খুলনাঞ্চল রিপোর্ট
কে হচ্ছেন দেশের তেইশতম রাষ্ট্রপতি। মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর থেকে এই প্রশ্ন সর্বত্র। নানা গুঞ্জন, হিসাব-নিকাশ চলছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী চলতি সপ্তাহের শেষ দিন মনোনীত প্রার্থী রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন জমা দেবেন। তাই এর মধ্যেই জানা যেতে পারে পরবর্তী প্রেসিডেন্টের নাম। এতদিন বেশ কয়েকজনের নাম আলোচনায় থাকলেও এখন তা দুই-এর কোটায় এসে ঠেকেছে। তবে বঙ্গভবনের চেয়ারে কে বসছেন তা কেবল বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানই জানেন।
তিনি হয়তো এই পদে কোনো চমক দেখাতে পারেন।
দলের নীতিনির্ধারণী পর্ষদ স্থায়ী কমিটির পক্ষ থেকে তাকে এই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। দলের চেয়ারম্যানের প্রতি আস্থা থেকে কমিটির সভায় কেউ কারও নামও প্রস্তাব করেননি। দলীয় সূত্রের দাবি বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ এবং দলের বর্তমান মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় ফোরামের আলোচনায় এগিয়ে আছেন।
বিএনপি’র নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, দলের সিনিয়র একজন নেতাকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে বেছে নেয়া হবে-এমনই সিদ্ধান্ত রয়েছে। সে হিসেবে দলের সিনিয়র কয়েকজন নেতার নাম তালিকায় আছে। দলের বাইরের একজনের নাম আলোচনায় আসলেও দলীয় সূত্র তা নাকচ করে জানিয়েছে, একজন রাজনীতিবিদই হচ্ছেন দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি।
দলের ভেতরে এই পদে তালিকায় বেশি আলোচনা হচ্ছে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ড. আব্দুল মঈন খানের নাম। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদের নামও নতুন করে তালিকায় যুক্ত হয়েছে। দলীয় সূত্রের দাবি তাদের মধ্যে থেকেই একজনকে বেছে নেয়া হতে পারে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি। আরেক সিনিয়র নেতা নজরুল ইসলাম খানের নামও কেউ কেউ বলছেন।
ওদিকে সম্প্রতি রাষ্ট্রপতি পদে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম নতুন করে আলোচনায় আসলেও দলের বিবেচনায় তার নাম নেই।











































