খুবির স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের শিক্ষক প্রফেসর ড. আফরোজা পারভীনের মায়ের ইন্তেকালে উপাচার্যের শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের শিক্ষক প্রফেসর ড. আফরোজা পারভীনের মাতা এবং এবই ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. অনির্বাণ মোস্তফার শাশুড়ি রিজিয়া আহমেদ বুধবার দুপুরে নগরীর খালিশপুরস্থ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহে…রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৭০ বছর। তিনি কিছুদিন যাবৎ বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। তিনি ৩ পুত্র ও ৩ কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁকে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার সাজাইল গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে স্বামী তোফায়েল আহমেদের কবরের পাশে দাফন করা হবে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের শিক্ষক প্রফেসর ড. আফরোজা পারভীনের মাতা এবং প্রফেসর ড. অনির্বাণ মোস্তফার শাশুড়ি রিজিয়া আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোক বার্তায় তিনি মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। অনুরূপভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর সাধন রঞ্জন ঘোষ, সাইটে স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. উত্তম কুমার মজুমদার, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, স্থাপত্য ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. খো. মাহফুজ উদ দারাইনসহ ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন। অপরদিকে পৃথক এক বিবৃতিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সামিতির পক্ষ থেকে সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. আশীষ কুমার দাশ অনুরূপভাবে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
কপিলমুনি বাজারের ৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা
স্টাফ রিপোর্টার, কপিলমুনি
খুলনার পাইকগাছায় পবিত্র মাহে রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় পন্যের মূল্য স্বাভাবিক রাখতে বানিজ্যিক এলাকা কপিলমুনি বাজারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়েছে।
বুধবার সকালে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুলিয়া সুকায়না এবং নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) মুহাম্মাদ আরাফাতুল আলম ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। এসময় কয়েকটি ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানে মেয়াদ উত্তীর্ণ পন্য রাখায় ৫ ব্যবসায়ীকে ৮ হাজার ২শ টাকা জরিমানা এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ পন্য জব্দ করেন। পরে জব্দকৃত পন্য গাড়ীর চাকায় পিষ্ট করে বিনষ্ট করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান কওছার আলী জোয়াদ্দার, সহকারি প্রোগ্রামার মৃদুল কান্তি দাশ, ফাঁড়ি পুলিশের পরিদর্শক সঞ্জয় কুমার দাশ, পেশকার দিপংকর প্রসাদ মল্লিক। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকালে ইউএনও জুলিয়া সুকায়না করোনা পরিস্থিতি ও মাহে রমজানকে পুুঁজি করে পন্যের মূল্য বৃদ্ধি ও অবৈধ মজুদ করা থেকে বিরত থাকতে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহবান জানান।
নওয়াপাড়া ইউনিয়নে ২০০ অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতারন
কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা
দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়ান পরিষদে ( ২৯ শে এপ্রিল) সকাল ৯ টায় আষ্কারপুর আলিমিয়া কল্যান সংস্থার সার্বিক অর্থয়নে ২০০ পরিবারের মাঝে সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে (প্রধানমন্ত্রীর উপহার)খাদ্য সামগ্রী বিতারন করা হয়। উক্ত বিতারন অনুষ্ঠানের উদ্ভোধন করেন দেবহাটা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নওয়াপাড়া ইউনিয়ান পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ মুজিবর রহমান ও আষ্কারপুর আলিমিয়া কল্যান সংস্থার সভাপতি আলহাজ্ব আকদাছ হোসেন মন্টু এসময় আরও উপস্তিত ছিলেন, ইউপি সদস্য আবুল কাসেম, আকবর আলী গাজী, মিজানুর রহমান,আসমাতুল্যা গাজী মনিরুজ্জামান মনি, নুরুজ্জামান সরদার,আবুল খায়ের তারু, সদস্যা মিছেস ফতেমা খাতুন, মিছেস হামিদা খাতুন সহ নেতৃবৃন্দ।
রূপসা উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশকে সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান করলো কেন্দ্রীয় যুবলীগ
রূপসা প্রতিনিধি :
বিশ্বের সবগুলো দেশেই মহামারি করোনার ভায়াবহ রূপ নিয়েছে। দেশেও পর্যায়ক্রমে এ মহামারির প্রকোপ বাড়ছে। চিকিৎসা ও সেবা দিতে গিয়ে অনেক চিকিৎসক, নার্স, পুলিশ কর্মকর্তা ও সাংবাদিক আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন। পর্যাপ্ত সুরক্ষা সামগ্রীর অভাবেই অনেক সময় চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিতরা ও দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন।
