করোনাভাইরাস এখনও বিশ্বব্যাপী দাপট দেখিয়ে যাচ্ছে। এতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে প্রতিনিয়ত। তবে করোনাভাইরাসকে দমিয়ে দিতে চেষ্টা যে অব্যাহত নেই, তা নয়। বিশ্বব্যাপী বিজ্ঞানীরা ভ্যাকসিন আবিষ্কারে মরিয়া। তাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা কিছুটা হলেও সফলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ফাইজার-বায়োএনটেকের করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ)। ফাইজারের ভ্যাকসিন এরই মধ্যে যুক্তরাজ্য, কানাডা, বাহরাইন ও সৌদি আরবে নিয়ন্ত্রকের অনুমোদন পেয়েছে। এর সুফল হয়তো শিগগিরই পরিষ্কার হবে। অন্যদিকে করোনাভাইরাসের সবচেয়ে মারাত্মক ধরণের সাথে পাঁচটি নতুন জিনের সম্পর্ক আছে বলে দাবি করেছেন একদল বিজ্ঞানী। গবেষক দলটি বলেছেন, বর্তমানের কিছু ওষুধ দিয়েও কোভিড-১৯ আক্রান্ত গুরুতর রোগীদের করোনার চিকিৎসা করা যাবে। অর্থাৎ বৈশ্বিক এ মহামারি থেকে মুক্তি পেতে চিকিৎসক, গবেষক ও বিজ্ঞানীদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
তবে সেই তুলনায় বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে সচেতনতা তেমনটা নেই বললেই চলে। সাধারণ মানুষদের বেশিরভাগই এখনও মাস্ক ব্যবহার করেন না। স্বাস্থ্যবিধি মানতেও দেখা যায় না তাদের। এর ফলাফল হিসেবে এখন করোনার সংক্রমণ কিছুটা বাড়তি দেখা যায়। দেশে মৃত্যুর সংখ্যাও ইতোমধ্যে ৭ হাজার ছাড়িয়েছে। এরমধ্যে শনিবার নতুন করে মারা গেছেন ৩৪ জন। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩২৯ জন।
তবে সরকার ইতোমধ্যে মাস্ক ছাড়া বিভিন্ন দপ্তরে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে। এছাড়াও নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। সেই তুলনায় সচেতনতা তেমনটা লক্ষণীয় নয়। একইভাবে বিভিন্ন দেশ করোনার ভ্যাকসিন পেতে যেসব কার্যকর পন্থা অবলম্বন করছে সেই তুলনায় আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। সকল প্রতিকূলতা কাটিয়ে বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন যথাসময়ে পাবে বলে আমরা আশাবাদী। এজন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণে আমরা সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।








































