বাগেরহাট প্রতিনিধি।।
পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর বাগেরহাটে মসজিদের উন্নয়নের নামে বরাদ্দ দেখিয়ে তিনটি ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতকৃত অর্থ জেলা পরিষদের তহবিলে ফেরত দেয়া হয়েছে। দুপুরে বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, সরকারি অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু রিয়াদকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। সরকারী অর্থ আত্মসাতের চেষ্টাকারীরা যেই হোক তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, মোরেলগঞ্জ উপজেলার দৈবজ্ঞহাটি ইউনিয়নের দক্ষিণ গাজীরঘাট মাতুব্বরবাড়ি জামে মসজিদ, দক্ষিণ মাঝিরঘাট মুন্সিবাড়ি জামে মসজিদ ও মাধববুনিয়া জামে মসজিদের নামে তিনটি ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে ৫ লাখ টাকা বরাদ্ধ করিয়ে আড়াই লক্ষ টাকা তুলে নেয়া হয়।
এ বিষয়ে গত ৭ এপ্রিল ‘নেই মসজিদ, তবু জেলা পরিষদের বরাদ্ধ- বাগেরহাটে তিন ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে ’২৪ ০এর জনতা বহিনী’ নেতার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ’- শিরোনামে একটি অনসন্ধানী সংবাদ দৈনিক খুলনাঞ্চলে গুরুত্তের সাথে প্রকাশিত হয়। এরপর নিজেদের বাঁচাতে অভিযুক্ত মোরেলগঞ্জ উপজেলার গাজিরঘাট গ্রামের মোঃ মাকসুদুর রহমান ওরফে মামুন এই অর্থ ফেরত দেন বলে জেলা পরিষদ সুত্রে জানা গেছে।
বাগেরহাট জেলা পরিষদের নথিতে মাদারবুনিয়া জামে মসজিদের উন্নয়নের জন্য ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেখানো হয়েছে। ২০২৫ সালের ২০ জুলাই পরিদর্শনের কথা উল্লেখ করে ইতোমধ্যে ১ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। নথিতে ঢালাই কাজের ভাউচার এবং কাজ সম্পন্নের ছবিও জমা দেয়া হয়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে।
একই ইউনিয়নের দক্ষিণ মাঝিরঘাট মুন্সিবাড়ি জামে মসজিদ এবং মাধববুনিয়া জামে মসজিদের নামেও পৃথক দুটি প্রকল্প দেখিয়ে অর্থ উত্তোলনের তথ্য পাওয়া যায়। কিন্তু সরেজমিনে গিয়ে ওই নামে কোনো মসজিদের অস্তিত্বই পাওয়া যায়নি।











































