Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের সব খবরা খবর

20

মোংলায় ড্রেজারের হাউস বোট উল্টে নিখোঁজ ১
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
মোংলার বঙ্গবন্ধু মোংলা-ঘাষিয়াখালী আন্তর্জাতিক ক্যানেলে ঢেউয়ের তোড়ে পড়ে ড্রেজারের একটি হাউস বোট উল্টে এক নিরাপত্তা কর্মী নিখোঁজ হয়েছেন। রবিবার দুপুর ১২ টার দিকে ক্যানেলের উলুবুনিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত তল্লাশীতে নিখোঁজের লাশের সন্ধান মেলেনি।
বিআইডব্লিউটিএর উপ-সহকারী প্রকৌশলী (ড্রেজার বিভাগ) মোঃ আনিসুজ্জামান জানান, দুপুর ১২ টার দিকে ক্যানেলটিতে খনন কাজে নিয়োজিত কনফিডেন্স গ্রুপের ড্রেজারের দ্বিতল বিশিষ্ট একটি হাউস বোট উলুবনিয়া এলাকায় পানি নেয়ার জন্য অবস্থান করছিলো। তখনই ওই ক্যানেল দিয়ে দ্রুত গতিতে পর পর যাওয়া দুইটি ওয়েল ট্যাংকারের ঢেউে হাউস বোটটি উল্টে যায়। তাতে থাকা ১৫/১৬ ষ্টাফ তাৎক্ষণিকভাবে দ্রুত বোট থেকে বেরিয়ে নদীতে লাফিয়ে সাতরিয়ে কুলে উঠে গেলেও ভিতরে একজন আটকে পড়েন। সাতরিয়ে কুলে উঠে প্রাণে রক্ষা পাওয়া ওই ষ্টাফেরা বলেন, যখন ট্যাংকারের ঢেউয়ে আমাদের বোটটি উল্টে যেতে থাকে তখন আমরা যে যার মত রুম ও বাহিরে থাকা সবাই নদীতে ঝাপিয়ে কুলে উঠি। কিন্তু আমাদের সাথের অপর ষ্টাফ সিকিউরিটি গার্ড খাজা মঈনউদ্দিনও বেরিয়ে আসছিলো, তবে তার মোবাইল ফোন আনতে গিয়ে ভিতরে ঢুকে আর বের হতে পারেনি। সে ঢেউয়ে উল্টে ডুবে যাওয়া হাউস বোটের মধ্যে আটকে পড়েন। তার বাড়ী টাঙ্গাইলে।
হাউস বোটটিতে ড্রেজারের ষ্টাফেরা থাকতেন। বোটটিতে তখন তাদের খাবার ও গোসলের পানি উঠানো হচ্ছিল। তখনই এই দুর্ঘটনা ঘটে।
বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান আরো বলেন, হাউস বোট উল্টে ডুবে নিখোঁজ হওয়া সিকিউরিটি গার্ড মঈনউদ্দীনের সন্ধানে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুপুর দেড়টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তার কার্যক্রম শুরু করেছেন। এছাড়া খুলনা ফায়ার সার্ভিসের ডুবরি দলও ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে পথিমধ্যে রয়েছেন। দুর্ঘটনার বিষয়টি মোংলা উপজেলা প্রশাসন, কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী ও পুলিশকেও জানানো হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, হাউস বোট উল্টে গিয়ে মুল ক্যানেলের বাহিরে আংশিক ভাসমান ডুবন্ত অবস্থায় রয়েছে। তাতে এ ক্যানেল নিরাপদ রয়েছে, নৌ চলাচলে কোন ধরণের সমস্যা হচ্ছেনা বলেও জানান তিনি।
এদিকে প্রচন্ড স্রোত ও সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় সাড়ে ৬ টার দিকে উদ্ধার অভিযান বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানান এ কর্মকর্তা। নিখোঁজের সন্ধানে সোমবার সকাল থেকে আবারো অভিযান চালানো হবে।

ওলামা সম্মেলন সফলে জেলা আইম্মা পরিষদ এর প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
১২ জুন রবিবার বিকাল ৩ টায়, জাতীয় ওলামা মশায়েখ আইম্মা পরিষদ খুলনা জেলা সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা শেখ আব্দুল্লাহ এর সভাপতিত্বে ও সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শায়খুল ইসলাম বিন হাসান এর পরিচালনায় জেলা কার্যালয় খাদেমুল ইসলাম মাদরাসায় প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় আগামী ১৮ জুন শনিবার বর্তমান পরিস্থিতিতে ওলামায়ে কেরাম এর করনীয় শীর্ষক আলোচনা সভা বাস্তবায়নে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, সাথে ভারতে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কটুক্তি করায় তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।
উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্যে রাখেন মুফতী ছরোয়ার হুসাইন, মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, মুফতী শেখ আমীরুল ইসলাম, মাওলানা আবুল হোসাইন, মাওলানা মাজহারুল ইসলাম, মাওলানা আবুল ফজল, মুফতী জাহাঙ্গীর হুসাইন, আলহাজ্ব মাওলানা হাবিবুর রহমান, মাওলানা মারুফ বিল্লাহ, মাওলানা মিজানুর রহমান, মাওলানা আহসান হাবীব, মাওলানা আল আমীন, মাওলানা আবু তাহের সহ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।

সাতক্ষীরায় জেলা মাসিক আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরায় জেলা মাসিক আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে রবিবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে উক্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির’র সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা মাসিক আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির উপদেষ্টা ও সাতক্ষীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ নজরুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, সিভল সার্জন ডা. হুসাইন সাফায়াত, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আসাদুজ্জামান বাবু, পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আমানউল্লাহ আল-হাদী, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বসু, জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি অধ্যাপক আবু আহমেদ, জাতীয় মহিলা সংস্থা সাতক্ষীরা জেলা শাখার চেয়ারম্যান ও জেলা মহিলা আওয়মী লীগের সাধারণ সম্পাদক জ্যোৎস্না আরা, সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পিপি এ্যাড. আব্দুল লতিফ, জেলা শিক্ষা অফিসার এস.এম আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী, দেবহাটা উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরা, সডক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নিজাম উদ্দিন, জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের উপ-পরিচালক সন্তোষ কুমার নাথ প্রমুখ।
মাসিক আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির সভায় “আগামী ২৫জুন স্বপ্নের পদ্মাসেতু উদ্বোধন প্রসঙ্গ, দ্রুত সাতক্ষীরার মডেল মসজিদ নির্মাণ, সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল দ্রুত স্থানান্তর, জনকল্যাণে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও যানজট নিরসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে সঞ্চালনা করেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রেজা রশিদ।

খুলনায় স্বাস্থ্যকর জীবন-যাপনে উৎসাহিতকরণে এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত

তথ্য বিবরনী
লাইফষ্টাইল, হেলথ এডুকেশনস এন্ড প্রমোশন, স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরো স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ঢাকার উদ্যোগে স্বাস্থ্যকর জীবন-যাপনে উৎসাহিতকরণ ও সচেতনতা তৈরি বিষয়ে এ্যাডভোকেসি সভা রবিবার খুলনা স্কুল হেলখ ক্লিনিক সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। খুলনার সিভিল সার্জন ডাঃ সুজাত আহমেদ এ্যাডভোকেসি সভায় সভাপতিত্ব করেন। সভাপতির বক্তৃতায় সিভিল সার্জন বলেন, তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে গ্রাম অঞ্চলে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেছে সরকার। এই কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে বিনামূল্যে গরীব-অসহায় মানুষদের চিকিৎসা ও ঔষধ দেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যেই শিশুমৃত্যু ও মাতৃমৃত্যুর হার অনেক কমে গেছে। তিনি বলেন, সকলের সহযোগিতায় কোভিড-১৯ মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছি। কোভিড-১৯ মোকাবেলায় বিশে^র মধ্যে বাংলাদেশ পঞ্চম স্থান।

সভায় ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ এসএম কামাল হোসেন, সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মুরাদ হোসেন প্রমুখ বক্তৃতা করেন। স্বাগত জানান খুলনা সিভিল সার্জন অফিসের স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদ। এ্যাডভোকেসি সভায় সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্কুল-কলেজের শিক্ষক, আইনজীবী, পুরোহিত, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও এনজিও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। আজমীর ইন্টারন্যাশনাল কনসাল্টিং ফার্ম এর সহযোগিতায় খুলনা সিভিল সার্জন দপ্তর এই সভার আয়োজন করে।

বটিয়াঘাটা উপজেলার সর্বত্র মরা শুকরের মাংস যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে
বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি:-
বটিয়াঘাটা উপজেলার সর্বত্র মরা শুকরের মাংস যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে বলে অভিভোগ উঠেছে। এ নিয়ে সাধারণ ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মাঝে হরহামেশাই ছোট-খাঁটো গোলযোগ লেগেই রয়েছে। ভুক্তভোগী সূত্রে প্রকাশ, গত কয়েক মাস ধরে বটিয়াঘাটা উপজেলার মাইলমারা, নাহাড়ীতলার মোড়, কাছারীবাড়ী, হাটবাড়ী বটতলার মোড়, বাদামতলা বাজার, বয়ারভাঙ্গা বাজার সহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক ব্যবসায়ী তাদের খামারে শুকর মারা গেলে গভীর রাতে জবাই করে প্রত্যনৃত হাট-বাজারে বিক্রি করছে। এ নিয়ে গত সপ্তাহে সর্বশেষ উপজেলার মাইলমারা বাজারে জনৈক এক ব্যবসায়ী মরা শুকর জবাই করে জনসাধারণের মাঝে বিক্রি করা শুরু করলে স্থানীয় এলাকাবাসী হাতে-নাতে ধৃত করে মৃত শুকরটিকে পার্শ্ববর্তী একটি নর্দমায় পুঁতে রাখে। বিক্ষুব্ধ স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে খুলনা জজ কোর্টের প্রবীন আইনজীবী এড. মিলন কান্তি শীল ও এড. প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস মুঠোফোনে এ প্রতিনিধি কে মৃত শুকর জবাই করে বিক্রি হচ্ছে বলে জানান। অবহিত হয়ে কতিপয় সাংবাদিক ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে ঘটনার সত্যতা পান এবং বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী কতৃক আটককৃত মৃত শুকরকে মাটির নীচে প্ুঁতে রাখতে দেখে। উল্লেখ্য গত কয়েকমাস যাবত এ উপজেলায় কোন প্রকার শারীরিক পরীক্ষা ছাড়াই যত্রতত্র পশু জবাই করে বিক্রি করায় সাধারণের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সুদৃষ্টি কামনা করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

ফকিরহাটের মানসা ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তাদের সরেজমিন তদন্ত
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার মানসা ইউনিয়ন ভুমি অফিসের কর্মকর্তাদের লখপুর ইউনিয়নের ৪৩ নং খাজুরা মৌজায় ৪৭শতক জমিতে ৪৪ধারা মামলার সরেজমিন তদন্ত রবিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভুমি কর্মকর্তা (নায়েব) মোঃ আকবার আলীর নের্তৃত্বে অফিস সহায়ক শেখ আলী আহম্মেদ এ তদন্ত করেন। এ সময় তারা বাদী ও বিবাদী এবং স্বাক্ষীদের বক্তব্য লিপিবদ্ধ করেন। স্বাক্ষী মহসিন হোসেন, সুলতান শেখ, মসজিদের মোয়াজ্জেম মোঃ কাউয়ুম শেখ সহ একাধিক ব্যক্তিরা বলেন, এই জমিটি শওকত আলীর পুত্র দাউদ আলী দীর্ঘদিন ধরে ভোগ দখল করে আসছেন। গত ২০১৮সালে তিনি সেই জমিটি জাহিদ মীর এর কাছে বন্ধক রাখেন। সে অনুযায়ী জাহিদ মীর এখন জমিটিতে মৎস্য ঘের করছে। এবং দাউদ আলী ঘেরের উপরের জমিতে ধান চাষ করেছেন। এ অবস্থায় দীন মোহম্মদ এর কন্যা হেনা বেগম বিজ্ঞ আদালতে ৪৪ধারায় একটি মামলা করায় রোপনকৃত ধান তিনি ঘরে তুলতে পারেন নী। এসময় স্থানীয় ইউপি সদস্য শেখ আলী আহম্মদ সহ বিভিন্ন গন্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অর্গানিক বেতাগার বেগুন চাষি দেবাতুষ বেগুন চাষ করে স্বাবলম্বি
পি কে অলোক,ফকিরহাট।
বাগেরহাটের ফকিরহাটের অর্গানিক বেতাগার বেগুন চাষি দেবাতুষ দাশ (ফটিক) বেগুন চাষ করে আগের চেয়ে এখন বেশ স্বাবলম্বি হয়েছেন। তার দেখাদেখি অনেক চাষি এখন বেগুন চাষে আগ্রহী হয়েছেন। স্বল্পপুজি বিনিয়োগ করে এখন সে আগের চেয়ে বেশি স্বাবলম্বি হয়েছেন। জানা গেছে, দেবাতুষ দাশ (৪৮) ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত পড়া লেখা করেছেন এবং তার পরিবারে ৪ জন সদস্য রয়েছে। সে পূর্বে সবজি বিক্রেতা ছিল। স্বল্প আয়ে এবং সনাতন পদ্ধতিতে সবজী চাষে কোন মতে তার সংসার চলত। ২০২০ সালের জুন মাসে তিনি উপজেলা কৃষি অফিসের এসএসিপি প্রকল্পের সদস্য হয়ে উচ্চ মূল্যের ফসল হিসেবে বেগুন চাষের প্রশিক্ষন গ্রহন করেন। আধুনিক কলাকৌশল বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহন করার পর তিনি বেগুন চাষের সাথে জড়িত হন। বেগুন চাষের আধুনিক কলাকৌশল পেয়ে এবং স্থানীয় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে ২০২০ সালে প্রাথমিক ভাবে ৫০শতাংশ জমি লিজ নিয়ে তিনি সেখানে হাইব্রিড জাতের বেগুন চাষ শুরু করেন। নিজস্ব উৎস্য থেকে তার বিনিয়োগ ছিল প্রায় ৩০ হাজার টাকা। ২০২০-২১ সালে তিনি খরচ বাদে ১লক্ষ ৩০ হাজার টাকা লাভ করেছেন। এ টাকা লাভ করে তিনি তার সংসারে আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরে এনেছেন। তিনি ২০২১-২২ সালে ২.৫০ একর জমি লিজ নিয়ে বানিজ্যিক ভাবে বেগুন চাষ শুরু করেন। তিনি ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা খরচ করে ৭ সাত লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা লাভ করেন।
তিনি আয়-ব্যায়ের সাথে সাথে জীবিকা পরিস্থিতির উন্নতি করার চেষ্টা করছেন। বসবাসের জন্য পাকা ঘর তৈরীও করেছেন তিনি। তার এই সফলতা দেখে অনেক চাষি বেগুন চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। বেগুন চাষি দেবাতুষ দাশ ফটিক এর সাথে আলাপ করা হলে তিনি বলেন, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শক্রমে তিনি প্রথমে প্রশিক্ষন গ্রহন করেন। এর পর তিনি বেগুন চাষ শুরু করেন। যাতে তিনি আজ স্বাবলম্বি হয়েছেন। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার মন্ডল ও সোলায়মান মন্ডল এর সাথে আলাপ করা হলে তারা বলেন, দেবাতুষ দাশ একজন সফল চাষি, তিনি একটি মাত্র প্রশিক্ষন নিয়ে বেগুন চাষ শুরু করেন। যাতে তিনি লাভবান। তার দেখাদেখি অন্যান্য চাষিরা সবজি চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ নাছরুল মিল্লাত এর সাথে আলাপ করা হলে তিনি বলেন,আমরা কৃষকদের স্বাবলম্বি করার জন্য প্রশিক্ষন সহ নানা প্রনাদনা প্রদান করছি। দেবাতুষ দাশ তার মধ্যে একজন অন্যতম চাষি। সে প্রশিক্ষন গ্রহন করে কাজে লাগিয়েছে। আর কাজে লাগিয়েছেন বলেই তিনি আজ স্বালম্বি হয়েছেন। তার দেখাদেখি অন্যান্য চাষিদেরকে এধরনের চাষাবাদে এগিয়ে আসার আহবান জানানও তিনি।

