স্পোর্টস ডেস্ক।।
আবুধাবিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত একমাত্র টেস্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের বড় পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সর্বশেষ সাপ্তাহিক হালনাগাদে টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে বড় ধরনের উন্নতি হয়েছে উইকেটকিপার-ব্যাটার লিটন দাস,পেসার হাসান মাহমুদের এবং ইবাদত হোসেন।
বুধবার আইসিসি প্রকাশিত সর্বশেষ হালনাগাদ টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে বোলারদের মধ্যে এখন ৩৮তম স্থানে আছেন হাসান। গত অগাস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভালো করে প্রথমবার ৩৮ নম্বরে ওঠেন ডানহাতি এই পেসার।
আবু ধাবিতে প্রথম ইনিংসে হ্যাটট্রিকসহ পাঁচ উইকেট নেন হাসান। বাংলাদেশের প্রথম পেসার হিসেবে টেস্টে টানা তিন বলে তিন উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েন তিনি।
দ্বিতীয় ইনিংসে তার প্রাপ্তি একটি। এই পারফরম্যান্সে ৭ ধাপ এগিয়েছেন হাসান। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে এক ধাপ এগিয়ে ২২তম স্থানে আছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ১১ ধাপ এগিয়ে ৬৭তম স্থানে উঠেছেন এবাদত হোসেন।
অন্যদিকে, পুরো ম্যাচে একটি উইকেট নেওয়া তাইজুল ইসলাম তিন ধাপ পিছিয়ে ১৮তম স্থানে নেমে গেছেন।
আফগানিস্তানের মোহাম্মাদ সালিম (৭২তম) ২১ ধাপ, ইয়ামিন আহমাদজাই (৭৯তম) ছয় ধাপ এবং ইসমাত আলাম (১০০তম) ১৯ ধাপ এগিয়েছেন।
আফগানিস্তানের ক্রিকেটারদেরও উন্নতি হয়েছে র্যাংকিংয়ে। দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি করা রহমত শাহ ১৩ ধাপ এগিয়ে ১৩তম স্থানে উঠেছেন। ৪১ ধাপ এগিয়ে ৯১তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন সেদিকুল্লাহ আতাল।
বোলারদের তালিকায় ২১ ধাপ এগিয়ে ৭২তম স্থানে উঠেছেন মোহাম্মদ সালিম।
টেস্টের দুই ইনিংসে ৫৩ ও ১০২ রান করে লিটন কুমার দাস। এতে তিন ধাপ এগিয়ে ভারতের লোকেশ রাহুলের সঙ্গে যৌথভাবে ২৯তম স্থানে। প্রথম ইনিংসে ফিফটি করা তানজিদ হাসান ১০ ধাপ এগিয়েছেন, অবস্থান ৯২তম।
এক ধাপ পিছিয়ে ১৮তম স্থানে মুশফিকুর রহিম। র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের সবার ওপরে অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। তার মতো এক ধাপ পিছিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। এতে ২১ নম্বরে আছেন অধিনায়ক।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন অস্ট্রেলিয়ার ম্যাট রেনশ। ১৯০ ও ৮২ রানের ইনিংস খেলে টেস্ট ব্যাটারদের র্যাংকিংয়ে ১৪৯ ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ৪৯তম স্থানে উঠেছেন তিনি। চার ধাপ এগিয়ে ৩৪তম স্থানে আছেন অস্ট্রেলিয়ার মারনাস লাবুশেন। দক্ষিণ আফ্রিকার ওপেনার এইডেন মার্করামও চার ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে দশম স্থানে উঠেছেন।
বোলারদের র্যাংকিংয়ে উন্নতি হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার জশ হ্যাজলউডের। ডারবান টেস্টের শেষ দিনে ৪৯ রানে ছয় উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেন এই পেসার। তাতে দুই ধাপ এগিয়ে সপ্তম স্থানে উঠেছেন তিনি। বোলারদের তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন তার সতীর্থ মিচেল স্টার্ক।
তিন বছরের বেশি সময় পর টেস্ট ক্রিকেটে ফিরে র্যাংকিংয়ে জায়গা করে নিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার আনরিখ নরকিয়া। টেস্ট বোলারদের তালিকায় তার অবস্থান ৩৪তম।
টেস্ট অলরাউন্ডারদের র্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ভারতের রবীন্দ্র জাদেজা। এক ধাপ এগিয়ে চতুর্থ স্থানে উঠেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার উইয়ান মুল্ডার। পাঁচ ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ২৩তম স্থানে আছেন তারই সতীর্থ সিমন হারমার।
টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়েও এসেছে পরিবর্তন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের সিরিজের প্রথম ম্যাচে সেঞ্চুরি করে ব্যাটারদের তালিকায় ক্যারিয়ারসেরা চতুর্থ স্থানে উঠেছেন ভারতের অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার। এগিয়েছেন তিন ধাপ।
এই তালিকার প্রথম দুই স্থান ধরে রেখেছেন ভারতের ঈশান কিষান ও অভিষেক শর্মা। তৃতীয় স্থানে আছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক সাহিবজাদা ফারহান। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর ক্যারিয়ারসেরা রেটিং পয়েন্ট অর্জন করেছেন তিনি। ফলে টি-টোয়েন্টি ব্যাটারদের র্যাংকিংয়ের সেরা চার স্থানের তিনটিই এখন ভারতীয়দের দখলে।
ব্যাটারদের তালিকায় তিন ধাপ এগিয়ে ২৩তম স্থানে উঠেছেন শ্রীলঙ্কার কুশল মেন্ডিস। ওয়েস্ট ইন্ডিজের শেরফান রাদারফোর্ড ১৩ ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ২৪তম এবং ভারতের সাঞ্জু স্যামসন চার ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ২৭তম স্থানে আছেন। পাকিস্তানের তরুণ ব্যাটার মাজ সাদাকাতও সেরা ১০০-এর বাইরে থেকে উঠে এসেছেন ৪৫তম স্থানে।
টি-টোয়েন্টি বোলারদের র্যাংকিংয়ে ২৪ ধাপ এগিয়ে ২৩তম স্থানে উঠেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের রস্টন চেজ। অলরাউন্ডারদের তালিকায়ও দুই ধাপ এগিয়ে তৃতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। পাকিস্তানের সালমান মির্জা নয় ধাপ এগিয়ে ১৪তম এবং সাইম আইয়ুব আট ধাপ এগিয়ে ৫৪তম স্থানে উঠেছেন।











































