খুলনা রুপসার শিয়ালীর ঘটনায় পুলিশ সুপারের কাছে ইসলামী আন্দোলনের স্মারকলিপি পেশ
খবর বিজ্ঞপ্তি।।
খুলনা রূপসা উপজেলার ঘাটভোগ ইউনিয়নের শিয়লী গ্রামে মসজিদের ইমামকে লাঞ্চিত, মসজিদ ও হিন্দু ধর্মীয় মন্দিরে হামলা এবং দোকানপাট ভাংচুর, নিরীহ মুসলমানদের গ্রেপ্তার এবং হয়রানি বন্ধ করে এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত পূর্বক প্রকৃত দোষী ব্যক্তিদের শাস্তির আওতায় আনার দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) বিকাল ৪ টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা জেলা ও মহানগরের উদ্যোগে নেতৃবৃন্দ খুলনা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মামুনুর রশিদ এর মাধ্যমে খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয় ।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, আমরা খুলনা ও রুপসা উপজেলাবাসী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে হিন্দু মুসলিম ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী সকলেই মিলেমিশে বসবাস করে আসছি।
রূপসা শিয়ালি গ্রামের মসজিদে নামাজরত অবস্থায় বারংবার ঢোল তবলা, গানবাজনা বাজানোর কারনে ইমাম সাহেব ও মুসল্লিবৃন্দ নিষেধ করলে ইমাম সাহেব কে লাঞ্ছিত ও মসজিদে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং মন্দির ও দোকান ভাঙচুর করা এটা কখনোই কাম্য হতে পারে না।
রুপসায় মসজিদ, মন্দিরে হামলা দোকানপাট ভাংচুরের ঘটনা এটা আমাদের কাছে মনে হচ্ছে একটা পরিকল্পিত ঘটনা এই ঘটনায় একতরফা মুসলিমদের গ্রেফতার হয়রানি করা হচ্ছে অন্যদিকে ইমাম সাহেবকে লাঞ্ছিত, মসজিদে ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ব্যাপারে দোষীদের ক্ষেত্রে শাস্তি মুলক প্রয়োজনীয় কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে না । এর পরিপ্রেক্ষিতে নিরীহ মুসলমানদের গ্রেফতার ও হয়রানি বন্ধ করে সঠিক তদন্ত পূর্বক প্রকৃত দোষীদেরকেই শাস্তির দাবী জানান।
এদিকে রূপসা উপজেলার নেতৃবৃন্দ রূপসা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা চেয়ারম্যানের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন।
পুলিশ সুপার কার্যালয়ে স্মারকলিপি দেয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর সভাপতি মুফতি আমানুল্লাহ, জেলা সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল্লাহ ইমরান, নগর সেক্রেটারী শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, জেলা সেক্রেটারী হাফেজ আসাদুল্লাহ আল-গালিব, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা শাইখুল ইসলাম বিন হাসান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাফেজ আশরাফুল আলম, রুপসা উপজেলা সভাপতি মোঃ ইউসুফ আলী এবং শ্রীফলতলা ইউনিয়ন সভাপতি মোহাম্মদ আশরাফ আলী বিশ্বাস প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
খানজাহান আলী থানা এলাকায় চুরির ঘটনা ঘটেই চলছে
ফুলবাড়ীগেট, (খুলনা) প্রতিনিধি