এমন বাস্ববতায় চিকিৎসক ও পুলিশ প্রশাসনের সুরক্ষা নিশ্চিতে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো: মাইনুল হোসেন খান নিখিল এর পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা মোঃ নুর আলম মিয়ার সৌজন্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন আক্তার ও রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা জাকির হোসেন এর নিকট সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই)তুলে দেন দলীয় নেতৃবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন রূপসা উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মোরশেদ আলম বাবু, উপজেলা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক শেখ,টিএসবি ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক আব্দুল মজিদ শেখ, নৈহাটি ইউনিয়ন আওয়াামী লীগের ৯ নং ওর্য়াড সভাপতি ফ ম আইয়ুব আলী, উপজেলা প্রেসকাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, মহানগর ছাত্রলীগের সমাজসেবক সম্পাদক রাজু হোসেন রাজু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি আজিজুল ইসলাম,ডা:পি কে দাস, টিএসবি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক খায়রুজ্জামান সজল,আশিক দাস প্রমূখ।
ঢাকা থেকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে পালিয়ে আসা কিশোর ও তার পরিবার বাগেরহাটে সনাক্ত, বাড়ি অবরুদ্ধ, ১৪ জনের নমুনা সংগ্রহ
মাসুম হাওলাদার, বাগেরহাট
ঢাকার জাতীয় হ্নদরোগ ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতাল থেকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে পালিয়ে আসা তেরো বছর বয়সী কিশোর ও তার পরিবারের সন্ধান পেয়েছে বাগেরহাটের স্বাস্থ্য বিভাগ। বুধবার বেলা এগারোটার দিকে বাগেরহাট জেলার সদর উপজেলার ডেমা ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামে তাদের সন্ধান পায় স্বাস্থ্য বিভাগ। ওই বাড়িটি অবরুদ্ধ করে লাল পতাকা উড়িয়ে দেয়া হয়েছে। করোনা আক্রান্ত কিশোরকে বাড়িতে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। কিশোরসহ ওই বাড়ির ১৪ সদস্যের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য খুলনার ল্যাবে পাঠানো হচ্ছে। অন্যদের বাড়ি থেকে না বেরোনোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার ওই কিশোরের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ার পর তার সংষ্পর্শে আসা ঢাকার জাতীয় হ্নদরোগ ইনষ্টিটিউট ও হাসপাতালে কর্মরত ১৯ জন চিকিৎসক ও ৩৩ জন নার্সকে কর্তৃপক্ষ কোয়ান্টিনে নিয়েছে বলে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে।
বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির বলেন, গত ১৩ এপ্রিল বাগেরহাট থেকে এক ব্যক্তি হ্নদরোগের চিকিৎসা করাতে তার কিশোর ছেলেকে নিয়ে জাতীয় হ্নদরোগ ইনষ্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ছয়দিন পর ১৯ এপ্রিল ওই কিশোরের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য আইইডিসিআরে পাঠায়। আইইডিসিআরে রিপোর্ট আসার আগেই গত ২৬ এপ্রিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে ওই কিশোরকে নিয়ে তার পরিবার পালিয়ে বাগেরহাটে চলে আসেন। মঙ্গলবার আইইডিসিআরের পরীক্ষায় তার শরীরে করোনা পজেটিভ সনাক্ত হয়। করোনা পজেটিভের কথা ফোন করে ওই কিশোরের বাবাকে জানালে তারা কোথায় আছেন তা জানাতে অস্বীকৃতি জানান। বুধবার সকালে প্রশাসনের সহযোগিতায় তাদের সন্ধান পেয়ে সেখানে যেয়ে যাই। সেখানে গিয়ে করোনা আক্রান্ত কিশোরের শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করা হয়। কিশোরটি সুস্থ্য স্বাভাবিক রয়েছে। তার চিকিৎসা বাড়ি রেখেই দেয়া হবে। তার সংষ্পর্শে আসা পরিবারের ১৩ জনকে সনাক্ত করা হয়েছে। ওই কিশোরসহ পরিবারের নারী পুরুষ মিলিয়ে ১৪ সদস্যের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য খুলনার ল্যাবে পাঠানো হচ্ছে। আশেপাশে আর কোন বাড়ি না থাকায় ওই বাড়িটি অবরুদ্ধ করে লাল পতাকা উড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
চিতলমারি পরবাসি’ বিনে ধান কাটাতে না পেরে কাঁদছে কৃষক
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় পাঁকা ধান কাটার জন্য ‘পরবাসি’ (বহিরাগত নির্দিষ্ট লোক) পাওয়া যাচ্ছে না। করোনা ভাইরাস দুর্যোগের কারণে যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা থাকায় মোংলা, রামপালসহ অন্যান্য এলাকা হতে ‘পরবাসি’ ধান কাটতে আসতে পারছে না। প্রতিদিন আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ও ঝড়ো বাতাস বইছে। এই অবস্থায় দুশ্চিন্তাগ্রস্থ কৃষকেরা ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতিসহ আরো দেনাগ্রস্থ হয়ে পড়ার আশংকায় রয়েছেন। কাঁদছেন তারা। গত বছর ধানের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় এবার অনেক জমি বোরো ধান চাষে অনাবাদি রয়েছে। তবুও যে জমি আবাদ হয়েছে সেখানে হয়েছে ধানের বাম্পার ফলন। এই ফলন এখন ঘরে ওঠানো দায়!
চিতলমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ঋতুরাজ সরকার বলেন ‘বাইরের এলাকা হতে ধান কাটতে আসা শতাধিক লোকের তালিকা আমাদের কাছে আছে। তারা যদি চিতলমারীতে ধান কাটতে আসতে চান তো তাদের কৃষি কার্যালয়ের প্রত্যায়নপত্র নিয়ে আসতে পারবেন। করোনার বিধিনিষেধ মেনে তাদের চলতে হবে। এছাড়া, চিতলমারী উপজেলার কোন কৃষক ধান কাটার প্রয়োজনীয় লোকবলসহ কোন সমস্যায় পড়লে আমাদের জানালে সহযোগিতা করা হবে।’ তিনি আরো জানান, ইতোমধ্যে ধান কাটার জন্য ২৯টি ছোট মেশিন কৃষকদের দেয়া হয়েছে। আরো সাতটি বড় মেশিনের চাহিদা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এব্যপারে আড়–য়াবর্ণী গ্রামের কৃষক মো: পান্না মুন্সী জানান, এবছর বোরোর আবাদ ভালো হয়েছে; কিন্তু করোনার আতংকে বাহির থেকে কিশান না আসায় তা কাটা থেকে শুরু করে মাড়াই পর্যন্ত দারুন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।চিতলমারি চরবানিয়ারী ইউনিয়নের শ্যামপাড়া গ্রামের কৃষক বিভাষ মন্ডল বলেন, ‘কান্দেও পরবাসি পাচ্ছি নে! শেষ পর্যন্ত বউ-ছল-মাইয়ে নিয়ে যাইয়ে ধান কটতি হবে। ঠিকঠাক ধান ঘরে তুলতি না পারলি দেনায় পথে বসতি হবে!’ তিনি আরো বলেন,‘গতবার দাম পাইনি, তাই এবার আমার আড়াই বিঘা চাষযোগ্য জমির মধ্যে এক বিঘা জমি বোরো ধান লাগাইনি (প্রতি বিঘায় ৬২ শতক)। এলাকার প্রায় ৩৫ থেকে ৩৭ ভাগ জমি অনাবাদি রইছে। গতবার ন্যায্য দাম পালি এবারো সব জমি চাষ করতাম। ’
হিজলা ইউনিয়নের পাঙ্গাশিয়া গ্রামের সত্যেন্দ্রনাথ মন্ডল জানান, তিনি এবার সাড়ে ১০ হেক্টর জমিতে ধান চাষ করেছেন। আশা করছেন প্রায় ৮০ মেট্্িরকটন ধান উৎপাদন হবে। উপজেলা কৃষি অফিসের লোকবলের সহায়তায় তিনি ধান কাটবেন বলে আশা করছেন।
উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর ২৬০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ কম হয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বোরো আবাদ হয়েছিল ১১ হাজার ৭৩০ হেক্টর জমিতে এবং ফলন হয়েছিল ৮৯ হাজার ৯৯৩ মেট্্িরকটন ধান। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে বোরো আবাদ হয় ১১ হাজার ৪৭০ হেক্টর এবং উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৮৫ হাজার ৬১৫ মেট্্িরকটন। এর মধ্যে উফশী জাতের ধান রয়েছে নয় প্রকার এবং হাইব্রিড জাতের ধান রয়েছে ৪৩ প্রকার।
সাতক্ষীরার ভোমরায় করোনা উপসর্গ নিয়ে এক ব্যক্তির মৃত, নমুনা সংগ্রহ, বাড়ি লক ডাউন
খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের চৌবাড়িয়ায় করোনার উপসর্গ নিয়ে খায়রুল ইসলাম (৬০) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের মৃত আব্দুল গফুর সরদারের ছেলে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ইসরাইল গাজী জানান, গত ৪/৫ আগে তিনি চট্টগ্রাম থেকে তার নিজ বাড়ি চৌবাড়িয়ায় এসেছেন। সেখানে তিনি একটি ইটভাটায় কাজ করতেন। বাড়িতে আসার পর তিনি সর্দি, কাশি ও পাতলা পায়খানায় আক্রান্ত হয়ে মঙ্গলবার গভীর রাতে মারা যান। ইতিমধ্যে সাতক্ষীরা স্বাস্থ্যবিভাগের পক্ষ থেকে তার স্ত্রী ও সন্তানের নমুনা সংগ্রহ করে খুলনা পিসিআর ল্যাবে পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। এছাড়া তার বাড়ি লক ডাউন করে সেখানে টানানো হয়েছে লাল পতাকা। তবে, দেরীতে মৃত্যুর খবর পাওয়ায় মৃত ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ জয়ন্ত সরকার ।
মৃত ব্যক্তির ছেলে আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, তার পিতার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছেন। তবে, তার সর্দি ও কাশি দীর্ঘদিনের রোগ।
এদিকে, সাতক্ষীরায় বিদেশ ফেরত মোট ৩ হাজার ৫৭৩ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। ছাড় পত্র দেয়া হয়েছে আরো ৩ হাজার ৫৪২ জনকে। এছাড়া মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালের আসোলেশনে রয়েছে ১ জন ও যুবউন্নয়নের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে আরো ৭ জন। এছাড়া, সাতক্ষীরা জেলা থেকে এ পর্যন্ত মোট ৩১৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর ও পিসিআরল্যাবে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে ১৭৩ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট ইতিমধ্যে সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে পৌঁছেছে। ১৭৩ টি রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে। অর্থাৎ সাতক্ষীরা জেলায় এখনও পর্যন্ত কেউ করোনায় আক্রান্ত হননি।
