স্টাফ রিপোর্টার
খুলনায় দিন দিন বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। অনেক চেষ্টা করেও হাসপাতালে ভর্তি হতে পারছে না রোগীরা। রাত ২টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত চেষ্টা করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তির সুযোগ পান সেতু নামের এক প্রবীণ আইনজীবীর সন্তান। ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়ার পর তাকে বাসায় রেখেই বিশেষজ্ঞের পরামর্শে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। কিন্তু শুক্রবার দিবাগত রাতে অবস্থার অবনতি হলেই চেষ্টা চলে হাসপাতালে ভর্তির। খুলনার বেশ কয়েকটি হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খুলনার সবচেয়ে বড় সরকারি হাসপাতাল খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালটিতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। ধারণক্ষমতার তিন গুণেরও বেশি রোগী ভর্তি সেখানে। সরকারি হাসপাতালগুলোর মধ্যে জেনারেল হাসপাতালে বেড ফাঁকা থাকলেও সেখানের চিকিৎসার ওপর আস্থা নেই ওই রোগীদের। এ জন্য নগরীর বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চেষ্টার পর শেষ পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে সুযোগ হলো অন্য এক রোগীর ছাড়ের পর। জানা যায়, খুমেক হাসপাতালে মেডিসিন বিভাগের একাধিক ওয়ার্ড থাকলেও ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নেই পৃথক ওয়ার্ড। মেডিসিন ওয়ার্ডগুলোতে রেখেই চিকিৎসা দেওয়া হয় ডেঙ্গু রোগীদের। এতে অন্য রোগীদেরও ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।











































