Home আঞ্চলিক স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের পথচলা থামিয়ে দেওয়াই ছিল বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মূল লক্ষ্য:...

স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের পথচলা থামিয়ে দেওয়াই ছিল বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মূল লক্ষ্য: এ্যাড. সাইফুল

13

খবর বিজ্ঞপ্তি।।
খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও খুলনা সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম বলেছেন, স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের পথচলা থামিয়ে দেওয়াই ছিল বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মূল লক্ষ্য। এজন্য জাতির পিতাসহ পরিবারের সকল সদস্যকে নির্মমভাবে খুনিরা হত্যা করেছিলো। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা জাতির পিতার সত্তাকে ভীষণ ভয় পায়। মৃত্যুর পর তাঁর লাশ নিয়েও তাদের শঙ্কা ছিল। যে কারণে পরিবারের সবার লাশ ঢাকায় দাফন করলেও বঙ্গবন্ধুর লাশ টুঙ্গিপাড়ায় দাফন করেছিল। তারপরও তাদের ভয় কাটলো না। তারা জাতির পিতা আর তাঁর প্রাণপ্রিয় দল আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অপপ্রচার আর মিথ্যাচার শুরু করেছিল। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তাদের এতো বেশি ভয় ছিল যে, তারা বঙ্গবন্ধুর ভাষণসহ তাঁর নামটি পর্যন্ত নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। তাদের ভয় ছিল, বঙ্গবন্ধুর সত্তাকে ধামাচাপা না দিতে পারলে তাঁর আদর্শ ও চেতনা চারিদিকে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়বে। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে পিতার আদর্শের মশাল প্রজ্বলিত করেছিলেন। ইতিহাস আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। মানুষ নতুন করে সব জানতে শুরু করলো। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার দেখানো স্বপ্নে মানুষ জেগে উঠেছিল। তারা জানিয়ে দিলো, বাঙালির জনকের নাম শেখ মুজিবুর রহমান। এই জনপদে খুনি চক্রের কোনও ঠাঁই নেই। তাই বাঙালি বারে বারে বঙ্গবন্ধু কন্যাকে সমর্থন দিয়েছে, তাদের সবটুকু ভালোবাসা তারা তাঁকে উজাড় করে দিয়েছে। তাঁরই নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। বাংলাদেশ আজ তাঁরই সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার হাত ধরে বিশ্বে নেতৃত্বের পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এই বাংলাদেশ এক উদীয়মান নক্ষত্র, এই বাংলাদেশ অদম্য, এই বাংলাদেশ অকুতোভয়।
গতকাল বুধবার বিকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের কাঠালতলা বাজারে শোক সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংক কর্মকর্তা শেখ আব্দুল মান্নান। শ্রমিক নেতা মো হানিফের পরিচালনায় এসময়ে বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন এ্যাড. এনামুল হক, এ্যাড. এস এম তারিক মাহমুদ তারা, এ্যাড. কে এম ইকবাল হোসেন, কাজী আলমগীর হোসেন, সরদার আব্দুল গনি, এ্যাড. এম এম সাজ্জাদ আলী, সাংবাদিক মল্লিক শুধাংশু, রাম প্রসাদ জোরদার, শশাংক সরকার, হিমাংশু বিশ্বাস, এ্যাড. আশরাফুল রাজ, আফরোজা খানম মিতা, আদিত্য মন্ডল, মেম্বার হালিম মুন্না, এ্যাড. শেখ আব্দুল জলিল, এ্যাড. মতিয়ার রহমান, এ্যাড. শেখর ঢালী, এ্যাড. অশোক গোলদার, ওয়াহিদুজ্জামান গোলাপ, মো. শরিফুল ইসলাম লিটু, এ্যাড. শেখ আশরাফ আলী পাপ্পু, এ্যাড. মেহেদী হাসান, এ্যাড. প্রজেশ রায়, এ্যাড. কামরুল জোয়ার্দ্দার, এ্যাড. রবীন্দ্র নাথ সরদার, মো. রিয়াজ হোসেন, মো. সুইট, মো সাগর, সিরাজ মেম্বার, শাহীন মেম্বার, বিপুল মন্ডল, মানস দাস, মো. কামাল হোসেন, আনিসুর রহমান, মো. আব্দুল কুদ্দুস, সাংবাদিক সোহাগ, সাংবাদিক মাসুম গাজী, মো. সাগর, মো. হায়দার আলী, মো. কামরুল, আব্দুল মান্নান, পরিমল রায়, লোকেশ্বর কবিরাজ, কল্যান মল্লিক, কুদ্দুস সরদার, আবুল শেখ, মিন্টু সরদার, আমিনুল সরদার, আল আমিন সর্দার, ইয়াসমিন সর্দার, মো. ওদুদ শেখ প্রমূখ। ##