খবর বিজ্ঞপ্তি। ।
শহীদ জিয়ার মাজারে পুলিশী হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা এবং একই সময়ে যশোর বিএনপি অফিসে হামলার ঘটনা সরকারের প্রতিহিংসার রাজনীতির চুড়ান্ত রূপ। এ ধরণের হিং¯্র আক্রামণ দেশের গণতন্ত্রকে আরও বিপন্ন করে তুলবে। বিএনপির শান্তিপুর্ণ কর্মসূচি সরকার ও সরকারি দলের সশস্ত্র হামলা গুলি ও ছুরি মেরে প্রাণনাশের চেষ্টা প্রমান করে একদলীয় সরকার দেশে বিরোধী দল দেখতে চায় না।
ঢাকা ও যশোর বিএনপি নেতাকর্মি ও বিএনপির অফিসে শাসক দলের নগ্ন হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে খুলনা মহানগর বিএনপি। প্রতিবাদ লিপিতে নেতৃবৃন্দ এই হামলার ঘটনা মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে হার মানিয়েছে উল্লেখ করে বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত করতে যাওয়া বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতা-কর্মিদের উপর পুলিশী হামলা গুলিবর্ষণ, মারাত্মক আহত ও গ্রেপ্তারের ঘটনায় আমরা উদ্বিগ্ন। দশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল বিএনপি এখন আর কোথাও নিরাপদ নয়। মাজারে গেলে হামলা হবে, ত্রাণ বন্টনে হামলা হবে, মানববন্ধনে হামলা হবে, বৃক্ষ রোপনে হামলা, কোন রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনে বিএনপিকে অনুমতি দেয়া হবে না, এটি কোন গণতান্ত্রিক দেশের চিত্র হতে পারে না। পরিস্থিতির জন্য সরকারকে দায়ী থাকতে হবে।
নেতৃবৃন্দ সন্ত্রাসী হামলায় আহত ঢাকা ও যশোরে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা আমানউল্লাহ আমান, আমিনুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন খোকন ও গোলাম রেজা দুলুসহ শতাধিক আহত নেতাকর্মির আশু রোগমুক্তি ও ঢাকায় আটক ১০ নেতাকর্মির নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।
বিবৃতিদাতা নেতৃবৃন্দরা হলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরউল¬াহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, এড. বজলুর রহমান, এড. এস আর ফারুক, স ম আব্দুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন, শেখ জাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মো. মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।










































