ঢাকা অফিস।।
আসামি তিন সন্তানের জনক সাইফুল ইসলাম সঙ্গে আদালতে বিয়ে হলো ধর্ষণের মামলার বাদীর। এরপর আদালত আসামির জামিন মঞ্জুর করেছেন।
আজ মঙ্গলবার ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহর আদালতে এই বিয়ে হয় এবং আদালত জামিনের আদেশ দেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী শফিকুল ইসলাম সবুজ জানান, ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা। এ জন্য দুইপক্ষ থেকে আপোষ হয়। আপোষে ১০ লাখ টাকা দেহমোহরে তাদের মধ্যে বিয়ের সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী এদিন আদালতে বসেই তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। আদালত আসামিকে তিন মাসের মধ্যে দেহমোহরের টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন। এ ছাড়া পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় আসামির জামিন মঞ্জুর করেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী এম. মিজানুর রহমান বলেন, ‘বাদী ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। মামলাটা আপোষ হয়েছে। আসামির জামিন হয়েছে। তারা সংসার করতে চান।’
প্রসঙ্গত, ধর্ষণের অভিযোগ এনে সাইফুলের বিরুদ্ধে গত ২৫ জানুয়ারি ভাটারা থানায় মামলা করেন ৩৬ বছরের ওই নারী। গত ৩১ মার্চ গুলশানের বারিধারা এলাকা থেকে সাইফুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরের দিন তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয়ের সুবাধে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সাইফুল বিয়ের কথা বলে ওই নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন। স্ত্রী পরিচয়ে ওই নারীকে ভাটারার নতুন বাজার এলাকায় বাসা ভাড়া করে দেন সাইফুল। সেখানে গিয়েও ওই নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন তিনি। অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন ওই নারী। গত ১৩ জানুয়ারি বিয়ের আশ্বাসে ওই নারীকে ধর্ষণ করেন সাইফুল।











































