টন হতে পারে এবং নতুন দু-তিনজন যুক্তও হতে পারেন মন্ত্রিসভায়। তবে সবার আগে এখন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকেই গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
আগামী ২০ আগস্ট প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিএনপির পক্ষ থেকে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রার্থী নির্বাচনের দায়িত্ব দিয়েছে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্যগণ। তবে একাধিক সদস্যের কাছে বিএনপি চেয়ারম্যান প্রেসিডেন্ট পদে পরামর্শ চাইলে তারা বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলামের নামই প্রস্তাব করেছেন বলে তারা জানিয়েছেন। ফলে তিনিই পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হওয়ার ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে আছেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচন শেষ হওয়ার পর মন্ত্রিসভার রদবদল নিয়ে কাজ শুরু হতে পারে বলে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রেসিডেন্ট হলে দু’টি পদে পরিবর্তন আনতে হবে সরকার ও বিএনপিকে। মির্জা ফখরুল প্রেসিডেন্ট হলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর পদটি শূন্য হবে, একইসাথে দলের মহাসচিবের পদেও পরিবর্তন আনতে হবে। এক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে দলের সিনিয়র নেতাকেই দায়িত্ব দেয়া হতে পারে। আর দলের মহাসচিবের স্থলে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব বর্তমান সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী পেতে পারেন বলে প্রধানমন্ত্রীর একাধিক ঘনিষ্ঠ সূত্র জানান।
একাধিক গোয়েন্দা সূত্র এবং প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় সূত্র জানায়, সরকারের প্রথম ৬ মাসে বেশ কিছু অগ্রাধিকার প্রকল্প ছিল, যার মধ্যে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, খাল কাটা কর্মসূচি, কৃষিঋণ মওকুফ, নিত্যপণের বাজার নিয়ন্ত্রণ, রাজধানীসহ বড় শহরগুলোকে যানজট, দূষণমুক্ত করে বাসযোগ্য করা, ইমাম- মোয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় উপাসনালয়ের প্রধানদের সম্মানী প্রদান, হেলথ কার্ড প্রদান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মানোন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু, তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা, শিক্ষার্থীদের মাঝে উপকরণ ও ট্যাব বিতরণ, লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস, সবুজ বেষ্টনী ও কোটি বৃক্ষরোপণ, জাতীয় গ্রিডে সৌরবিদ্যুৎ ও নতুন সোর্স যুক্ত করে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, সার্বভৌমত্ব, বৈদেশিক বাণিজ্য এবং রেমিট্যান্স খাত সুরক্ষায় জাতীয় স্বার্থকে সর্বাগ্রে রেখে বৈদেশিক সম্পর্ক উন্নয়ন।
এক্ষেত্রে ‘কৃষক কার্ড’ এবং ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাইলটিং কর্মসূচি চালুর মাধ্যমে প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের জনগোষ্ঠীর নিকট সরকারি সুবিধা সরাসরি পৌঁছে দেয়ার প্রক্রিয়া দ্রুত বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। এছাড়া কৃষিঋণ মওকুফ ও সার-বীজের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে কৃষি মন্ত্রণালয় সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে। জাতীয় গ্রিডে রুফটপ সোলার ও সৌর বিদ্যুৎ সংযোজন বৃদ্ধিসহ গ্রীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার প্রচেষ্টায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় গতিশীলতা দেখিয়েছে। তবে সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই সরকারকে বিব্রত করতে কৃত্রিম জ¦ালানি সঙ্কট সৃষ্টি এবং সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুতের লোডশেডিং সরকারকে কিছুটা সমালোচনার মুখেই ফেলেছে। যদিও বিদ্যুৎ, জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর নেতৃত্বে এই সঙ্কট মোকাবিলায় সক্ষম হয়েছে সরকার। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আশানুরূপ উন্নতি পরিলক্ষিত হয়নি। বরং রাজধানীসহ সারাদেশেই কিশোর গ্যাংয়ের দৌড়াত্ম্য, ছিনতাই, জুলাই হত্যাকা-ের আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও তাদের আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে খুব বেশি সক্রিয় দেখা যায়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তে ভারত যেভাবে পুশব্যাক করার চেষ্টা চালিয়েছিল সেটি বিজিবি শক্তভাবে প্রতিহত করে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
সরকারের এই ৬ মাসে সারাদেশে নদী ও খাল পুনঃখনন, পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্যোগও অন্যতম মাইলফলক। বাংলাদেশ ফার্স্ট পররাষ্ট্রনীতির অধীনে সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণœ রেখে আন্তর্জাতিক সুসম্পর্ক বজায় রাখতে যে তৎপরতা চালানো হচ্ছে। ইমাম-মোয়াজ্জিন ও ধর্মীয় উপাসনালয়ের প্রধানদের ভাতা প্রদান ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে, চলতি বছরের হজ কার্যক্রমও অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।