ফকিরহাটে করোনা ভাইরাসে কর্মহীন শত পরিবারকে খাদ্য সহায়তা প্রদান
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাটের বেতাগা ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে শতাধিক অসহায় দরিদ্র গরীব দিন মুজুর ও ভ্যান চালকদের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বুধবার বিকাল সাড়ে ৩টায় ইউনিয়ন পরিষদ চত্তরে নিরাপদ দুরাত্ব বজায় রেখে এই খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশিদ, পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ শাহানাজ পারভীন, সহকারী কমিশনার (ভুমি) রহিমা সুলতানা বুশরা, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা অসিম কুমার সমাদ্দার, মডেল থানা পুলিশের অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) আবু সাইদ মোঃ খায়রুল আনাম, কৃষি অফিসার মোঃ নাছরুল মিল্লাত, সমাজসেবা কর্মকর্তা আব্দুর সবুর, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুস আলী শেখ ও ইউপি সচিব এসএম দাউদ আলী সহ বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিবৃন্দ। এছাড়াও একই অনুষ্ঠানে ১৭জন মহিলাকে মাতৃত্বকালিন ভাতার টাকাও প্রদান করা হয়। এছাড়াও মুলঘর সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ফুটবল মাঠে অনুরুপ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়।
ফকিরহাটে শেখ হেলাল উদ্দীনের পক্ষ হতে খাদ্য সহায়তা প্রদান
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাটের পিলজংগ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য জননেতা শেখ হেলাল উদ্দীনের পক্ষ হতে অর্ধশতাধিক দলের অসহায় দরিদ্র ও গরীব নেতা কর্মিদের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধু মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে এই খাদ্য সহায়তা প্রদান করেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আ,লীগের সহ-সভাপতি সুবির কুমার মিত্র, যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, ইউনিয়ন আ,লীগের সভাপতি প্রভাষক অঞ্জন কুমার দে, সাধারন সম্পাদক মোড়ল জাহিদুল ইসলাম, ইউনিয়ন আ,লীগ নেতা অলোক সেন, মোঃ খালেক ঢালী, যুবলীগের সাধারন সম্পাদক জয়দেব দে, ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ আছাবুর রহমান, সাধারন সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান, ওয়ার্ড আ,লীগ নেতা সাধন কুমার দে, শেখ ফজলুর রহমান, আকরাম হোসেন ও আমিনুল ইসলাম সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।
দাকোপে ভ্রাম্যমান আদালতে ১৫ জনকে জরিমানা
দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি
করোনা ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধে খুলনার দাকোপে উপজেলা প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নানা অজুহাতে ঘোরাঘুরির অপরাধে এবং সড়ক পরিবহন আইনে মটর সাইকেলের কাগজপত্র বিহিন ১৫ জনের কাছ থেকে ৮ হাজার ৪‘শ টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।
গতকাল বুধবার বেলা ১২টায় উপজেলা সদর চালনা বাজারের বিভিন্ন মোড়ে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান চালিয়ে এজরিমানা আদায় করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি তারিফ-উল-হাসান। এসময়ে পেশকার সাইফুল ইসলামসহ সঙ্গীও পুলিশ ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।
করোনা মোকাবেলায় আমাদের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে হবে: দাকোপে পুলিশ সুপার শফিক
দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি
