স্পোর্টস ডেস্ক।।
মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের প্রধান কিউরেটর বদলের সঙ্গে বদলেছে উইকেটও। গামিনি ডি সিলভার বিদায়ের পর মিরপুরের পিচকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছেন বিসিবির টার্ফ ম্যানেজমেন্টের প্রধান টনি হেমিং। মিরপুরের পিচ আগে থেকেই কালচে ধরনের ছিল। তবে এবার আগের সব অবস্থাকে ছাড়িয়ে গেছে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের প্রধান কোচ ড্যারেন স্যামি মিরপুরে ক্রিকেট খেলতে এসেছেন বহুবার। জাতীয় দলের হয়ে তো এসেছেনই, বিপিএলেও কম ম্যাচ খেলেননি। তবে মিরপুরের এবারের মতো পিচ আগে কখনো দেখেননি বলেই জানান তিনি।
আগামীকাল বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেকে সামনে রেখে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে স্যামি বলেন, ‘অধিনায়ক (ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শেই হোপ) এখনও উইকেট দেখেনি, তবে আমি দেখেছি। জানি না, ঠিকভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারব কি না… তবে এমন কিছু আগে কখনও দেখিনি। তবে আমরা সবাই জানি, উপমহাদেশের চ্যালেঞ্জ কেমন, বিশেষ করে ব্যাটারদের জন্য। আমার মনে হয়, ভারত থেকে আসায় ছেলেদের এবার কিছুটা সুবিধা হবে। ছেলেরা এই ধরনের বা সবচেয়ে কাছাকাছি ধরনের কন্ডিশনে অভ্যস্ত হয়ে এসেছে।’
বাংলাদেশে এসেব এবার বেশ কয়েকবারই উইকেট দেখতে শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের সেন্টারে চলে গেছেন স্যামি। বুধবার বাংলাদেশে আসার পর বৃহস্পতিবারই মাঠ দেখতে নেমে যান তিনি। শুক্রবার প্রথম অনুশীলন সেশনের সময় আরও সময় নিয়ে উইকেট পর্যবেক্ষণ করেছেন তিনি।
তবে উইকেট যেমনই হোক, সেটিকে খুব বেশি পাত্তা দিতে চান না স্যামি, ‘জানি না, এটিকে (উইকেট) কীভাবে বর্ণনা করব। তবে আমি যেটা বলতে পারি, উইকেটকে আমরা আমাদের মাথায় ঢুকতে দেব না। যেখানেই যাই না কেন, আমাদের মন্ত্র তো একই, কন্ডিশন যা পাওয়া যাবে, দ্রুত বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে এবং এরপর সিদ্ধান্ত নিতে হবে, সফল হওয়ার জন্য কোন স্কিলসেট এখানে প্রয়োজন। এরপর নিজের ওপর আস্থা রাখতে হবে মেলে ধরার জন্য। সেখানেই নিজের খেলায় কিছু যোগ করার ব্যাপার আসে।’
স্যামির আগে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে উইকেট নিয়ে বাংলাদেশ কোচ ফিল সিমন্স বলেন, ‘আমার চেয়ে মিরপুরের উইকেট সম্পর্কে আপনারা বেশি ভালো জানেন। আপনারা আমাকে বলতে পারেন। আমার তো উইকেট দেখে নরম্যাল মিরপুরের উইকেটই মনে হচ্ছে। সাধারণত এখানে টার্ন আছে, যা ভালো।’










































