খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি।।
সাতক্ষীরা তালায় বিআরডিবি অফিসের আসবাবপত্র সরানোর নামে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার বিকালে তালা উপজেলার বিআরডিবি’র অফিস থেকে বিভিন্ন প্রকারের মূল্যবান মালামাল সরানোর নামে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, তালা উপজেলার বিআরডিবি’র অফিসার নারায়ন চন্দ্র সরকার একটি এসি, অফিস স্টাফ রেহানা খাতুন একটি টেবিল ও চেয়ার এবং বিআরডিবি’র প্রকল্পের বসন্ত কুমার মন্ডল একটি বাইসাইকেলসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিভিন্ন প্রকারের মালামাল ভাগাভাগি করে নেয়।

খোঁজনিয়ে দেখা গেছে, তালার বিআরডিবি অফিস স্টোর থেকে বসন্ত কুমার মন্ডল ভ্যান চালক হযরত আলীর মাধ্যমে ঘোনা গ্রামের সাইকেল মিস্ত্রি ওমর আলীর দোকানে একটি বাইসাইকেল রেখে দেয়। এদিকে বিআরডিবি অফিস স্টাফ রেহানা খাতুন অজ্ঞাত ভ্যান চালকের মাধ্যমে তালার মহল্লা পাড়ার জাহিদ বাসায় চেয়ার ও টেবিলের খোজ মেলে। বিআরডিবি’র উপজেলা অফিসার নারায়ণ চন্দ্র সরকার একটি এসি নিয়ে তার নিজ অফিস রুমে রাখেন।ভ্যান চালাক হযরত আলী বলেন, বসন্ত দাদা বিআরডিবি অফিস থেকে আমার ভ্যানে একটি সাইকেল তুলে দেয় এবং সাইকেলটি ওমর মিস্ত্রির দোকানে রাখতে বলেন। ঘোনা বাজারের সাইকেল মিস্ত্রি ওমর আলী বলেন, একটি বাইসাইকেল আমার ঘরে ভ্যানচালক হযরত আলী রেখে গেছে।বিআরডিবি’র অফিস স্টাফ রেহেনা খাতুনের সাথে আলাপকালে তিনি একটি চেয়ার ও একটি টেবিল নিয়ে তার ভাড়া বাসায় রেখেছেন বলে স্বীকার করেন। তিনি আরোও বলেন, স্যার( নারায়ন চন্দ্র সরকার) আমাকে চেয়ার ও টেবিল আমার বাসায় রাখতে বলেছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বসন্ত কুমার মন্ডলের সাথে কোন প্রকার যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় তালা উপজেলা বিআরডিবি’র অফিসার নারায়ন চন্দ্র সরকারের সাথে আলাপকালে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, আমার মালামাল কোথায় নিয়ে যেতে হবে তা আপনাকে বলতে হবে! আপনি ইউএনও স্যারের কাছে চলেন আপনাকে দেখিয়ে দিবো! এ বিষয় তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মোঃ রাসেল এর সাথে মুঠোফোনে আলাপের চেষ্টাকালে আলাপ কলটি গ্রহণ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোঃ মোস্তাক আহমেদ এর মুঠোফোনে আলাপের চেষ্টাকালে আলাপ কলটি গ্রহণ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।











