নগরির খানজাহান আলী থানা এলাকার যোগিপোল ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের জাব্দিপুরে নিজ বাড়ির গেটের তালা ভেঙ্গে কেএমপির সোনডাঙ্গা থানায় কর্মরত এস আই মাসুম বিল্লার মটর সাইকেল সুজকি (খুলনা মেট্রো ট- ১২-৬৬৬১) চুরি করে নিয়ে গেছে চোরেরা । ১১ আগষ্ট বুধবার রাতে নিজ কাজ শেষে মটরসাইকেল নিজ বড়ির বারান্দায় রেখে দেন । ভোরবেলা মাসুম বিল্লাহ ঘুম থেকে উঠে দেখেন গেটের তালা ভাঙ্গা এবং তার মটরসাইকেলটি নেয় । খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন । খানজাহান আলী থানার ডিওটি অফিসার এ এস আই পিংকি জানান এ ব্যাপারে খানজাহান আলী থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে । উল্লেখ্য প্রতিনিয়ত থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেই চলেছে ।
দৌলতপুর থানা বিএনপি’র শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
গতকাল বাদ মাগরিব দৈনিক পূর্বাঞ্চলের দৌলতপুর প্রতিনিধি শেখ এজাজ আহমেদ এর পুত্র শেখ হাসিব (২৫) ভৈরব নদীতে ডুবে মারা যাওয়ায় তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন। দৌলতপুর থানা বিএনপির সভাপতি শেখ মুর্শাররফ হোসেন, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সিরাজুল হক নান্নু, শেখ শহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাত হোসেন তোতন, লিয়াকত হোসেন লাভলু, শেখ আব্দুল হালিম, আলহাজ্ব বেলায়েত হোসেন, মজিবুর রহমান মোল্যা, শেখ ইমাম হোসেন, শরিফুল আনাম, তরিকুল ইসলাম, মাসুদ রানা ডাবলু, আবুল কালাম শিকদার, শেখ আনছার আলী, সরদার আরব আলী, জাহিদ হাসান খসরু, আরমান হোসেন, মতলুবুর রহমান মিতুল, আরিফ খান, শহিদুল ইসলাম বিপ্লব প্রমুখ।
আশাশুনিতে ২০২১ যুব দিবস উপলক্ষে ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভা
আশাশুনি(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি :
“দক্ষ যুব গড়ছে দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ” এ প্রতিপাদ্যকে সমানে রেখে আশাশুনিতে জাতীয় যুব দিবস ২০২১ উপলক্ষে ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় সচেতনতা মূলক ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাজমুল হুসেইন খাঁন।
যুব উন্নয়ন অফিসার আজিজুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অসীম বরণ চক্রবর্তী, উপজেলা কৃষি অফিসার রাজিবুল হাসান, আশাশুনি রিপোর্টার্স ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম আলাউদ্দীন, সুন্দরবন ফাউন্ডেশন এর নির্বাহী পরিচালক শেখ আফজাল হোসেন, মৌমাছি এনজিওর নির্বাহী পরিচালক সুশান্তত মল্লিক, অ্যাডোলেসেন্ট টিমের সদস্যবৃন্দ, মমতাজ খাতুন, মরিয়ম খাতুন, অপু মল্লিক প্রমুখ।
ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারে কয়রায় ৩ গ্রামে ঢেউটিন বিতরণ করেছেন রেডক্রিসেন্ট
কয়রা প্রতিনিধি
বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি খুলনা জেলা ইউনিট কয়রায় ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ ৩ গ্রামে শত পরিবারে ২০০ বান ঢেউটিন বিতরণ করেছেন। বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টায় গ্রাজুয়েটস হাইস্কুলে ঢেউটিন বিতরণ অনুষ্ঠানে খুলনা জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি এর সেক্রেটারী মকবুল হোসেন মিন্টুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনিমেষ বিশ^াস, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম শফিকুল ইসলাম সহ কয়রা প্রেস কøাবের সভাপতি এসএম হারুন অর রশীদ ও অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক জিএম আওলাদ হোসেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসে মহারাজপুর ইউনিয়নের দশালিয়া গ্রামের বেঁড়িবাঁধ ভেঙ্গে দশালিয়া, আটরা, খেজুর ডাঙ্গা ও অন্যান্য গ্রামের শত শত ঘরবাড়ী লবন পানিতে ভেসে যায়। খুলনা জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি এবং জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ¦ শেখ হারুনর রশিদ ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় সংস্থার পক্ষ থেকে ঢেউটিন বিতরনের জন্য সিদ্ধান্ত নেয়। অতঃপর সংস্থার একদল ভলেন্টিয়ার দশালিয়া, আটরা ও খেজুর ডাঙ্গা ক্ষতিগ্রস্থ এমন ১০০ পরিবারে তালিকা বাড়ী বাড়ী যেয়ে প্রস্তুত করেন। জানা গেছে, দাতা সংস্থা এইচ এস বি সির সহযোগিতায় খুলনা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি প্রতিটি পরিবারে ২ বান করে ঢেউটিন বিতরন করেছেন। এসময় রেডক্রিসেন্ট এর জেলা ইউনিট লেভেল অফিসার তরিকুল ইসলাম, শেখ আল আমিন, মুস্তাকিম বিল্লাহ মুহিত সহ সংস্থার আব্দুল্লাহ আল মামুন রোমানা আক্তার সীমা, রুমানা ইয়াসমিন মৌ, শ্রাবণী সুলতানা ও শেখ রাব্বি উপস্থিত ছিলেন।
ফকিরহাটে করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ পল্লী উদ্যেক্তাদের প্রণোদনা ঋণ প্রদান
ফকিরহাট প্রতিনিধি
কোভিড-১৯ এর কারনে ক্ষতিগ্রস্থ অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বিশেষ উদ্যোগের আওতায় পল্লী এলাকায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠির জীবনমান উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা কার্যালয়ের মাধ্যমে চলতি অর্থ বছরে ৪ শতাংশ সেবামূল্যে ১০জন পল্লী উদ্যেক্তাদের মাঝে ১লক্ষ টাকা করে মোট ১০লক্ষ টাকার প্রণোদনা ঋণের চেক প্রদান করা হয়েছে। উপজেলা বিআরডিবি মিলনায়তনে বুধবার দুপুর ১২টায় পল্লী উদ্যেক্তাদের মাঝে প্রণোদনা ঋণের চেক প্রদান করেন প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা বেগম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিআরডিবির আওতাধীন ইউসিসি চেয়ারম্যান শেখ কামরুজ্জামান কামরুল। অনুষ্ঠানটি সার্বিক ভাবে পরিচালনা করেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্ত মো: রবিউল ইসলাম। ##
খুলনা জেলায় করোনা ভ্যাকসিন নিয়েছেন ছয় হাজার একশত ৮৯ জন
তথ্য বিবরণী
খুলনা জেলায় আজ (বৃহস্পতিবার) ছয় হাজার একশত ৮৯ জন করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন। যার মধ্যে পুরুষ তিন হাজার তিনশত ৫৯ এবং মহিলা দুই হাজার আটশত ৩০ জন। এ পর্যন্ত দুই লাখ ছয় হাজার সাতশত ২৫ জন করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন।
আজ খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় চার হাজার চারশত ৪৮ জন এবং নয়টি উপজেলায় মোট এক হাজার সাতশত ৪১ জন করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন। উপজেলাগুলোর মধ্যে দাকোপে একশত ৯৪ জন, বটিয়াঘাটা একশত ১৬ জন, দিঘলিয়ায় একশত ৪১ জন, ডুমুরিয়ায় দুইশত ৯৩ জন, ফুলতলায় একশত ৭৮ জন, কয়রায় দুইশত ৪৬ জন, পাইকগাছায় একশত দুই জন, রূপসায় একশত ৭০ জন এবং তেরখাদায় তিনশত এক জন টিকা গ্রহণ করেছেন। বৃহস্পতিবার মহানগরের তিনটি হাসপাতালে আটশত ২৫ জন এবং খুলনা জেলার নয়টি উপজেলায় তিন হাজার পাঁচশত ৮৭ জন করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেন।
খুলনা সিভিল সার্জন দপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসকল তথ্য জানানো হয়েছে।