ফলোআপ: ছিনতাইকৃত সোনার ভাগবাটোয়ারা দ্বন্দ্বে খুন!
শহিদুল ইসলাম দইচ যশোর।।
যশোরের খোলাডাঙ্গায় লাভলু হোসেন (৪০) হত্যাকাণ্ডের জট খুলেছে দাবি পুলিশের।
হত্যাকাণ্ডে নিহতের ছেলে সাকিলের (১৬) সম্পৃক্ততা পেয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় পুলিশ সাকিল ও ইসরাইল (৩৮) নামে দুইজনকে আটক করেছে। একইসাথে উদ্ধার করা হয়ে অস্ত্র ও গুলি।
রবিবার সকালে জেলা পুলিশের মুখপাত্র ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর রুপন কুমার সরকার জানান, গত ১০ জুন সকালে পুলিশ যশোর সদরের খোলাডাঙ্গা রেল লাইনের পাশ থেকে লাভলুর মরদেহ উদ্ধার করে।
এরপর জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ রুপন কুমার সরকারের নেতৃত্বে এসআই মফিজুল ইসলাম, আমিরুল ইসলাম, শামীম হোসেনের সমন্বয়ে একটি টিম অনুসন্ধানে নামেন। ১১ জুন নিহতের ছেলে সাকিল ও তার স্ত্রী সালমাকে ডিবি পুলিশ নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে। সাকিল ঘটনা আড়াল করতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন তথ্য দিয়ে তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে।
একপর্যায়ে সে তার পিতার হত্যার বিষয়টি গোপন করার কথা স্বীকার করে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের নাম প্রকাশ করে এবং সে হত্যার সময় ও লাশ গুম করার ঘটনাস্থলে হত্যাকারীদের সথে উপস্থিত থাকার বিষয়ে স্বীকার করে।
সাকিলের দেয়া তথ্য মতে পুলিশ তাদের বাড়ির পাশের একটিপুকুর থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ২ রাউন্ড গুলি ভর্তি অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামি কামরুজ্জামান @ খোঁড়া কামরুলকে ধরতে অভিযান চালায়।
খোঁড়া কামরুলের সহযোগী ইসরাইল নামে এক যুবককে আটক করে তার স্বীকার অন্যুায়ী আরও ১টি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করে ডিবি পুলিশ।
নিহত লাভলুর স্ত্রীও এক পর্যায়ে হত্যার কারণ জানান পুলিশকে।
সাকিল পুলিশকে জানিয়েছে, খোঁড়া কামরুল গং মাস দেড়েক আগে চোরা কারবারীদের কাছ থেকে অনুমান ৬/৭ কেজি সোননা ছিনতাই করে। খোঁড়া কামরুলের একান্ত সহযোগী সাকিল ও স্বর্ণকার কবীর হাওলাদারের মাধ্যমে সোনার বার বিক্রি করে লাভলুসহ একত্রিত হয়ে প্রতি বৃহস্পতিবার রাতে ভাগবটোয়ারা করতো। তারই ধারাবাহিকতায় ওইদিন রাতে খোঁড়া কামরুল ও কবীরের ডাকে কামরুলের বাড়িতে লাভলু ও তার ছেলে সাকিল উপস্থিত হন।
সাকিল ঘরের বাইরে মোবাইলে গেমস খেলতে থাকে, পরিকল্পনা মোতাবেক খোড়া কামরুল, কবীর ও রফিকুল পরস্পর যোগসাজসে লাভলুকে রাত অনুমান ১২ টার দিকে গুলি করে। সাকিল ঘরে গিয়ে দেখে তার বাবা লাভলু চিত হয়ে মেঝেতে পড়ে আছে, বুক ও নাক দিয়ে রক্ত ঝরছে।
পরে কামরুল, তার স্ত্রী, বোনসহ উপস্থিতরা সাকিলকে অর্থ ও জীবন জীবিকার লোভ দেখিয়ে হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দিয়ে ভিন্নখাতে প্রবাহ করার জন্য বলে।
ইন্সপেক্টর রুপন কুমার সরকার আরও জানান, অস্ত্রগুলি সংক্রান্তে এসআই মফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে পৃথক এজাহার দায়ের করেন। এছাড়া নিহত লাভলুর পিতা আব্দুর মান্নান বাদী হয়ে হত্যা মামলার এজাহার দায়ের করেছেন।

নড়াগাতীতে তালাকপ্রাপ্ত স্বামী কোপালেন সাবেক স্ত্রীকে
মোঃ তাহের, নড়াইল প্রতিনিধিঃ
নড়াইলের নড়াগাতী থানার বাগুডাঙ্গা গ্রামে পলি বেগম (৩৫) নামে এক যুবতী নারী তালাকপ্রাপ্ত স্বামী কতৃক ছুরিকাঘাতের শিকার হয়েছেন। গত ১১ জুন (শনিবার) রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পলি বেগম বাদী হয়ে মোঃ মাহফুজ শিকদারের বিরুদ্ধে রোববার (১২ জুন) নড়াগাতী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পলি বেগম ওই গ্রামের মোঃ জামাল মোল্যার মেয়ে।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, বিগত ৪ মাস আগে একই গ্রামের মৃত বেলায়েত শিকদারের ছেলে বিবাদী মোঃ মাহফুজ শিকদার (৩৫) এর সাথে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকেই সে পলির ওপর শারীরিক ও মানষিকভাবে নির্যাতন চালালে বিবাহের দুই মাস পরে মাহফুজকে তালাক দেয়। অতঃপর মাহফুজ তাকে বিভিন্ন সময় পুনরায় তার সাথে ঘর না করলে প্রাণ নাশের হুমকি দিলে নিজের নিরাপত্তার জন্য নড়াগাতী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরীও করেছিলেন বলে জানা যায়। ঘটনার দিন রাতে পলি বেগম বাগুডাঙ্গা বাজারে তার কর্মস্থল তানিশা টেইলার্স থেকে বাড়ী ফেরার পথে মাহফুজ তার গতিরোধ করে হত্যা করার উদ্যেশ্যে এলাপাতারি কুপিয়ে মুখে ও হাতে মারাত্ম জখম করে। তার আত্মচিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসলে মাহফুজ পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ বিষয়ে নড়াগাতী থানার ডিউটি অফিসার উত্তম কুমার জানান, উক্ত ঘটনায় ভুক্তভোগী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ বিষয়ে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

রূপসায় কৃষকের আত্মহত্যা
রূপসা প্রতিনিধি
রূপসার কৃষক পঞ্চানন বৈরাগী (৪৫) গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। সে ঘাটভোগ ইউনিয়নের সিন্দুরডাঙ্গা গ্রামের মৃতঃ জগদীশ বৈরাগীর ছেলে। এলাকাবাসী ও পরিবার সূত্রে জানা যায়,শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। আনুমানিক ভোরের দিকে স্থানীয়রা ইলিয়াজ শেখ এর মৎস্য ঘেরের শিরিস গাছে কৃষক পঞ্চানন এর লাশ গাছে ঝুলতে দেখে পরিবারকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্বার করে। পারিবারিক কলহের জেরে এবং অনেক টাকা ঋণ থাকার কারণে সে আত্মহত্যা করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পূর্বে ও একাধিকবার আত্যহত্যার চেষ্টা করেছিল কৃষক। পঞ্চানন বৈরাগীর স্ত্রী,১ ছেলে ১ মেয়ে রয়েছে। ঘটনা জানতে পেরে রূপসা থানা অফিসার ইনচার্জ সরদার মোশাররফ হোসেন, ঘাটভোগ ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান মিজান, পুটিমারি পুলিশ ক্যাম্প আইসি এস আই বাবলা দাস ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্বার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

খুলনায় বিজিবি এবং বিএসএফ পর্যায়ে সমন্বয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত
তথ্য বিবরণী
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) যশোর ও রংপুর রিজিয়নের কমান্ডার এবং বিএসএফ এর সাইথ বেঙ্গল, নর্থ বেঙ্গল ও গোহাটি ফ্রন্টিয়ারের আইজি পর্যায়ে ১৭তম সীমান্ত সমন্বয় সম্মেলন ৯ থেকে ১২ জুন যশোর ও খুলনায় অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলন শেষে রবিবার দুপুরে খুলনা হোটেল সিটি ইন-এ সাংবাদিকের ব্রিফিংকালে যশোর বিজিবি’র দক্ষিণপশ্চিম রিজিয়নের কমান্ডার (অতিরিক্ত মহাপরিচালক) ওমর সাদী এই তথ্য জানান।

বিজিবি’র দক্ষিণপশ্চিম রিজিয়ন যশোরের কমান্ডার (অতিরিক্ত মহাপরিচালক) ওমর সাদীর নেতৃত্বে ১৮ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম রিজিয়নের কামান্ডর এবং উভয় রিজিয়নের সেক্টর কামান্ডারগণ, বিজিবি সদর দপ্তরের প্রতিনিধি, পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং ভূমি, রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিবৃন্দ অংশ নেন।

অপরদিকে বিএসএফ সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের আইজি ডাঃ অতুল ফুলজেলের নেতৃত্বে ছয় সদস্যেরে ভারতীয় প্রতনিধি দল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। ভারতীয় প্রতিনিধি দলে অন্যান্যের মধ্যে বিএসএফ এর নর্থবেঙ্গল ও গোহাটি ফ্রন্টিয়ারের আইজি, নোডাল অফিসার, সাইথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার এবং ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।

সীমান্তে নিরস্ত্র বাংলাদেশিদের হত্যা শুণ্যের কোঠায় নিয়ে আসা, অস্ত্র-গোলাবারুদ এবং মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ, অবৈধভাবে উভয় দেশের নাগরিকদের সীমান্ত অতিক্রম বন্ধকরণ, সীমান্ত এলাকার কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ সংক্রান্ত বিষয়, সীমান্তে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্মকান্ড পরিচালনা, চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি-বিএসএফ এর সমন্বিত টহল বৃদ্ধি এবং উভয় বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধিতে সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও ওয়ার্কশপ আয়োজন নিয়ে সীমান্ত সমন্বয় সম্মেলনে আলোচনা করা হয়।

