নিউজ ডেস্ক ||
২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত তারকা দম্পতি পরীমণি ও শরিফুল রাজ। ২০২২ সালের ১০ জানুয়ারি বিয়ের কথা প্রকাশ্যে আনেন তারা। সে বছরের ২২ জানুয়ারি রাতে জমকালো এক আয়োজনের মাধ্যমে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। একই বছরের ১০ আগস্ট তাদের ঘর আলোকিত করে জন্ম নেই পুত্রসন্তান শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য।
ঠিক এর একবছর পরই বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন এই তারকা দম্পতি। মনের অমিল, বনিবনা না হওয়া, খোঁজখবর না নেয়া ও মানসিক অশান্তির কথা উল্লেখ করে গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাজকে ডিভোর্স লেটার পাঠান পরীমণি। এর মাধ্যমেই তাদের দাম্পত্য জীবনের অবসান ঘটে।
টুটুল-তানিয়া:
গত বছর জুলাইয়ের শেষের দিকে হঠাৎ প্রকাশ্যে আসে এসআই টুটুল ও তানিয়া আহমেদের বিবাহ বিচ্ছেদের খবর। দীর্ঘ ২৩ বছরের সংসার ভাঙার খবর আসতেই শোরগোল পড়ে যায় শোবিজ অঙ্গনে। দীর্ঘ পাঁচ বছর আলাদা থাকার পর অবশেষে ২০২৩ সালে এসে বিবাহ বিচ্ছেদের খবরটি প্রকাশ্যে আনেন এই তারকা দম্পতি।
নোবেল-সালসাবিল:
‘সারেগামাপা’খ্যাত তরুণ সংগীতশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল। ২০১৯ সালের ১৫ নভেম্বর ভালোবেসে মেহরুবা সালসাবিলের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। নোবেলের নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য বিবাহ বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন সালসাবিল।
চলতি বছরের ১১ সেপ্টেম্বর নোবেলকে ডিভোর্স লেটার পাঠান তিনি। ডিভোর্সের কারণ হিসেবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, চরিত্রহীনতা, পরকীয়ায় লিপ্ত ও মাদকদ্রব্য গ্রহণসহ আরও বেশি কিছু পয়েন্ট ডিভোর্স লেটারে উল্লেখ করেন তিনি।
সানাই মাহবুব- আবু সালেহ মুসা:
২০২২ সালের ২৭ মে আবু সালেহ মুসা নামের এক ব্যাংক কর্মকর্তাকে বিয়ে করেন এ সময়ের আলোচিত মডেল-অভিনেত্রী সানাই মাহাবুব। বিয়ের পরেই শোবিজ অঙ্গন থেকে বিদায় নিয়ে সংসারী হন সানাই। তবে এক বছরের মাথায় ভাঙনের সুর ওঠে তাদের সংসারে।
চলতি বছরের ২২ মে বিবাহ বিচ্ছেদের খবর নিজেই প্রকাশ্যে আনেন সানাই। কারণ হিসেবে দুজনের মাঝে বনিবনা না হওয়া এবং পারিপার্শ্বিক কিছু বিষয় নিয়ে ঝামেলা হওয়ার কথা উল্লেখ করেন তিনি।











