‘মুজগুন্নীর খানজাহান আলী (রহঃ) দিঘি সংরক্ষণে মামলা পরবর্তী অবস্থা ও করণীয় ’ বিষয়ক পরামর্শ সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) সকাল ১১.০০টায় বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)’র আয়োজনে মুজগুন্নী খানজাহান আলী (রহঃ) দিঘি সংরক্ষণে মামলা পরবর্তী অবস্থা ও করণীয়’ এক পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়। মুজগুন্নীস্থ ভিক্টোরিয়া স্পোটিং ক্লাবে অনুষ্ঠিত এই পরামর্শ সভায় সভাপতিত্ব করেন খানজাহান আলী (রহঃ) দিঘি রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়াদুদ মল্লিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট রাজনৈতিক কর্মী জনার হায়দার আলী এবং বিশিষ্ট সমাজকর্মী শেখ আবুল হোসেন নবো। খানজাহান আলী দিঘির মামলা সংক্রান্ত সর্বশেষ অবস্থা পর্যালোচনা এবং সঞ্চালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন করেন বেলা, খুলনার বিভাগীয় সমন্বয়কারী মাহফুজুর রহমান মুকুল। পরামর্শ সভায় বক্তারা বলেন, খানজাহান আলী (রহঃ) দিঘিটি প্রায় ৭০০ বছরের পুরাতন একটি দিঘি। ২০০০ সালের প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইনের বিবেচনায় এই দিঘিটি কোনভাবে ভরাট রীটের প্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট দিঘি ভরাট বন্ধে স্থগিতাদেশ প্রদান করেন এবং যতটুকু ভরাট করা হয়েছে তা অপসারণের নির্দেশ প্রদান করেন। সেই আদেশ এখনো বহাল রয়েছে। কিন্ত মাঠ পর্যায়ে দেখা গেছে, সেই ভরাট অংশের বালি এখনো অপসারণ করা হয়নি। অভিযোগ এসেছে এখন ভরাট না করলেও বিভিন্নভাবে বর্জ্য ফেলে দিঘির পানি দূষিত করে পানি ব্যবহাওে অনুপযোগি করার একটি অপপ্রয়াস চালানো হচ্ছে। আলোচকরা জরুরীভাবে এলাকা পরিদর্শন করে এই অপপ্রয়াস বন্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হবার আহ্বান জানিয়েছে। আলোচকরা এই দিঘির সীমানা নির্ধারণ করে সংরক্ষণ করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এগিয়ে আসবার আহ্বান জানিয়েছেন। পরামর্শ সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ছিলেন মোল্লা হারুনার রশীদ, কাজী মাহবুব-উর রহমান, সরদার সাইদুজ্জামান, সরদার হাফিবুর রহমান, কাজী তাসকিন আহমেদ শরীফ, মোল্লা মহসীন, মোল্যা সাইদুর রহমান, কাজী আরাফ মাহবুব প্রমূখ।
বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টে করোনাকালীন ঝুঁকি বাড়ছে, ঝুঁকি নিয়েই কাজ করছে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র
বেনাপোল প্রতিনিধি
করোনাকালীন সময়ে সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ এলাকা বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ও যশোরের শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র। উপজেলা স্বাস্থ্যকর্মকর্তা ডা: ইউসুফ আলী জীবনের ঝুকি নিয়ে করোনা রোগীদের সেবা করে যাচ্ছেন সার্বক্ষনিক। ইতিমধ্যে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রর বেশ ক’জন ডাক্তার আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়। মারা গেছেন দু জন।
করোনার সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে শার্শা উপজেলার সব কমিউনিটি ক্লিনিক সহ বেনাপোল বন্দরে ভারত ফেরত বাংলাদেশি যাত্রীদের নিরলসভাবে স্বাস্থ্য সেবা দিচ্ছেন গোটা স্বাস্থ্য বিভাগ।