হরিণাকুন্ডুতে হামলার একমাস পর চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-
ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে সন্ত্রাসী হামলার শিকার আক্তার হোসেন (২৫) নামে এক যুবক একমাস চার দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন। রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। তিনি হরিণাকুন্ডু উপজেলার হরিশপুর গ্রামের ইজাল উদ্দিনের ছেলে। নিহতের স্ত্রী আরজিনা খাতুন জানান, গত ৮ মে পাশর্^বর্তী জোড়াদাহ গ্রামের উসমান শাহ’র দুই ছেলে চাঁন মিয়া ও সুরুজ শাহ তার স্বামীকে হাতুড়ি ও লাঠিসোঠা দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। তাদের কাছে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে আক্তার এই হামলার শিকার হন। আহত আক্তারকে প্রথমে হরিণাকুণ্ডু হাসপাতাল ও পরে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রোববার সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এটি আঘাতজনিত হত্যাকান্ড বলে পরিবার দাবী করেছেন। বিষয়টি নিয়ে ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় গত ১১মে থানায় একটি মামলা হয়। সেই মামলায় ইতোমধ্যে আসামীদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্টে যদি আঘাতে মৃত্যুর সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে এটি হত্যা মামলায় রুপান্তরিত হবে। আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী কাইয়ুম শাহরিয়ার জাহেদী মতবিনিময় সভা
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ পৌরসভা নির্বাচন প্রভাবমুক্ত, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ করার দাবী জানিয়েছেন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী কাইয়ুম শাহরিয়ার জাহেদী হিজল। রোববার তিনি সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের প্রতি এই আহবান জানান। দুপুরে শহরের এইচএসএস সড়কের আহার রেস্টুরেন্ট মিলনাতায়নে আয়োজিত মত বিনিময় সভায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট লতিফ শাহরিয়ার জাহেদী প্রজ্জল, ইসরাইল হোসেন শান্তি জোয়ারদার, বন্দে আলী বোরাক, মোহাম্মদ আলী খান, তবিবুর রহমান লাবু, শাহ তনু রেজা আসাদ ও ইউনুস আলীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় নািরকেল গাছ প্রতিকের প্রার্থীর পক্ষে প্রধান নিবার্চনী এজেন্ট লতিফ শাহরিয়ার জাহেদী লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত পহেলা জুন শহরের ধোপাঘাটা ব্রীজ এলাকায় নির্বাচনী প্রচারনাকালে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল খালেকের সমর্থকরা হত্যার উদ্দেশ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীর উপর হামলা চালায়। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাইয়ূম শাহরিয়ার জাহেদী হিজলসহ তার একাধিক সমর্থক আহত হন। প্রার্থীসহ অন্যান্যরা চিকিৎসা শেষে গত ১১ জুন নির্বাচনী এলাকায় ফিরে এসেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষ প্রার্থীর লোকজন প্রচারনায় বিভিন্নভাবে বাধা প্রদান করছেন। পাড়ায় পাড়ায় নারিকেল গাছ প্রতিকের সমর্থকদের হুমকী ধমকি দেওয়া হচ্ছে। পোষ্টার ছিড়ে ফেলছে। বাইরে থেকে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের জড়ো করে প্রচার প্রচারণায় বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গ্রহনযোগ্য সন্ত্রাস ও পেশীশক্তি মুক্ত নিরপেক্ষ এখন সময়ের দাবী। স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী কাইয়ুম শাহরিয়ার জাহেদী হিজল অসুস্থ অবস্থায় তার বক্তৃতায় বলেন, আমি আমার নির্বাচনী ইশতেহার পৌরবাসির কাছে পৌছে দিয়েছি। নির্বাচন কমিশনের প্রতি আমার পুর্ণ আস্থা থাকলেও ভোটের মাঠে পেশী শক্তির দাপট যাতে না থাকে সেই ব্যবস্থা করা হবে বলে তিনি আশা করেন। তিনি আগামী ১৫ জুন অনুষ্ঠিতব্য ঝিনাইদহ পৌরসভা নির্বাচন সুষ্ঠ ও নিরেপক্ষ নির্বাচন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহবান জানান।

প্রতিবেশি স্কুল ছাত্রীর সাপে কাটা লাশ দেখতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় বৃদ্ধ নিহত
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
প্রতিবেশির সাপে কেটে মৃত্যুবরণকারী শিশুকে দেখতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন গোলাম মোস্তফা নামে এক বৃদ্ধ। রোববার বেলা ১১টার দিকে ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার কাচারীতোলা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। গোলাম মোস্তফা ওই গ্রামের ইজ্জত আলীর ছেলে। পুলিশ ও গ্রামবাসি সুত্রে জানা গেছে, রোববার কাচারীতোলা গ্রামের ইউনুস আলীর পঞ্চম শ্রেনীতে পড়ুয়া শিশু কন্যা লিলি খাতুন (১১) বিষধর সাপে কেটে মৃত্যুবরণ করে। প্রতিবেশির শিশু কন্যার লাশ দেখতে গ্রাম্য চিকিৎসক গোলাম মোস্তফা রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় একটি দ্রুতগামী মটরসাইকেলের ধাক্কায় তিনি রাস্তার উপর পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। হরিণাকুন্ডু থানার ওসি সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, লিলি খাতুন রাতে সাপের কামড়ে আহত হলে তাকে কুষ্টিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সকালে তার মৃত্যুঘটে। স্কুল ছাত্রী লিলির লাশ দেখতে রাস্তা পার হওয়ার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান গোলাম মোস্তফা। এদিকে একই দিনে দুইজনের আকস্মিক মৃত্যুতে গ্রামবাসি শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েছে।

ঝিনাইদহ ভেটেরিনারি কলেজে ডিভিএম ডিগ্রি প্রদানের দাবিতে মানববন্ধন
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ সরকারী ভেটেরিনারি কলেজে ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন (ডিভিএম) ডিগ্রি প্রদানের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে কলেজের প্রধান ফটকের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করে সাধারন শিক্ষার্থীরা। এতে ব্যানার, ফেস্টুন ও দাবি সম্বলিত পোস্টার নিয়ে বিভিন্ন শিক্ষা বর্ষের শিক্ষার্থীরা ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধনে অংশ নেয়। এসময় কলেজের ছাত্র সংসদের ভিপি সাইদুজ্জামান মুরাদ,জিএস সজিবুল হাসানসহ সাধারন শিক্ষাতথীরা বক্তব্য দেন। বক্তারা, ডক্টর অব ভেটেরিনারি মেডিসিন (ডিভিএম) ডিগ্রি’র বিজ্ঞপ্তিতে ভর্তি হলেও বিএসসি ভেট সাইন্স এবং এএইচএস ডিগ্রি প্রদান করছে কর্তৃপক্ষ। তাই বিএসসি ভেট সাইন্স এবং এএইচএস ডিগ্রি বাতিল করে ডিভিএম ডিগ্রি প্রদানের দাবি জানান। দাবি মেনে না নিলে আগামীতে কঠোর কর্মসূচির হুশিয়ারিও দেন তারা।

ঝিনাইদহে জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে এসএসসি শিক্ষার্থীদের বিদায়
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী নলডাঙ্গা ইব্রাহিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসি ২০২২ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়ার অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১২ জুন) অত্র প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ইমদাদুল হক সোহাগের সভাপতিত্বে বিদ্যালয় চত্তরে এক জমকালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এ সময়ে বক্তরা বলেন, মানুষের হারাবার কিছু নেই, হয় সে জিতবে না হয় সে শিখবে। তাই নিজেদেরকে এখনই তৈরি করতে হবে। এখন থেকে ৬টি বছর নিরলসভাবে পরিশ্রম করলে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌছানো সম্ভব। তাই সকলকে মনোযোগী হতে হবে।
এ সময়ে প্রধান হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশার, বিশেষ অতিথি ছিলেন নলডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম খাঁন রিপন, ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারন সম্পাদক কামরুজ্জামান পিপুল, অত্র প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দ, উপস্থিত শিক্ষক মন্ডলী, অভিভাবক মন্ডলীসহ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালাম। এ সময়ে প্রতিষ্ঠানের কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরন আগত অতিথিদের স্মারক সম্মাননাসহ মনোঞ্জ কেক কাটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

