স্টাফ রিপোর্টার।।
খুলনার দিঘলিয়ায় হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় বিদ্যালয়ের বাথরুম থেকে নন্দিনী রায় নামে এক শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে সে খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে বিদ্যালয়ের পাশের একটি ভবনে কাজ করা কয়েকজন নির্মাণ শ্রমিক তাকে উদ্ধার করেন।
নন্দিনী রায় দিঘলিয়া উপজেলার মুক্তিশ্বর রায়ের মেয়ে। সে উপজেলার গাজীরহাট নঈম উদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান,বিদ্যালয়ে পাঠদান শেষে বাথরুমে যায় সে। সেখানে পেছন থেকে কে বা কারা তাকে মারধর করে চেতনানাশক স্প্রে প্রয়োগ করে। পরে চেতনা ফিরলে নন্দিনী দেখতে পায়, তার হাত-পা ও মুখ বাঁধা।
এ অবস্থায় বাথরুমের ভেতর থেকে চিৎকার করতে থাকে সে। পাশের ভবনে কাজ করা কয়েকজন নির্মাণ শ্রমিক তার চিৎকার শুনতে পান। পরে তারা এগিয়ে এসে বাথরুমের দরজা ভেঙে নন্দিনীকে উদ্ধার করেন।
স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর তাকে খুলনার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নেয়া হয়। তবে কী কারণে এবং কারা তার সঙ্গে এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা জানা যায়নি।
দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম বলেন, ‘ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছে ওই শিক্ষার্থী। হামলাকারীদের সে দেখতে পায়নি। বিস্তারিত কোনো কিছু সে জানাতে পারেনি। তদন্ত চলছে। জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।’










































