স্পোর্টস ডেস্ক।।
একদিন আগেই সুখবরটা পেয়েছে বাংলাদেশ। ভারত নাম প্রত্যাহার করায় ফিফা আসিয়ান কাপে খেলার আমন্ত্রণ আসে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কাছে।
প্রথমবার হতে যাওয়া এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ খেলবে বলে জানা গেছে। আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের ফিফা উইন্ডোতে দুই থেকে চারটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে পারবে প্রতিটি দেশ। বাফুফে চেয়েছিল এই সময়ে অন্তত তিনটি ম্যাচ খেলার। ফিফা আসিয়ান কাপে যদি খেলা হয় তবে সেই চাওয়া পূর্ণ হবে।
কেননা চারটি ম্যাচ নিশ্চিত বলা যায়। প্রতিযোগিতা দুটি বিভাগে ভাগ করা হয়েছে—প্রিমিয়ার ডিভিশন ও চ্যালেঞ্জ ডিভিশন। প্রিমিয়ারে খেলা ৮টি দলকে ভাগ করা হয়েছে দুই গ্রুপে। বাংলাদেশ খেললে পড়বে ‘এ’ গ্রুপে। সেখানে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া ছাড়াও আছে মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুর।
ফিফা আসিয়ান কাপে অংশগ্রহণের সম্ভাবনা এবং সম্ভাব্য প্রতিপক্ষের কথা তুলে ধরে বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচ টমাস ডুলি আজ সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর বা মালয়েশিয়ার মতো দলের বিপক্ষে খেলা আমাদের জন্য দারুণ এক পরীক্ষা হবে। এই টুর্নামেন্টে নামলে আমরা অবশ্যই আন্ডারডগ হিসেবেই মাঠে নামব, এতে কোনো সন্দেহ নেই।
আন্ডারডগ হওয়ার একটা সুবিধাও দেখছেন ডুলি, ‘প্রতিপক্ষকে প্রমাণ করতে হবে যে, তারা আমাদের চেয়ে ভালো। আমাদের কাজ হবে মাঠে তাদের সামলে খেলা। খেলোয়াড়রা যদি শতভাগ শারীরিকভাবে প্রস্তুত থাকে, তাহলে প্রতিপক্ষকে চমকে দেওয়ার মতো সামর্থ্য আমাদের আছে।’
গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দল একে-অপরের বিপক্ষে একবার করে ম্যাচ খেলবে। এরপর দুই গ্রুপের শীর্ষ দুই দল খেলবে ফাইনাল। বাংলাদেশ ফাইনালে উঠলে চারটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে। আর চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ১০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় দাঁড়ায় ১২ কোটি ২৬ লাখ টাকা। তবে ফাইনালে উঠতে না পারলেও স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।
ঘরের সাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আগে ফিফা আসিয়ান কাপ হবে বাংলাদেশের জন্য প্রস্তুতির মঞ্চ। কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলা নিয়ে টমাস ডুলি বলেন, ‘ওরা খুবই শক্তিশালী দল। ওদের বিপক্ষে খেললে আমরা নিজেদের ভুলগুলো শনাক্ত করতে পারব এবং শিখতে পারব। ম্যাচগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ টুর্নামেন্ট।’











































