Home আঞ্চলিক দেশনেত্রীর আদর্শই গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের মূল শক্তি: শফিকুল আলম তুহিন

দেশনেত্রীর আদর্শই গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের মূল শক্তি: শফিকুল আলম তুহিন

8


।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
সাবেক তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি’র প্রয়াত চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে মহানগরীর খালিশপুর ও খানজাহান আলী থানায় দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করেছে থানা বিএনপি। শনিবার (১৫ আগস্ট) খালিশপুর ও খানজাহান আলী থানা বিএনপি’র পৃথক পৃথক আয়োজিত দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, আজ এমন এক আবেগঘন মুহূর্ত, যখন আমাদের প্রিয় অভিভাবক ও আপসহীন নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সশরীরে আমাদের মাঝে নেই। কিন্তু তাঁর ত্যাগ, তাঁর নীতি এবং স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন সংগ্রামের অবিনশ্বর ইতিহাস আজ এ দেশের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে অম্লান হয়ে আছে।
শফিকুল আলম তুহিন বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শাসনের চরম জুলুম-নির্যাতন, মিথ্যা মামলায় কারাবাস ও বিনা চিকিৎসায় ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার পরও দেশনেত্রী শত্রুর কাছে কখনো মাথা নত করেননি। কোনো প্রলোভন বা দমন-পীড়ন তাঁকে দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। চব্বিশের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশ যে নতুন স্বাধীনতার আলো দেখেছে, তার মূল অনুপ্রেরণা ও চালিকাশক্তি ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আজ দেশনেত্রীর যোগ্য উত্তরসূরি, আমাদের প্রিয় নেতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ পুনর্গঠন ও জাতীয় ঐক্যের যে ঐতিহাসিক যাত্রা শুরু হয়েছে, তা মূলত বেগম জিয়ার রেখে যাওয়া গণতান্ত্রিক আদর্শেরই বাস্তব প্রতিফলন।
খুলনার রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরে বিএনপি নেতা তুহিন বলেন, খুলনার মাটি সব সময় জাতীয়তাবাদী শক্তির বিশ্বস্ত ঘাঁটি হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। রাজপথের আন্দোলনে এ মাটির নেতাকর্মীরা যেভাবে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, ঠিক তেমনি সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার কাজেও খুলনাবাসী অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। খাবার বিতরণ কর্মসূচিতে খালিশপুর ও খানজাহান আলী থানা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা ও খাবার বিতরণ শেষে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।