তবে নিত্যপণের বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা, শিল্পকারখানা সচল করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা চালু, তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও নেই কোনো সফলতা।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, তাদের পর্যবেক্ষণে প্রথম ১৮০ দিন সময়ে সবচেয়ে বেশি বিতর্ক, সমালোচনা ও সরকারকে বিব্রত করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং সড়ক পরিবহন, সেতু, রেলপথ ও নৌ পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের বেফাঁস মন্তব্য ও কর্মকান্ড। এছাড়া ভঙ্গুর অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করা, বিনিয়োগ আনা এবং শিল্প প্রতিষ্ঠান সচল করতে যাদের দায়িত্ব সেসব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ বা সংস্থাও তেমন কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে তরুণদের নতুন কর্মসংস্থানের পথও বন্ধ রয়েছে। এতে করে দিন দিন বেরকারদের সংখ্যাও বাড়ছে, যা ভবিষ্যতে সরকারকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জে ফেলতে পারে। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি, ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতাও সরকারের প্রতি সাধারণ মানুষের ক্ষোভের সঞ্চার করেছে।
দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় ৬ মাস হতে চললেও এখনো প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে ফ্যাসিবাদী সরকারের সুবিধাভোগীদের সরাতে পারেনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বরং মাঝে মাঝেই তাদের নতুন করে পদায়ন করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে এই মন্ত্রণালয়টি।
ওই সূত্রগুলো আরো জানায়, একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা কয়েকজন মন্ত্রী অতিরিক্ত কাজের চাপে স্বাভাবিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হিমশিম খাচ্ছেন। অনেকেই আবার প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছেন, কেউ কেউ সরকারকে প্রতিনিয়ত বিব্রত করছেন। ফলে বর্তমানে যেসব মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন তাদের একটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রেখে বাকিগুলো থেকে সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এদের মধ্যে শেখ রবিউল আলম সড়ক পরিবহন, সেতু, রেল ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। এখানে নতুন মুখ হিসেবে শ্রমিক নেতা শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের নাম শোনা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে শেখ রবিউল আলমকে রেল ও নৌ পরিবহনের দায়িত্ব দেয়া হতে পারে। বাণিজ্য, শিল্প এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, কৃষি ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদের বিষয়ে সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনে ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে। ফলে এই দু’টি মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তন নির্ভর করছে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিনের মতামতের ওপর। তিনি দায়িত্ব নিতে আগ্রহী হলে এই মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তন অনেকটা নিশ্চিত। তবে তিনি দায়িত্ব নিতে না চাইলে টিকে যেতে পারেন আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এছাড়া সংস্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধ, পানিসম্পদ, ভূমি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, পাট ও বস্ত্র, তথ্য ও সম্প্রচার, বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর কেউ কেউ বড় দায়িত্বে, কারো কারো দপ্তর পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানা গেছে।
আর নতুন করে মন্ত্রিসভার আলোচনায় আছেন- গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. মঈন খান, সেলিমা রহমান, রুহুল কবির রিজভী, এ বি এম মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, গিয়াসউদ্দীন রিমন, রকিবুল ইসলাম বকুল, মাহামুদুর রহমান মান্না, ড. মাহ্দী আমিন, রেহান আসিফ আসাদ, হুমায়ুন কবিরের নাম।
এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা দিয়েছিলেন। এই সময়সীমা শেষে মূল্যায়নও হবে। সেক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীই বিবেচনা করবেন কারা কারা সফল হয়েছেন এবং কোন কোন ক্ষেত্রে পরিবর্তন বা রদবদল প্রয়োজন।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকারের ১৮০ দিনের পরিকল্পনা ছিল। সেই সময় পর্যন্ত সরকার দেখবে, এরপর সার্বিক মূল্যায়ন হবে। সবকিছুই আমরা যথাসময়ে তুলে ধরবো।










