দাকোপে ডাকাত কবিরের গ্রেফতার দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত
শামীম হোসেন বাজুয়া (দাকোপ)
খুলনার দাকোপে চিহ্নিত ডাকাত কবিরের বিরুদ্ধে অস্ত্র দিয়ে মানুষ ফাঁসিয়ে দেওয়া এবং চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে এলাকাবাসী মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। রবিবার বেলা সাড়ে ১১ টায় উপজেলা সদর চালনা ডাকবাংলার মোড়ে চালনা পৌরসভা ও পানখালী ইউনিয়নবাসীর যৌথ উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। আবুল হোসেন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মৃনাল রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তৃতা করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম রুহুলামিন সরদার, উপজেলা আ’লীগনেতা গাজী আব্দুর রহিম, সাবেক ইউপি সদস্য জ্যোতিশংকর রায়, আবুল কালাম আজাদ, আ’লীগনেতা মোস্তাক ফকির, শেখ জাহান আলী, রসুল শেখ, ওয়াহিদুজ্জামান ওয়াহিদ, সাধন সরদার, বিমল রায়, শফিকুল ইসলাম, চিন্ময় রায়, অমল সরদার, ইকরামুল শেখ, ইমন সরদার, নজরুল শেখ, আলী আকবর শেখ, গনেশ সরদার, এস এম আল ইমরান শেখ, আজিজুল গাজী, আকাশ সরদার, সত্যজিত সরদার, প্রকাশ সরদার, জিকো রায়, দ্বীন মোহাম্মাদ শেখ, রাজ গাজী, মারুফ শেখ প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, কথিত সোর্স একাধীকবার সাজাভোগকারী চিহ্নিত ডাকাত কবির শেখ তাঁর চাহিদামত চাঁদা দিতে ব্যর্থ হলে সাধারণ মানুষের বাড়ীতে অবৈধ অস্ত্র রেখে ফাঁসিয়ে দিচ্ছে। ইতিমধ্যে চালনা পৌরসভা এবং পানখালী এলাকায় এমন কয়েকটি ঘটনা সে ঘটিয়েছে। বক্তারা অবিলম্বে এই চিহ্নিত সন্ত্রাসী অস্ত্রধারীকে গ্রেফতার পূর্বক আইনের আওতায় আনার দাবী জানিয়েছেন।

খুবিতে মিক্সড মেথডস্ রিসার্চ বিষয়ে প্রশিক্ষণের সমাপনী
খবর বিজ্ঞাপ্তি
বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সামাজিব বিজ্ঞান গবেষণা কাউন্সিল এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা ডিসিপ্লিনের যৌথ আয়োজনে “মিক্সড মেথডস্ রিসার্চ এন্ড ডিসিশন মেকিং উইথ ‘আর্কজিস’ ফর স্পেশাল ডাটা এনালাইসিস এন্ড ‘আর’ এন্ড ‘এনভিভো’ ফর নন-স্পেশাল ডাটা অ্যানালাইসিস” (গরীবফ গবঃযড়ফং জবংবধৎপয ধহফ উবপরংরড়হ গধশরহম রিঃয ‘অৎপএওঝ’ ভড়ৎ ঝঢ়ধঃরধষ উধঃধ অহধষুংরং ধহফ ‘জ’ ধহফ ‘ঘঠরাড়’ ভড়ৎ ঘড়হ-ংঢ়ধঃরধষ উধঃধ অহধষুংরং) শীর্ষক ৮ সপ্তাহব্যাপী অনলাইন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী ১২ জুন (রবিবার) বিকাল ৩টায় জুম অ্যাপের অনুষ্ঠিত হয়।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জুম অ্যাপে যুক্ত থেকে বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা কাউন্সিলের সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ হচ্ছে এক ধরনের বিনিয়োগ। কেননা গবেষকদের তাদের গবেষণালব্ধ ফলাফল দেশের কাজে ব্যবহার করার দায়বদ্ধতা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা এখন গবেষণা ক্রাইসিস এর মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। গবেষণার ক্ষেত্রে আমাদের আরও ভালো করা দরকার। গবেষণার ক্ষেত্রে আমরা কেনো পিছিয়ে আছি তা বের করা দরকার।
সচিব বলেন, গবেষণালব্ধ ফলকে ব্যবহার করে ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে শিক্ষক-গবেষকদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। গবেষক এবং আমলারা মিলে মেলবন্ধন তৈরি করে বর্তমান সরকার কিংবা পরবর্তী সরকারকেব আমরা পরামর্শ প্রদান করতে পারি। এক্ষেত্রে গবেষকদের গবেষণাকার্য চালিয়ে নিতে যতটুকু সহায়তা দরকার তা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। আর এই গবেষণালব্ধ ফল সরকারের উচ্চ মহলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য পাঠানো হবে। সভাপতির বক্তব্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বলেন, গবেষণা থেকে প্রাপ্ত ফলাফল আমরা কিভাবে ব্যবহার করবো, অ্যানালাইসিস করবো, কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করবো- এটা জানা প্রয়োজন। কারণ, গবেষণালব্ধ ফলাফল যথাযথভাবে অ্যানালাইসিস করে তা সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে। অ্যানালাইসিস সংক্রান্ত সফটওয়্যারগুলো আমাদের সময় বাঁচিয়েছে, এক্ষেত্রে আমরা সহজেই গবেষণা থেকে প্রাপ্ত ডাটা অ্যানালাইসিস করতে পারি। তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় তার সমসাময়িক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনেক এগিয়ে। বিশেষ করে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় ব্যাপক জোর দিচ্ছে। গবেষণার জন্য শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গবেষকরা বরাদ্দ পাচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্ষমতা অনেক বেড়েছে। গবেষণার অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
উপাচার্য আরও বলেন, একটি দেশের উন্নয়নে শিক্ষক, গবেষক, আমলা ও রাজনীতিবিদদের ভূমিকা অগ্রগণ্য। যদি এসব মহলের মধ্যে মেলবন্ধন সৃষ্টি হয়, তখন কাজ আরও জোরদার করা। তিনি ভবিষ্যতে এই ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সশরীরে আয়োজনের আহ্বান জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তবে এক্ষেত্রে যে সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী সরাসরি গবেষণায় যুক্ত তাদেরকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণে অগ্রাধিকারভিত্তিক সুযোগ দেওয়া উচিত বলে তিনি মত ব্যক্ত করেন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা কাউন্সিলের উপ-সচিব কামরুজ্জামান ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনা ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ আশিক উর রহমান। প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন তৌফিক আহমেদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইউআরপি ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদ উজ জামান।
গত ০৩ মার্চ শুরু হওয়া ৮ সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ১১১ জন গবেষক অংশগ্রহণ করেন। এদের মধ্যে ৫ জন বিদেশি গবেষক ছিলেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

দাকোপে বাজুয়া ইউনিয়নের বাজেট ঘোষনা
মোঃ শামীম হোসেন- খুলনা (দাকোপ)
খুলনার দাকোপের ৮ নং বাজুয়া ইউনিয়নে উন্মুক্ত সভার মাধ্যমে ৩ কোটি ৫৯ লক্ষ ২৪ হাজার ৩৬৭ টাকার বাজেট ঘোষনা করা হয়েছে। এ উপলক্ষে রবিবার সকাল ১০ টায় ইউনিয়ন পরিষদ সভা কক্ষে বাজুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মানস কুমার রায়ের সভাপতিত্বে উন্মুক্ত বাজেট সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে ইউপি সচীব রিপন শেখ ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরের জন্য উন্মুক্ত বাজেট পেশ করেন। সভায় অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন লাউডোব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ যুবরাজ, কৈলাশগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মিহির কুমার মন্ডল, আওয়ামীলীগ নেতা অপরাজিত মন্ডল অপু, তুষার রায়, প্রধান শিক্ষক শশাংক শেখর ঢালী, পুলিন কৃষ্ণ গাইন, শিক্ষক নিরাঞ্জন রায়, বিশ্বজিৎ দে, সাবেক সচিব ননী গোপাল মন্ডল, সাংবাদিক স্বপন কুমার রায়, তুষার দাস, মোঃ শামীম হোসেন, সমাজসেবক অশোক রায় তারক, মানস বোস, সুবোধ গাইন, বিজন স্বর্ণকার, আগষ্টিন সরকার। আলোচনা করেন প্যানেল চেয়ারম্যান উৎপল দাশ, অসীম রায়, ইউপি সদস্য দীনবন্ধু মন্ডল, রবিন মোড়ল, জয়দেব রায়, বিশ্বজিত মন্ডল, নুরুল ইসলাম শেখ, মিজানুর মির্জা, মাখন রায়, মহিলা সদস্য রুমা মন্ডল, কণিকা পোদ্দার, মিনতি রায় আওয়ামীলীগ নেতা নলিনী রঞ্জন রায়, সজল কান্তি গাইন, প্রিন্স বিশ্বাস, অশোক সরকার, রনি মন্ডল, সেলিম শেখ, স্বাস্থ্য কর্মী প্রিয়াংকা রায়, কৃষক প্রতিনিধি অনিমেষ মন্ডল, নারী প্রতিনিধি কাঞ্চন বিশ্বাস, ক্রীড়া প্রতিনিধি বিলাশ বিশ্বাস, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি গোবিন্দ থান্দার প্রমুখ। সভায় চলতি ২০২২-২৩ অর্থ বছরে বাজুয়া ইউনিয়নের জন্য ৩ কোটি ৫৯ লক্ষ ২৪ হাজার ৩৬৭ টাকার বাজেট ঘোষনা করা হয় এবং ব্যয় ঘোষণা করা হয় ৩ কোটি ৫৯ লক্ষ ২৪ হাজার ৩ শত ৬৭ টাকা।

