স্টাফ রিপোর্টার।।
তিন মেয়াদে ১০ বছরের বেশী সময় চাকুরি করেছেন একই কর্মস্থলে। মাঝে দুই বার ৮-৯ মাস করে অন্যত্র বদলীয় হয়েছিলেন। কিন্তু এতে মন ভরেনি খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার প্রাইমারী এডুকেশন ট্রেনিং সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর মো: মনির হোসেনের। চলতি বছরের অক্টোবরের শেষে ডুমুরিয়া উপজেলা থেকে বদলী হলেও নতুন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেননি। ফলে দপ্তরের কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে।
অভিযোগ উঠেছে, বরগুনার স্থায়ী বাসিন্দা মনির হোসেন ডুমুরিয়ার মায়া ছাড়তে পারছেন না। অসুস্থ অজুহাত দেখিয়ে জলার প্রাইমারী এডুকেশন ট্রেনিং সেন্টারের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিচ্ছে না। এতে ওই দপ্তরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে। শুধু তাই নয়, অসুস্থ থাকলেও প্রতিনিয়ত দায়িত্ব পালন করছেন খর্নিয়া ইউনিয়ন পরিষদের অতিরিক্ত দায়িত্ব। সেখানে প্রতিদিনই দেখা মিলছে উপজেলা প্রাইমারী এডুকেশন ট্রেনিং সেন্টারের এই কর্তার।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মনির হোসেন ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে ডুমুরিয়া যোগ দেন। সেখানে তিনি ২০১৭ সালের মার্চ পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন। এরপর বদলী হয়ে ৮ মাস পর একই বছর অক্টোবর মাসে ফের ডুমুরিয়া আসেন। ২০২০ সালের ডিসেম্বর বদলী হন, ৯ মাস পর ফের ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে যোগ দিয়ে চলতি বছরের অক্টোবরে বদলী হন।
স্থানীয়রা শিক্ষকরা নাম প্রকাশ না করে জানান, মনির হোসেন বিগত আওয়ামী লীগের আমলের সুবিধাভোগী। তিনি ওই সময় স্থানীয় এমপি ও সাবেক মন্ত্রী নারায়ন চন্দ চন্দ্রের কাছের লোক হিসেবে কাজ করেছেন। ফলে বদলী হয়ে ফের আবার চলে আসতেন ডুমরিয়ায়। এবার বদলীর পরও তিনি ফের ডুমুরিয়ায় ফেরার ছক খুঁজছেন। এ কারণে অসুস্থতা অসত্য অজুহাত তুলে বর্তমান ইন্সট্রাক্টর দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে টালবাহনা করছেন।
এই শিক্ষকদের অভিযোগ, ডুমুরিয়ায় ইন্সট্রাক্টর মনির হোসেন ‘মধু’ পেয়েছেন। তাই তিনি এখানের মায়া ছাড়তে চান না।
অবশ্য এ বিষয়ে কথা বলার জন্য মো: মনির হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।











