গত ২৬ এপ্রিল থেকে একটানা সকাল ৭টা থেকে রাত পর্যন্ত বেনাপোল পোর্ট এলাকায় দায়িত্ব পালন করেছেন। উদ্দেশ্য হচ্ছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত হতে আগত বাংলাদেশিদের দুই সপ্তাহের জন্য বাধ্যতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা ও তাদের স্বাস্থ্য সেবা দেওয়া।
কোভিডি-১৯ মহামারির সাম্প্রতিক ঢেউ ভারতের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর বিরাট আঘাত হেনেছে এবং ভারতীয় ভেরিয়েন্ট হিসেবে পরিচিতি পাওয়া ট্রিপল মিউটেন্ট করোনা ভেরিয়েন্টের সংক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য ২৬ এপ্রিল থেকে ভারতের সঙ্গে যাত্রী চলাচলে সাধারণ নিষধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
তবে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় যাদের ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাচ্ছে তারা কলকাতাস্থ বাংলাদেশের উপহাইকমিশন থেকে এনওসি সংগ্রহ করে দেশে আসতে পারবেন। দেশে আসার পর বাধ্যতামূলক ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে নিজ খরচে থাকতে হয়।
ভারতফেরত যাত্রীদের এ পর্যন্ত মোট সংখ্যা দাঁড়ায় ৬ হাজার ৫৬৮ জন। ফেরত আসা যাত্রীদের মধ্য তিন মাসে ১৭ কোভিড পজিটিভ রোগী রয়েছে। স্বাভাবিকভাবে দেশে ফেরার পর ১৪ দিনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে নিজ খরচে থাকার পাশাপাশি সকল ধরনের কার্যক্রম ডাক্তার ইউসুফ আলী।
করোনায় ঝুকি নিয়ে সার্বক্ষনিক কাজ করে যাচ্ছেন শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ ইউছুফ আলী । সহযোগীতা দিচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা, নাভারন সার্কেল এএসপি জুয়েল ইমরান, এসিল্যান্ড রাসনা শারমিন মিথি, শার্শা থানার ওসি বদরুল আলম ও বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি মামুন খান।
ডাঃ ইউছুফ আলী জানান, করোনাকালীন ভারত ফেরত যাত্রীদের সেবা দিতে রাত-দিন কাজ করছি জাতীয় স্বার্থে। দেশকে নিরাপদ রাখতে বেনাপোল দিয়ে ১৭ জন করোনা রোগীসহ সাড়ে ৬ হাজার ভারত ফেরত যাত্রীদের নিরাপদে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখতে পেরেছি। এখানে দুটি মেডিকেল টিম সার্বক্ষণিক নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
মারাত্মক অসুস্থ যাত্রীদের বিশেষায়িত হাসপাতালে রেফার করা কোয়ারেন্টিন শেষে নেগেটিভ সনদ প্রদান এবং যাদের করোন পজেটিভ আসে তাদেরকে প্রশাসনের মাধ্যমে যশোর জেনারেল হাসপাতলে প্রেরন করা হচ্ছে। শুধু তাই নয় হাসপাতালে উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীদের তাৎক্ষণিক স্যাম্পল নিয়ে জিন এক্সপার্ট ও র্যাপিড এন্টিজেন আরটিপিসিআর পরীক্ষার মাধ্যমে এক ঘন্টার মধ্যে রিপোর্ট প্রদান করা হচ্ছে।
উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে কনসেনট্রেটর এবং ৩৯ টি কমিউনিটি ক্লিনিকে পালস অক্সি মিটার প্রদান করা হয়েছে। ভ্যাকসিন শুরু থেকে কোভিশিল্ড ও সিনোফার্মের টিকা ২০ হাজার মানুষের মাঝে প্রদান করা হয়েছে।
জাতীয় পার্টির ডুমুরিয়া উপজেলা সদস্য সচিবের বাড়িকে হামলা মারপিট ও জীবন নাশের হুমকির নিন্দা
খবর বিজ্ঞপ্তি
