স্পোর্টস ডেস্ক।।
ইঙ্গিতটা আগেই দিয়ে রেখেছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। এ বছরই তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ বছর।
তবে ২০২৬ সাল শেষ হওয়ার অপেক্ষায় থাকলেন না ৫ বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী। তার আগেই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়ে কথা রাখলেন তিনি।
আজ সামাজিক মাধ্যমে এক ভিডিও বার্তায় নিজের ‘৭’ নম্বর জার্সি তুলে রাখার ঘোষণা দিয়েছেন রোনালদো। ৪১ বছর বয়সী স্ট্রাইকার মাঠের লড়াই থামানোর ঘোষণা দিলেও রেকর্ডের পাতায় কিংবদন্তির রাজত্ব থেকে যাবে ফুটবল যতকাল রবে ততকাল।
দীর্ঘ ২৩ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার থামানোর দিন চলুন দেখে নেওয়া যাক কোন কোন অর্জন রেখে গেলেন কিংবদন্তি রোনালদো।
আন্তর্জাতিক ফুটবলে রেকর্ড
সর্বোচ্চ গোল—১৪৬টি।
সর্বোচ্চ ম্যাচ—২৩৪টি।
টানা ২৩ বছর গোল করার রেকর্ড।
প্রথম ফুটবলার হিসেবে ১০ হ্যাটট্রিক করা খেলোয়াড়।
বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে সর্বোচ্চ ৪১ গোল।
ইউরো বাছাইপর্বেও সর্বোচ্চ ৪১ গোল।
বিশ্বকাপে রেকর্ড
৬টি ভিন্ন ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করা একমাত্র ফুটবলার (২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬)।
সর্বোচ্চ ৬ বিশ্বকাপে খেলা তিন ফুটবলারের একজন।
বাকি দুজন আর্জেন্টিনার প্লে মেকার লিওনেল মেসি ও মেক্সিকোর গোলরক্ষক গিয়ের্মো ওচোয়া।
বিশ্বকাপ ও ইউরোর মূল পর্ব মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৫৭ ম্যাচ।
বিশ্বকাপ ও ইউরোর মূল পর্ব মিলিয়ে সর্বোচ্চ ২৫ গোল।
ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে রেকর্ড ও অর্জন
সবচেয়ে বেশি ৬ ইউরোয় খেলা।
ইউরোর মূল পর্বে সর্বোচ্চ ৩০ ম্যাচ।
ইউরোর ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৪ গোল।
বাছাইপর্বসহ ইউরোতে সর্বোচ্চ ৫৫ গোল।
পাঁচটি ভিন্ন ইউরো আসরে গোল করার রেকর্ড।
তিনটি ভিন্ন ইউরো আসরে অন্তত তিনটি করে গোল করা একমাত্র খেলোয়াড়।
পর্তুগালের হয়ে একবার ইউরো চ্যাম্পিয়ন (২০১৬)।
নেশনস লিগের রেকর্ড ও অর্জন
আর্লি হালান্ডের পর (২২) যৌথভাবে আলেক্সান্ডার মিত্রোভিচের সঙ্গে সর্বোচ্চ ১৫ গোল রোনালদোর।
পর্তুগালের হয়ে ২ বার নেশনস লিগ চ্যাম্পিয়ন (২০১৯ ও ২০২৫)।
চ্যাম্পিয়নস লিগে রেকর্ড
সর্বোচ্চ গোল—১৪০টি।
সর্বোচ্চ ম্যাচ—১৮৩টি।
এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোল—১৭টি (২০১৩-১৪)।
নকআউট পর্বে সর্বোচ্চ গোল—৬৭টি।
টানা ১১ ম্যাচে গোল করার রেকর্ড।
চ্যাম্পিয়নস লিগের তিনটি ফাইনালে গোল করা একমাত্র খেলোয়াড়।
সাতবার চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা।
ব্যক্তিগত ও অন্যান্য রেকর্ড
লিওনেল মেসির (৮) পর সর্বোচ্চ ৫ বার ব্যালন ডি’অর জয়ী।
চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে পাঁচবার শিরোপাজয়ী।
চারবার উয়েফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়।
উয়েফার বর্ষসেরা একাদশে সর্বোচ্চ ১৫ বার জায়গা পাওয়া খেলোয়াড়।











































