Home আঞ্চলিক ইমদাদুল হক হত্যা: জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধসহ কয়েকটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে তদন্তে পুলিশ

ইমদাদুল হক হত্যা: জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধসহ কয়েকটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে তদন্তে পুলিশ

25


স্টাফ রিপোর্টার
খুলনায় ইমদাদুল হক মিলন (৫০) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ ঘেরের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ও এলাকাভিত্তিক পূর্বশত্রুতার জেরসহ তিন-চারটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে তদন্তে নেমেছে। এদিকে, হত্যাকা-ের পর একদিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ হত্যাকা-ের কারণ উদঘাটন করতে পারেনি। এছাড়া সন্দেহভাজন কোনো আসামিকেও পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি। গতকাল শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত হত্যাকা-ের ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি।
আড়ংঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান আহমেদ জানান, গতকাল শুক্রবার দুপুরে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিহত এমদাদুল হক মিলনের লাশের ময়না তদন্ত হয়েছে। তবে এ হত্যাকা-ের ঘটনায় গতকাল শুক্রবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি। নিহতের পরিবারের সদস্যরা থানায় আসলেই মামলা নেওয়া হবে।


তিনি আরো বলেন, আড়ংঘাটা এলাকায় কারা অবৈধ অস্ত্রবহন করে সে ব্যাপারে আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (উত্তর) সুদর্শন রায় বলেন, ইমদাদুল হক মিলন হত্যাকা-ের ঘটনায় পুলিশ ঘেরের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ও এলাকাভিত্তিক পূর্বশত্রুতার জেরসহ তিন-চারটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। আশা করছি, দ্রুত এ হত্যাকা-ের রহস্য উদঘাটনসহ হত্যাকারীদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।


এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে নগরীর আড়ংঘাটা থানার শলুয়া বাজারের একটি চায়ের দোকানে বসে থাকা অবস্থায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে ইমদাদুল হক মিলন ঘটনাস্থলে নিহত ও দেবাশীষ বিশ্বাস নামে অপর আরেকজন গুলিবিদ্ধ হয়। তাদের দুজনের মাথায় গুলি লাগে। নিহত ইমদাদুল হক মিলন শলুয়া গ্রামের মো. বজলুর রহমানের ছেলে। তিনি শলুয়া বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে কাজ করতেন। গুলিবিদ্ধ দেবাশীষ বিশ্বাস শলুয়া গ্রামের রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাসের ছেলে। দেবাশীষ খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।