জাতীয় পার্টি, ডুমুরিয়া উপজেলার শাখার সদস্য সচিব শেখ আসাদুজ্জামান লিটুর বড় মেয়ে আঁখি রহমানকে জোরপূর্বক তুলে আনার জন্য প্রকাশ্য দিবালোকে জনৈক আজাদ খানের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী তার বাড়ীতে যায়। তার বড় মেয়েকে না পেয়ে সন্ত্রাসীরা শেখ আসাদুজ্জামান, তার মাতা, স্ত্রী ও নাবালিকা মেয়েকে মারপিট করে এবং জীবন নাশের হুমকি প্রদান করে। এহেন জঘণ্য ন্যক্করজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ এবং প্রশাসনকে অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেন জাতীয় পার্টির খুলনা জেলার নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেনÑজাপার কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও খুলনা জেলা সভাপতি শফিকুল ইসলাম মধু, কেন্দ্রীয় নেতা ও জেলা সাধারণ সম্পাদক এম হাদি উজ্জামান, কেন্দ্রীয় নেতা ও জেলা সহ-সভাপতি মোস্তফা জাহাঙ্গীর হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা ও সহ-সভাপতি ডাঃ সৈয়দ আবুল কাশেম, কেন্দ্রীয় নেতা মোঃ শফিকুল ইসলাম ঢালী, ইসমাইল খান টিপু, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, সহ-সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন হাওলাদার, ফরহাদ হোসেন, শেখ মোতয়ালী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জি এম বাবুল, সহ-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী সাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ মোড়ল, শাহরিয়ার নাজিম, বেল্লাল হোসেন, আব্দুল সালাম গাজী, দপ্তর সম্পাদক রহমত আলী খাঁ, আবু সাঈদ, সুলতান মাহমুদ, শফিকুল ইসলাম বাচ্চু, ফরিদা ইয়াসমিন, মাস্টার আব্দুস সবুর সরদার, কাজী আব্দুল্লাহ, মিজানুর রহমান এলাহি, প্রিন্স হোসেন কালু, ইউসুফ হোসেন রাহুল, এজাজ আহমেদ, গাজী খোকন, শহিদ হাওলাদার, মোঃ মফিজ অপূর্ব দত্ত নেকু, মাজাহার জোয়ার্দ্দার পান, গাজী মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।
ডুমুরিয়ায ভাতা প্রত্যাশীদের চলছে নিবন্ধন কার্যক্রম
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
ডুমুরিয়ায় প্রধানমন্ত্রী হাসিনার এই বার্তা, সবার জন্য নিশ্চিত হবে সামাজিক নিরাপত্তা এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চলছে বয়স্ক,স্বামী পরিত্যক্তা ও বিধবাদের অনলাইন নিবন্ধনের আবেদন কার্যক্রম।গত ৯আগষ্ট থেকে আগামী ৩১ আগষ্ট এ কার্যক্রম চলবে। উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে স্ব-স্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাইকিং করে এ কার্যক্রম শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার সকালে মাগুরখালী ইউনিয়ন পরিষদে গেলে দেখা যায় প্রতিটি ওয়ার্ডে ভাতা প্রত্যাশীদের উপচে পড়া ভিড়। ইউপি চেয়ারম্যান বিমল কৃষ্ণ সাহা নিজেই আবেদনকারীদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করতে দেখা যায়। এ প্রসঙ্গে ইউপি চেয়ারম্যান বলেন সরকার ঘোষিত ভাতা প্রত্যাশীদের অনলাইন আবেদন ইউনিয়নে শতভাগ নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে। এজন্য ইউনিয়নের সকল নাগরিকদের অবহিত করার জন্য মাইকিংসহ প্রচার প্রচারণা অব্যাহত রেখেছি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সচিব দেলোয়ার হোসেন,ইউপি সদস্য প্রসাদ কুমার মন্ডল, সুভাষ মহন্ত, আওয়ামী লীগ নেতা সুকৃতি মন্ডল, সরদার ইউনুছ আলী, চিত্তরঞ্জন সানা প্রমূখ।
বিএনপি নেতা এজাজ আহমেদ এর ছেলের ইন্তেকালে মহানগর বিএনপির শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
