স্পোর্টস ডেস্ক।।
মাঠে দুই অ্যাসিস্টে দলের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের নায়ক। কিন্তু ম্যাচ শেষে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নেইমারের পারফরম্যান্স নয়, তার মন্তব্য। গ্যালারি থেকে দুয়ো শুনে ক্ষোভ চেপে রাখতে পারেননি ব্রাজিলিয়ান তারকা। সমর্থকদের উদ্দেশে তার স্পষ্ট বার্তা; নেতিবাচক মনোভাব নিয়ে স্টেডিয়ামে আসার চেয়ে ঘরে থাকাই ভালো।
কোপা সুদামেরিকানার শেষ ষোলোর প্রথম লেগে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) মাকারাকে ২–১ গোলে হারিয়েছে সান্তোস। পিছিয়ে পড়েও দারুণভাবে ম্যাচে ফিরেছে ব্রাজিলের ক্লাবটি। দুটি গোলেই অবদান ছিল নেইমারের।
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য ছিল সান্তোসের জন্য হতাশার। পঞ্চম মিনিটেই ফ্রাঙ্কো পসের গোলে এগিয়ে যায় ইকুয়েডরের ক্লাব মাকারা। তবে প্রথমার্ধের শেষদিকে নেইমারের বাড়ানো বল থেকে গাব্রিয়েল বারবোসা সমতা ফেরান। এরপর ৭৬ মিনিটে নেইমারের কর্নার থেকে উইলিয়ান আরাওয়ের গোলে জয় নিশ্চিত হয় সান্তোসের।
জয়ের পরও মুখে হাসি ছিল না নেইমারের। ম্যাচ চলাকালে একটি ভুল পাসের পর গ্যালারি থেকে দুয়ো শুনতে হয় তাকে। পরে ম্যাচ শেষে ইএসপিএন ব্রাজিলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে সেই ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে সমর্থকদের সমালোচনা করেন তিনি।
নেইমার বলেন, ‘আমরা তখন ১–০ গোলে পিছিয়ে ছিলাম। আমি জানি, সমর্থকেরা অনেক কষ্ট পাচ্ছেন। কিন্তু সেই হতাশা আর নেতিবাচক মানসিকতা নিয়েই যদি স্টেডিয়ামে আসেন, তাহলে ঘরে থাকাই ভালো।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি গ্যালারির একজনকে বলেছিলাম, সমালোচনা না করে আমাদের সমর্থন করুন। তখনও অনেক সময় বাকি ছিল। আমাদের উৎসাহ দিন। পরে আমরা ম্যাচ ঘুরিয়ে দিলাম। আমি যখন পানি খেতে গেলাম, তখন সেই ব্যক্তিই আবার গ্যালারি থেকে হার্ট চিহ্ন দেখাচ্ছিলেন। জিতলেই ভালোবাসা দেখানো খুব সহজ।’
এই জয়ে শেষ আটে ওঠার পথে এগিয়ে গেল সান্তোস। আগামী সপ্তাহে ইকুয়েডরের আমবাতোতে ফিরতি লেগ খেলবে তারা। সেই ম্যাচে হার এড়াতে পারলেই কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত হবে নেইমারদের।
নেইমারের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সও সান্তোসের জন্য স্বস্তিদায়ক। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে শেষ ২৪ ম্যাচে তিনি ১৩ গোল করার পাশাপাশি ৮টি অ্যাসিস্ট করেছেন। ২১ গোলে সরাসরি অবদান রেখে আবারও দলের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ফুটবলার হয়েছেন ব্রাজিলিয়ান এই তারকা।










































