০ স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা বিভাগে এক দিনে সর্বোচ্চসংখ্যক করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্তের নতুন রেকর্ড হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ৩৭৭ জনের শরীরে। মারা গেছেন ৪ জন। সুস্থ হওয়ার সংখ্যা ৭২। গত ছয় দিনের মধ্যে এ নিয়ে তিন দফায় এক দিনে সর্বোচ্চসংখ্যক রোগী শনাক্তের ঘটনা ঘটল।
এর আগে ১ জুন ৩০০ ও গত ৩০ মে ২৩২ জনের শরীরে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছিল। বিভাগে মোট সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়াল ৩৫ হাজার ৪৯০। সুস্থ হয়েছেন ৩১ হাজার ৬৯৩ জন। সুস্থতার হার ৮৯ শতাংশ। মারা গেছেন ৬৬০ জন। বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক রাশেদা সুলতানা আজ শুক্রবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
১০ জেলার মধ্যে খুলনায় রোগী সাড়ে ১০ হাজার ও শুধু খুলনা নগরে সাড়ে ৮ হাজার ছাড়িয়েছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাসংক্রান্ত দৈনিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ৭ দিনে (২৯ মে-৪ জুন) ১ হাজার ৭৪৪ জনের অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ২৫০ জনের মাঝে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।
এই সময়ে মারা গেছেন ৩২ জন। এর আগের ৭ দিনে (২২-২৮ মে) ৮৮০ জনের অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ১২৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। মারা যান ১৮ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে খুলনা জেলায় রয়েছেন ৮৯ জন (নগরে ৭৬)। এ ছাড়া বাগেরহাটে ৪৩, যশোরে ৭০, সাতক্ষীরায় ৪৯, নড়াইলে ৮, মাগুরায় ৬, মেহেরপুরে ১২, চুয়াডাঙ্গায় ৫১, ঝিনাইদহে ১৫ ও কুষ্টিয়ার ৩৪ জন।
বর্তমানে বিভাগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে বাসায় আর হাসপাতালে মোট চিকিৎসাধীন ৩ হাজার ১৩৭ জন। খুলনার ১০০ শয্যার করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের ফোকাল পারসন সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, হাসপাতালে ৮৯ জন করোনা পজিটিভ রোগী চিকিৎসাধীন, যার ১৫ জন আছেন আইসিইউ ও এইচডিইউতে। উপসর্গ নিয়ে ভর্তি আছেন ২০ জন।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বাগেরহাট ও কুষ্টিয়ায় ২ জন করে করোনা রোগী মারা গেছেন। বিভাগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে খুলনা জেলার ১৭৭, কুষ্টিয়ার ১১৮, যশোরের ৮১, চুয়াডাঙ্গার ৬২, ঝিনাইদহের ৫৬, সাতক্ষীরার ৪৭, বাগেরহাটের ৪৬, নড়াইলের ২৭, মাগুরার ২৩ ও মেহেরপুরের ২৩ জন। মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৮৬ শতাংশ।










































