স্টাফ রিপোর্টার
রূপসা ব্রীজের টোল প্লাজায় এক পুলিশ কনস্টেবলকে মারধরের মামলায় গ্রেফতার রূপসা উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি এস এম মফিজুল ইসলামের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার বিউটি (৪০)কে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।
গতকাল শনিবার দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাসানুজ্জামান আসামিকে আদালতে হাজির করেন। আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আলিফ রহমানর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ প্রদান করেছেন। ফাতেমা আক্তার বিউটি রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামের বাসিন্দা। এ মামলার অপর আসামিরা হলেন রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামের মোস্তাক শেখের দু’ছেলে মোহাম্মদ শেখ (১৯) ও আহম্মদ শেখ (১৯) এবং আব্দুল মজিদ গাজীর ছেলে মনি গাজী ওরফে মনি ড্রাইভার (৪০)।

রূপসা থানা পুলিশ জানায়, শুক্রবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে রূপসা উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি মফিজুল ইসলামের স্ত্রী ফাতেমা আক্তার বিউটি, তার দুই ভাতিজা আহমদ শেখ ও মোহাম্মদ শেখ এবং মনি গাজী নামে অপর এক যুবক দু’টি মোটরসাইকেলে রূপসা থেকে খুলনার দিকে যাচ্ছিলেন। তারা খানজাহান আলী সেতুর (রূপসা সেতু) টোল প্লাজায় সিরিয়াল ভঙ্গ করে আগে যাওয়ার চেষ্টা করলে টোল আদায়কারীদের সঙ্গে তাদের বাগবিত-া হয়। এ সময় পুলিশ কনস্টেবল সাইদুর রহমান এগিয়ে গেলে তারা তার সঙ্গেও বাগবিত-ায় জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে ফাতেমা আক্তার বিউটিসহ ওই চারজন পুলিশ কনস্টেবল সাইদুর রহমানকে মারধর করেন। তখন টোলপ্লাজায় দায়িত্বরত অন্য পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে গিয়ে ফাতেমা বেগম বিউটি গ্রেফতার করে। এ সময় অন্যরা পালিয়ে যায়।
টোল প্লাজার পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই জাকির বলেন, টোলপ্লাজায় তিনজন পুলিশ সদস্য দায়িত্বরত ছিলেন। গাড়িবহর নিয়ে সিরিয়াল ভঙ্গ করে যাওয়ার জন্য সিকিউরিটি গার্ডদের সঙ্গে এক নারীর বাগবিত-া হচ্ছে দেখে পুলিশ এগিয়ে যায়। এ সময় বিউটি পুলিশ কনস্টেবল সাইদুর রহমানকে চড়-থাপ্পর মারেন।
রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা জাকির হোসেন বলেন, সরকারি কাজে বাঁধাদান, ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন এবং পুলিশ সদস্যকে মারপিটের অভিযোগে গত শুক্রবার রাতে ফাতেমা আক্তার বিউটিসহ চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৩-৪ জনের নামে পুলিশের নায়েক রাজিব হোসেন এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মশিউর রহমান রূপসা থানায় পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছেন যার নং- ১৭ ও ১৮। গ্রেফতারকৃত আসামি ফাতেমা আক্তার বিউটিকে গতকাল শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।











