বেনাপোল কাস্টমস চেকপোস্ট দালাল ও লেবার মুক্ত
বেনাপোল প্রতিনিধি
দীর্ঘ ৫০ বছর পর বেনাপোল কাস্টমস চেকপোস্টকে দালাল ও লেবার মুক্ত করা হয়েছে। বিমান বন্দরের আদলে যাত্রী সেবার মানও বাড়িয়েছেন কাস্টমস কর্মকর্তরা। ইতিমধ্যে এই প্রথম যাত্রীদের ব্যাগেজ ক্যারি করার জন্য ১’শ ট্রলির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে শতাধিক লেবার। আন্তজর্কাতিক কাস্টস ও ইমিগ্রেশনকে সম্পাূর্ন দালালমুক্ত করেছেন সদ্য যোগদানকারী কাস্টমস’র যুগ্ন কমিশনার আ: রশিদ মিয়া।
বেনাপোল কাস্টমস ডেপুট্ িকমিশনারে মো: আব্দুল কাইউম ও ডেপুটি কমিশনার অনুপম চাকমা জানান, কাস্টমস কমিশনার মো: আজিজুর রহমানের নির্দেশে কঠোর প্রতিবন্ধকতার মধ্যে আমার কাস্টমস চেকপোস্টকে দালালমুক্ত করেছি। সেই সাথে ১০০ জন লেবারকে উচ্ছেদ করা হয়। স্বাধীনতার পর কাস্টমস এর কোন কর্মকর্তারা কাস্টমস চেকপোস্ট কে বহিরাগত দালাল ও লেবার মুক্ত করতে পারেনি। কিন্ত বর্তমান কমিশনার মো: আজিজুর রহমান ও যুগ্ন কমিশনার আ: রশিদ মিয়া ঝুকি নিয়ে সাহসিকতার সাথে বহিরাগত দালাল ও লেবার উচ্ছেদ সপলভাবে সম্পন্ন করেছেন। ভারত যাতায়তকারী পাসপোর্ট যাত্রী ছাড়া কোন ব্যাক্তিকে কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন টার্মিনালে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনকে দালালমুক্ত করতে প্যাসেঞ্জার টার্মিনালেই বসানো হয়েছে অত্যাধুনিক স্ক্যানিং মেশিন ও সিসি ক্যামেরা। সশস্ত্র আনসার দিয়ে জোরদার করা হয়েছে যাত্রীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের প্রধান ফটকে বন্দরের নিরাপত্তা কর্মী, আনসার সদস্য ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের সার্বক্ষনিক নজরদারিতে পাসপোর্ট দালাল ও লেবার প্রবেশ করতে পারছে না। কাস্টমস কর্তৃপক্ষ তাদের সেবার মান বৃদ্ধি করায় যাত্রীরা দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করছেন নিজেরাই। সারাদেশ থেকে আসা পাসপোর্ট যাত্রীরা খুবই খুশী এ ধরনের পারিবেশ সৃস্টি করায়।
রবিবার (১২ জুন) ভারত ফেরত যাত্রী পটুয়াখালীর কলাপাড়ার সুমন হাওলাদার জানান, বেনাপোল চেকপোষ্টে এসে কাস্টমস এর সেবার মান মনে হচ্ছে বিমান বন্দরের মত। লেবার ও দালালদের লাগেজ টানা হেচড়ার কোন ঝামেলা নেই। ট্রলিতে করে খুব সহজেই মালামাল বহন করতে পারছি আমরা। বর্তমানে কাস্টমস চেকপোস্টের পরিবেশ খুবই ভালো। আমরা এ ধরনের পরিবেশ চাই। এ ধরনের পরিবেশ যেন সব সময় থাকে। তাহলে যাত্রীরা যাতায়াতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করবেন।
কাস্টমস সুত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বেনাপোল চেকপোস্টে এক শ্রেণীর লোক দূরদূরান্ত থেকে আসা পাসপোর্ট যাত্রীদের নানাভাবে হয়রানি করে আসছিল। সিরিয়াল ছাড়া তাদের পাসপোর্ট দ্রুত করে দেয়ার নাম করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল ঐ চক্রটি। পাসপোর্ট যাত্রীদের পক্ষ থেকে কাস্টমসে অভিযোগ করলে চেকপোস্ট কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনকে দালালমুক্ত করার ঘোষণা দেয়া হয়।
অন্যদিকে ঢাকা-কোলকাতা বাস সার্ভিস চলাচল মুরু হওয়ায় সর্বচ্চ সেবা দিচ্ছেন কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। তার দ্রুত কোন ঝামেলা ছাড়াই ভারতে গেছে।
বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের ওসি মোহাম্মাদ রাজু আহমেদ জানান, বর্তমানে প্রতিটি যাত্রীকে সিরিয়ালে দাঁড় করিয়ে তাদের পাসপোর্টের সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হচ্ছে। যাত্রীদের সেবার মান বাড়াতে বেনাপোল ইমিগ্রেশনে ইতোমধ্যে কাউন্টারের সংখ্যা বাড়নো হয়েছে। ক্যানসার, মুক্তিযোদ্ধাও বয়স্কদের দের জন্য পৃথক কাউন্টারে সেবা দেওয়া হচ্ছে।

বেনাপোল কাস্টম হাউজের যুগ্ম কমিশনার আব্দুর রশীদ মিয়া জানান, বর্তমানে আন্তর্জাতিক কাস্টমস চেকপোস্ট ও ইমিগ্রেশনকে দালাল ও লেবারমুক্ত করা হয়েছে। তবে যাত্রীদের সেবার মান বাড়াতে সুন্দর পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়েছে। বর্তমানে কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়া নিরাপদে যাত্রীরা ট্রলি ব্যবহার করে ভারতে আসা যাওয়া করছেন।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার মো: আজিজুর রহমান জানান, বেনাপোল আন্তর্জাতিক কাস্টমস চেকপোস্ট দিয়ে পট্রতিদিনি ১০ হাজহার যাত্রী যাতায়াত করনছেন । প্রতিবছর প্রায় ৩০ লাখ যাত্রী ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াত করে থাকে। করোনা সংক্রমন কমে আসায় যাত্রী যাতায়াত বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ১৮ দিনে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে যাতায়াত করেছে ১ লাখ ৪১ হাজার ২১০ জন পাসপোর্টযাত্রী।

জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
তথ্য বিবরনী
খুলনা জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির জুন মাসের সভা রবিবার সকালে জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদারের সভাপতিত্বে তাঁর সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। খুলনা জেলার রূপসা, তেরোখাদা, বটিয়াঘাটা উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনায় সভায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করা হয়। সভায় পুলিশ সুপার মোঃ মাহবুব হাসান বলেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেক ভালো। তিনি মাদক এবং অপমৃত্যু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। সিভিল সার্জন ডাঃ সুজাত আহমেদ বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে ১৮ বছর বা তদুর্দ্ধ বয়সের মানুষের জন্য বুস্টার ডোজ দেয়ার কার্যক্রম চলছে। তিনি বলেন, দেশে করোনা পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক ভালো। খুলনা মহানগরীতে এ পর্যন্ত ৩৪ লাখ ৭২ হাজার ৭২৫ ডোজ টিকা প্রদান করা হয়েছে। খুলনা জেলায় এখন পর্যন্ত ১৫ শতাংশ মানুষকে বুস্টার ডোজ এবং ৭৩ শতাংশ মানুষকে দ্বিতীয় ডোজ প্রদানের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

কয়রা উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলাম বলেন, সুন্দরবনে মাছ আহরণ সরকারিভাবে তিন মাস বন্ধ ঘোষনা সত্ত্বেও রাতের বেলা সুন্দরবনে চিংড়িসহ বিভিন্ন মাছ ধরা অব্যাহত আছে। বন বিভাগের মাধ্যমে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে তিনি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

সভাপতির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক বলেন, বাল্য বিবাহ, নারী ও শিশু নির্যাতন এবং ধর্ষণের মতো অপরাধ যাতে না ঘটতে পারে সে বিষয়ে সকলকে সচেতন থাকতে হবে। নগরীর ডাকবাংলা ও এর আশেপাশের এলাকায় রাস্তার ওপর ভ্রাম্যমান বাজার এবং নির্মান সামগ্রী অবৈধভাবে থাকার কারনে রাস্তা সংকুচিত হয়ে যান চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি কেএমপি কে এ ব্যাপারে কার্যকর ব্যাবস্থা নিতে অনুরোধ জানান।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পুলক কুমার মন্ডল সভায় বিগত মাসে খুলনা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরেন। এ সময় জানানো হয় খুলনা জেলা অধিক্ষেত্রে বিগত মে মাসে ১৭০ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে যা বিগত এপ্রিল মাসে দায়ের হওয়া মামলা থেকে ৩ টি কম। খুলনা মহানগরী অধিক্ষেত্রে মে মাসে ১৩১ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে যা বিগত এপ্রিল মাসে দায়ের হওয়া মামলা হতে একটি কম।

সভায় জেলা পরিষদের প্রশাসক শেখ হারুনুর রশীদ, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাসহ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা অংশ গ্রহণ করেন।

কয়রায় জলবায়ু অধিপরামর্শ ফোরামের ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা

শ্যামনগর প্রতিনিধি

১২ জুন (রবিবার) সকাল ১১:০০ টায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা লিডার্সের সহযোগিতায় জলবায়ু অধিপরামর্শ ফোরামের আয়োজনে কয়রা সুন্দরবন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ফোরামের ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ফোরামের সভাপতি শাহবাজ আলীর সভাপতিত্বে উক্ত ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ফোরামের সাধারন সম্পাদক ও সুন্দরবন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খায়রুল আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক হারুণ-অর-রশিদ, কোষাধ্যক্ষ পারুল আক্তার, সদস্য নিলীমা চক্রবর্তী, সদস্য কৃষিবিদ জাহিদ হাসান সহ ফোরমের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ প্রমূখ।

সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় এলাকা জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে অত্যন্ত ঝূঁকিপূর্ণ। যেখানে ক্রমবর্ধমান হারে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাড়ছে। এখানে টিকে থাকতে অভিনব কৌশল গ্রহণ করা প্রয়োজন। টেকসই বেড়িবাঁধ, সুপেয় পানি নিশ্চিত করতে না পারলে উপকূলে মানুষ বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে।

উক্ত সভায় জলবায়ু পরিবর্তন এর প্রভাবে উপকূলের সংকটে করনীয় নিয়ে সকলে মতামত ব্যক্ত করেন। আগামী তিন মাসে উক্ত ফোরামের একটি পরিকল্পনা করা হয়। উক্ত পরিকল্পনা উপকূলের মানুষের অধিকার আদায়ে ভূমিকা রাখবে।

কুয়েট অফিসার্স এসোসিয়েশন কর্তৃক “কালজয়ী মুজিব” স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অফিসার্স এসোসিয়েশন কর্তৃক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মশতবার্ষিকী ও মুজিববর্ষের স্মরণিকা “কালজয়ী মুজিব” এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১২ জুন দুপুরে প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে অফিসার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সভায় কুয়েটের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে “কালজয়ী মুজিব” এর মোড়ক উন্মোচন করেন। এসময় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন, “আমাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য সকলকে নিজ নিজ অবস্থানে থেকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করতে হবে, তবেই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়া সম্ভব হবে এবং মুজিব শতবর্ষ উদ্যাপনের সার্থকতা হবে”। এসময় তিনি অফিসার্স এসোসিয়েশন কর্তৃক “ফলাহার ১৪২৯” এর উদ্বোধন, কুয়েটে পদোন্নতিপ্রাপ্ত ও নবীন যোগদানকৃত কর্মকর্তাদের ফুলের শুভেচ্ছা প্রদান, অবসরপ্রাপ্ত বিদায়ী কর্মকর্তাকে বিশ^বিদ্যালয়ের স্মারক ক্রেস্ট ও উপহার সামগ্রী প্রদান এবং অমর একুশে ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি প্রকৌশলী মোঃ আসলাম পারভেজ এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মোঃ রুহুল আমিন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ^বিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রকৌশলী মোঃ আনিছুর রহমান ভূঞা, অফিসার্স এসোসিয়েশনে উপদেষ্টা প্রকৌশলী ড. মোঃ জুলফিকার হোসেন, লাইব্রেরীয়ান মোঃ আক্কাছ উদ্দিন পাঠান, সহ-সভাপতি মোঃ সাদেক হোসেন প্রামানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ওমর ফারুক, ট্রেজারার শাহ্্ মোঃ শহীদুল ইসলাম, ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সৈয়দ রায়হানুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিকী আবীর, আইন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ রবিউল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক জাকিয়া সুলতানা, কার্য-নির্বাহী সদস্য মোঃ মঈনুল হক, মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, বাদশা মোঃ হারুন। অনুষ্ঠানে বিশ^বিদ্যালয়ের অফিসার্স এসোসিয়েশনের সকল কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং অনুষ্ঠান শেষে সকলে প্রীতিভোজে অংশগ্রহণ করেন।

মহানবী (সঃ) এর অবমাননার প্রতিবাদ ইত্তেফাকুল ওয়ায়েজীন বাংলাদেশের
খবর বিজ্ঞপ্তি
ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের মুখপাত্র নুপুর শর্মা ও গণমাধ্যম প্রধান নবীন কুমার জিন্দাল কর্তৃক মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ও তাঁর স্ত্রী হযরত আয়েশা (রা.) কে নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন হকপন্তী ওয়ায়েজদের সর্ববৃহৎ সংগঠন ইত্তেফাকুল ওয়ায়েজীন বাংলাদেশ খুলনা জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ বলেন ভারত সরকার দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার পরিবর্তে নবী প্রেমিক বিক্ষভ কারীদের বাড়ী ঘর ধংস করে দিচ্ছে। ভারতে মুসলিমদের নিরাপত্তা ও নবী (সঃ)এর অবমাননা কারীদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনার দাবী জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা জেলা সভাপতি মুফতি গোলামুর রহমান, সহ-সভাপতি মুফতি ফোরকান আহমদ কাসেমী, মুফতি আব্দুল জব্বার আজমী, হাফেজ মাওলানা মুফতি আব্দুল কুদ্দুস, মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন মঞ্জুরী, মুফতি হুমায়ুন কবির হুসাইনী, সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মুফতি আশরাফুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক মুফতি মুহিব্বুল্লাহ গাওহরী,মাওলানা হাবিবুর রহমান হাবিব, মুফতী জাহিদুল ইসলাম , মুফতি জাকির আশরাফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওঃ সাজেদুর রহমান সাজ্জাদ,সহঃ সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি নাজমুল ইসলাম নড়াইলী,হাফেজ মাওলানা আহসান হাবীব, মুফতি আওসাফুর রহমান, প্রচার সম্পাদক মাওলানা হেলাল উদ্দিন আল আজাদ, মাওলানা আলমগীর হোসাইন, মাওলানা হাফিজুর রহমান, মাওলানা আবুল বাশার আল আমিন, অর্থ সম্পাদক মুফতি আব্দুল মান্নান উসমানী, সহ অর্থ সম্পাদক মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মোমেন নোমানী, সহ কল্যাণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মান্নান, দপ্তর সম্পাদক মুফতি আব্দুস শাকুর, সহ দপ্তর সম্পাদক মুফতি হাফিজুর রহমান ফারুকী, হাফেজ মাওলানা এনামুল হক বেলালী, মিডিয়া সম্পাদক মুফতি ওয়াক্কাস আলী, সহকারী মিডিয়া সম্পাদক মাওলানা আনোয়ার হোসাইন যশোরী, হাফেজ মাওলানা করিমুল ইসলাম, মাওলানা মুফতি ফয়সাল কবির ফয়েজী,সদস্য মাওলানা ইমরান হোসাইন, মুফতি আল আমিন, মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন, হাফেজ মাওলানা বোরহান উদ্দিন প্রমুখ।

আইসিটির প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান শিক্ষক নিয়ে গেলেন ভোকেশনাল শাখার প্রদর্শককে
মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ
প্রধান শিক্ষক ও আইসিটি শিক্ষকদের সমন্বয়ে যশোর শিক্ষাবোর্ডের আয়োজনে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী কর্মশালায় প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলাম আইসিটি শিক্ষক নজরুল ইসলামকে না জানিয়ে ভোকেশনাল শাখার প্রদর্শক (ডেমোনেন্ট্রটর) হরিপদ ঘোষকে নিয়ে কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।
এঘটনায় মহেশপুর সরকারি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আইসিটি শিক্ষক নজরুল ইসলাম যশোর শিক্ষাবোর্ড, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, মহেশপুর সরকারি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলাম তিনি তার খেয়াল খুশিমত বিদ্যালয়টি পরিচালনা করে আসছেন। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোন শিক্ষকই কথা বলার সাহস পান না। গত ৯ জুন (বৃহস্পতিবার) যশোর শিক্ষাবোর্ডের সমন্বয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও আইসিটি শিক্ষকদের এক প্রশিক্ষক কর্মশালার আয়োজন করে। কিন্তু বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলাম আইসিটি শিক্ষক নজরুল ইসলামকে না জানিয়েই ভোকেশনাল শাখার প্রদর্শক (ডেমোনেন্ট্রটর) হরিপদ ঘোষকে নিয়ে কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। যাহা বোর্ড কর্তৃক পুরোটাই অবৈধ।
শিক্ষাবোর্ডের চিঠিতে সু-স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও আইসিটি শিক্ষক যদি না থাকে তাহলে সহকারী শিক্ষককে নিয়ে কর্মশালায় অংশগ্রহণ করা যাবে। কিন্তু বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলাম তা করেননি। মহেশপুর সরকারি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আইসিটি শিক্ষক নজরুল ইসলাম জানান, চিঠি কবে এসেছে প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলাম আমাকে জানাই নি। আমাকে না জানিয়ে তিনি ভোকেশনাল শাখার প্রদর্শক (ডেমোনেন্ট্রটর) হরিপদ ঘোষকে নিয়ে কর্মশালায় যোগদান করেন।
মহেশপুর সরকারি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলাম জানান, আইসিটির কর্মশালায় আমি সহ আইসিটি সম্পর্কে যে কাজ করে আমি তাকেই নিয়ে গিয়েছি। আইসিটি শিক্ষককে নিয়ে যেতে হবে এমন কোন মানে নেই।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মহেশপুর সরকারি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নয়ন কুমার রাজবংশী জানান, চিঠিটা আমি ডাক ফাইলে দেখেছি। পরে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে কি করা যায় দেখব।

