স্পোর্টস ডেস্ক ।।
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (ফিফা) ইতিমধ্যে নিজেদের ডেটা সম্পদ কাজে লাগিয়ে আয়ের নতুন পথ তৈরি করেছে। ফিফার মতো একই সিস্টেমে আয় বাড়াতে চায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।
১৩ থেকে ১৫ নভেম্বর ইন্দোনেশিয়ার বালিতে বসবে আইসিসির ত্রৈমাসিক সভা। সেই বৈঠকে মূল আলোচনার বিষয়গুলোর একটি হবে ক্রিকেটের বৈশ্বিক উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ কৌশল।
খেলাটির অর্থনীতি, আয় বাড়ানোর নতুন পথ এবং বিশ্বব্যাপী ক্রিকেটের বিস্তার—এসব বিষয় নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরি করেছে। তবে প্রতিবেদনের সব সুপারিশ আইসিসি গ্রহণ করবে কি না, সেটি বালির বৈঠকেই স্পষ্ট হবে।
আইসিসির চেয়ারম্যান জয় শাহর নেতৃত্বাধীন সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটের প্রসারে জোর দিচ্ছে। বিশ্ব ক্রিকেটে বড় সম্প্রচার প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা খুব বেশি নয়, এই বাস্তবতায় বিকল্প আয়ের উৎস খোঁজার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে করপোরেট স্পনসরশিপ বাড়ানো, ডেটা থেকে আয় করার নতুন পথ তৈরি এবং মোবাইল গেমিং প্রকল্প চালু করা। বিশেষ করে ডেটা মনিটাইজেশনকে দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখানে ক্রিকেটের পরিসংখ্যান নয়, খেলোয়াড় ও সমর্থকদের অংশগ্রহণ থেকে তৈরি বিপুল পরিমাণ বৈশ্বিক তথ্যকে কাজে লাগানোর কথা বলা হয়েছে।
এই ধরনের উদ্যোগ থেকে নতুন রাজস্বের বড় সুযোগ দেখছে আইসিসি। ফিফা ইতিমধ্যে নিজেদের ডেটা সম্পদ কাজে লাগিয়ে আয়ের নতুন পথ তৈরি করেছে।
আগামী এক দশকে ক্রিকেটের বৈশ্বিক বার্ষিক অর্থনীতি প্রায় তিন গুণ বাড়ানোর লক্ষ্যও রয়েছে। বর্তমানে বিশ্ব ক্রিকেটের বার্ষিক অর্থনীতির আকার আনুমানিক ৩৫০ থেকে ৩৮০ কোটি ডলার; সেটিকে ১ হাজার কোটি ডলারে নেওয়ার লক্ষ্য ধরা হয়েছে।
এই অর্থনৈতিক সম্প্রসারণে ভারত যে সবচেয়ে বড় অবদানকারী থাকবে, সেটিও প্রতিবেদনের আলোচনায় এসেছে। পাশাপাশি চীন, ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো জনবহুল ও বড় বাজারে ক্রিকেটের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
দ্বিপাক্ষিক সিরিজের তুলনায় বহুদলীয় ম্যাচ বাড়ানোর পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়েও উৎসাহ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।











