দৌলতপুর থানা বিএনপির সহ-প্রকাশনা সম্পাদক এবং দৈনিক পূর্বাঞ্চলের দৌলতপুর প্রতিনিধি সাংবাদিক শেখ এজাজ আহমেদের কনিষ্ঠ পুত্র হাফেজ রমযান আল রশিদ হাসিব (২০) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না……..রাজিউন)।
বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) জোহর বাদ মহেশ্বরপাশা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে নামাযে জানাযা শেষে তাকে স্থানীয় সরকারি গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে। হাফেজ রমযান আল রশিদ হাসিব এর ইন্তেকালে গভীর শোক, শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিদাতা নেতৃবৃন্দরা হলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরউল¬াহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, এড. বজলুর রহমান, এড. এস আর ফারুক, স ম আব্দুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন, শেখ জাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মো. মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।
উল্লেখ্য, মরহুম হাসিব গত ১১ আগষ্ট বিকেলে দৌলতপুর স্টীমার ঘাট এলাকায় ভৈরব নদে গোসল করতে যেয়ে নিঁখোজ হয় এবং সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার সময় তার মৃতদেহ নদীতে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায়। সে আংশিক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এবং মৃগীরোগে আক্রান্ত ছিল। গোয়ালখালি ক্যাডেট মাদ্রাসা থেকে পবিত্র কুরআনে হেফজ সমাপ্ত করে অসুস্থতা নিয়ে বাসাতেই অবস্থান করতো।
ফটো সাংবাদিক দেবব্রত রায় দেবুর মাতার মৃত্যুতে ওয়ার্কার্স পার্টির গভীর শোক ও সমবেদনা
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা জেলা ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ও দৈনিক জন্মভূমি পত্রিকার সিনিয়র ফটো সাংবাদিক দেবব্রত রায় দেবুর মাতা অমলা রায় (৮৬) বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করায় বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি খুলনা জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি প্রদান করেছেন। বিবৃতিদাতারা হলেনÑপার্টির কন্ট্রোল কমিশনের চেয়ারম্যান কমরেড শেখ সাইদুর রহমান, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি কমরেড এড. মিনা মিজানুর রহমান, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও জেলা সাধারণ সম্পাদক কমরেড আনসার আলী মোল্লা, কেন্দ্রীয় কমিটির বিকল্প সদস্য ও মহানগর সভাপতি কমরেড শেখ মফিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক কমরেড এস এম ফারুখ-উল ইসলাম, জেলা ও মহানগর সম্পাদকম-লীর সদস্য যথাক্রমে কমরেড দেলোয়ার উদ্দিন দিলু, কমরেড গৌরাঙ্গ প্রসাদ রায়, কমরেড শেখ মিজানুর রহমান, কমরেড মনির আহমেদ, কমরেড খলিলুর রহমান, কমরেড আব্দুস সাত্তার মোল্লা, কমরেড নারায়ণ সাহা, কমরেড আমিরুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য কমরেড মনিরুজ্জামান, কমরেড সন্দীপন রায়, কমরেড রেজাউল করিম খোকন, কমরেড আঃ হামিদ মোড়ল, কমরেড কৌশিক দে বাপী, কমরেড মোঃ আলাউদ্দিন, কমরেড মনির হোসেন, কমরেড বাবুল আখতার, কমরেড আরিফুর রহমান বিপ্লব, কমরেড অজয় দে, কমরেড এড. কামরুল হোসেন জোয়ার্দ্দার, কমরেড হাফিজুর রহমান, কমরেড গৌরী ম-ল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।










