দাকোপের লাউডোব খুটাখালী গরুর হাটের সামনে ফতের বসত ঘর আগুনে পুড়ে ছাই
মোঃ শামীম হোসেন- বাজুয়া (দাকোপ)
খুলনার দাকোপের লাউডোব খুটাখালী গরুর হাটের সামনে সরকারি মজিব বর্ষের ঘরের পাশে ফাতেমা বেগম (ফতের) বসত ঘর আগুনে পুড়ে ছাই। মাগরিবের নামাজের পর সন্ধ্যা ৭ টা ১০ মিনিটের সময় এই আগুনের সূত্রপাত। জানা যায় ফাতেমা বেগম চিকিৎসা হওয়ার জন্য খুলনায় ডাক্তার দেখাতে যায়। তার স্বামী রফিকও ঘরে ছিলো না হঠাৎ ঘরে আগুন জ্বলতে দেখে আশেপাশের শত শত লোকজন ছুটে আসে। পরে সকলের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুন নিভাতে আসা লোকদের ধারনা বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারনে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায় ঘরের সকল মালামাল পুড়ে ছাই। অসহায় পরিবারটি এখন খোলা আকাশের নিচে বসে আছে।

বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় স্বেচ্ছাসেবক দলের দোয়া মাহফিল
খবর বিজ্ঞপ্তি
সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি’র মাননীয় চেয়ারপার্সন দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল খুলনা মহানগর ও জেলা শাখার উদ্যোগে রবিবার বিকাল ৫ টায় খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেব দল সভাপতি শেখ তৈয়েবুর রহমানের সভাপতিত্বে ও আতাউর রহমান রুনুর সঞ্চালনায় বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক আবু হোসেন বাবু, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র যুগ্ম আহবায় আজিজুল হাসান দুলু, খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল এর সভাপতি একরামুল হক হেলাল, ফারুক হিলটন, আতাউর রহমান রুনু, এনামুল হক, আনোয়ার হোসেন আনো, ইউসুফ মোল্লা, মুনতাসীর আল মামুন, এনামুল হক পারভেজ, মোঃ মোশারেফ শিকদার, মোঃ নাসির উদ্দিন, খাইরুজ্জামান সজীব, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ সাইফুল ইসলাম মল্লিক, আব্দুল কাদের জনী, লাবু বিশ্বাস, জাহিদুল ইসলাম বাচ্চু, শেখ হেলাল উদ্দিন, আল আমিন সরদার নয়ন, বেলাল হোসেন, ইমরান হোসেন, যগেশ্বর সানা কার্তিক, মোঃ সাইফুল ইসলাম, লিটন মোল্যা, নিয়াম মল্লিক, ছাত্র নেতা শাকিল আহম্মেদ, এম এম শফি, ইয়াসির সেখ, সাইফুর রহমান জাহিদ, মোঃ জাহিদুল ইসলাম, এমদাদ মোড়ল, নজরুল ইসলাম বাবু, মেহেদী হাসান মামুন, রফিকুল ইসলাম বাবু, ইফতেখারুল ইসলাম মেহেদী, রিপন সিকদার, নুর আলম নুরু, আলাউদ্দিন জমাদ্দার, কাল্লু সেখ, মোঃ মিলন, রাকিবুল ইসলাম রাকিব, মেহেদি হাসান ইবু, রফিকুল ইসলাম বাবু প্রমুখ।
দোয়া মাহফিলে উপস্থিত নেতারা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠাতে সরকারের কাছে সার্বিক সহযোগিতার আহ্বান জানান। তাঁরা বলেন, বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থার কোনো অবনতি হলে এর দায়দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে।

মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের কচুয়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সোহরাব হাওলাদার (৬৫) নামে এক ভ্যানচালক নিহত হয়েছেন। এসময় মোটরসাইকেলের এক আরোহী আহত হয়েছেন।

রোববার সকালে উপজেলার সাইনবোর্ড-বগী আঞ্চলিক মহাসড়কের যশোরদি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সোহরাব হাওলাদার জেলার মোরেলগঞ্জের পুটিখালী গ্রামের বাসিন্দা।

কচুয়া থানার এসআই আব্দুর রহমান জানান, বেলা ১১টার দিকে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই ভ্যানের চালক সোহরাব মারা যান। এ সময় মোটরসাইকেলের আরোহীও গুরুতর আহত হন। তাকে বাগেরহাট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তার নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

দুই ফিশিং ট্রলার মালিককে কারাদণ্ড
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বঙ্গোপসাগরে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মাছ আহরণ করায় বাগেরহাটে দুটি ফিশিং ট্রলার মালিককে সাত দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া ট্রলার দুটি জব্দের পাশাপাশি পাঁচ আড়তদারকে জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার সকালে বাগেরহাট শহরে প্রধান মৎস্য বন্দর কেবি বাজার ও ভৈরব নদীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাব্বেরুল ইসলাম ও জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার রুবাইয়া বিনতে কাশেম এসব আদেশ দেন।

বাগেরহাট মৎস্য বিভাগ জানায়, আগামী ২৩ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে মাছ আহরণে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সাগরে মাছ আহরণ করে বাগেরহাটের প্রধান মৎস্য বন্দর কেবি বাজারের এনে বিক্রি করা হচ্ছে- এমন খবরের ভিত্তিতে সকালে অভিযান চানানো হয়।

এ সময় কেবি বাজার ও ভৈরব নদীতে অভিযান চালিয়ে এমভি বশির ও এমভি রাসেল নামে হাঙ্গরবোঝাই দুটি ফিশিং ট্রলার জব্দ করা হয়।

ট্রলার দুটির মালিক বরগুনা জেলার পাথরঘাটার কামরুল হাসান মিরাজ ও বাগেরহাট সদরের সুন্দরঘোনা এলাকার আলামিনকে আটক করে সাত দিনের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় ট্রলারে থাকা মাছ ৬০ হাজার টাকায় নিলামে বিক্রি করা হয়।

একই সময় সাগরের মাছ বিক্রি করায় কেবি বাজারের আড়তদার মো. ইস্রাফিল সরদার, আ. মান্নান, মিরাজ হোসেন, আ. সালাম ও হাফিজুল সরদারকে দুই হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাব্বেরুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্ত্রীর নিয়োগে জালিয়াতি, প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত
যশোর অফিস
যশোরের চৌগাছা উপজেলার এবিসিডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহজাহান কবিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

স্ত্রীকে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিতে সনদ জালিয়াতি, নিয়োগ বোর্ডের রেজুলেশন জালিয়াতি, রেজুলেশনে পদের নাম পরিবর্তন, ভুয়া নিয়োগ দেওয়া, তথ্য গোপন করে এমপিওভুক্ত করানোসহ নানা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় রোববার (১২ জুন) সকালে বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সেইসঙ্গে অভিযোগ তদন্তে উপজেলার জেএইচডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আরিফুল ইসলামকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জালিয়াতি করে নিয়োগ পাওয়া মোছাম্মাৎ খাদিজা খাতুন প্রধান শিক্ষক শাহজাহান কবীরের স্ত্রী। এছাড়া সুমন মন্ডল নামের আরেক সহকারী শিক্ষককেও একইভাবে নিয়োগ দিয়েছেন ওই প্রধান শিক্ষক।

রোববার বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষিকারা বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির কাছে একটি লিখিত অঙ্গীকারনামা দিয়ে বলেছেন, ‘আমরা মে-২০২২ সালের এমপিও শিট দেখে জেনেছি মোছাম্মাৎ খাদিজা খাতুন এবং সুমন মন্ডল নামে দুজন শিক্ষক এমপিওভুক্ত হয়েছেন। আমরা আগে কখনও তাদের বিদ্যালয়ে দেখিনি, চিনিওনা এবং শিক্ষক হাজিরা খাতায় তাদের কোনো সই নেই।’

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও হাকিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুল হাসান বলেন, নিয়োগ ও এমপিওভুক্তির বিষয়টি সম্পূর্ণ জালিয়াতি করে আমার অগোচরে করা হয়েছে। মে-২০২২ মাসের বেতন বিলে সই করতে গেলে বিষয়টি প্রথমে আমার নজরে আসে। পরে খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারি সই জালিয়াতি করে তিনি নিজের স্ত্রী এবং অন্য একজনকে নিয়োগ দিয়েছেন এবং এমপিওভুক্তি করিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, রোববার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় তাকে সাময়িক অব্যাহতি দিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া জালিয়াতি করে নিয়োগ পাওয়া দুই শিক্ষককের নাম বাদ দিয়ে বেতন বিলে সই করা হয়েছে।