দেশে চলমান করোনা ভাইরাস কোভিড-১৯ মোকাবিলায় আমাদের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। বিশেষ করে আমরা যারা সরকারের সেবা খাতের বিভিন্ন দায়িত্বে আছি জাতীর এই সংকটময় মুহুর্তে আমাদের মনোবল ঠিক রেখে জনগনের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালনে অবিচল থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে আমাদের সামান্যতম অবহেলায় মানুষের জীবন হুমকির মুখে পড়তে পারে।
বুধবার বেলা ১২টায় দাকোপ থানা চত্বরে পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে পৃথক মত বিনিময় অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ বিপিএম এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন চলমান পরিস্থিতিতে পুলিশের সকল সদস্যদের মনে রাখতে হবে অন্যান্য পেশার সাথে সংশ্লিষ্টদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা যখন চরম হুমকির মুখে তখন সরকার আমাদের বেতন ভাতা অব্যহত রেখে আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। তিনি করোনা মোকাবিলায় ডাক্তার পুলিশ জনপ্রতিনিধি ও সিভিল প্রশাসনের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা অব্যহত রাখার আহবান জানিয়ে বলেন, বিশেষ এই পরিস্থিতিতে মানুষের সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতের পাশাপাশি সরকার প্রদত্ত সকল খাদ্য সহযোগীতা সঠিকভাবে মানুষের ঘরে পৌছে দিতে হবে। এ সময় বন্দ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকলকে সজাগ থেকে দায়িত্ব পালনের আহবান জানান। তিনি দাকোপের তরমুজ বিক্রিতে স্থানীয় জনগনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সাথে সাথে যে কোন ধরনের অনিয়ম রোধে পক্ষপাতহীন দায়িত্ব পালনে সকলের প্রতি আহবান জানান। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দাকোপ সার্কেল মোঃ আসাদুজ্জামান, উপজেলা চেয়ারম্যান মুনসুর আলী খান, থানা অফিসার ইনচার্জ সফিকুল ইসলাম চৌধুরী, ওসি তদন্ত দেবাশীষ দাস, চালনা পৌর মেয়র সনত কুমার বিশ্বাস, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডাঃ মোজাম্মেল হক নিজামী, ইউপি চেয়ারম্যান রঘুনাথ রায়, রনজিত কুমার মন্ডল, শেখ আব্দুল কাদের, পঞ্চানন মন্ডল, সুদেব রায়, সরজিত রায়, মিহির মন্ডল, মাসুম আলী ফকির, এস আই পলাশ দাস, ফারুকুল ইসলাম, মোমিনুর রহমান, শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
কেশবপুরে ১ লাখ টাকা প্রদান
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা যশোর-৬ কেশবপুর সংসদীয় আসনে উপ-নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী ও যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের পক্ষে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কর্মহীন কেশবপুর সদর ইউনিয়নে অতিদরিদ্রদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণের জন্য ব্যক্তিগতভাবে নগদ ১ লাখ টাকা প্রদান করেন। বুধবার সকালে পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে কেশবপুর সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে সদর ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে খাদ্যসামগ্রী বিতরণের জন্য পৌর মেয়র রফিকুল ইসলামের হাতে ব্যক্তিগতভাবে ১ লাখ টাকা হস্তান্তর করেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা। এসময় তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কাজী রফিকুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমীন, সহ-সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এইচ এম আমির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক গাজী গোলাম মোস্তফা, ও পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম ইসলামের জন্য পিপিই এবং মাস্কও হস্তান্তর করেন। উক্ত ১ লাখ টাকা, পিপিই ও মাস্ক হস্তান্তর কালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গৌতম রায়, দপ্তর সম্পাদক মফিজুর রহমান মফিজ, সদস্য ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক শাহাদাৎ হোসেন, কেশবপুর সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডাঃ মনিমোহন, সাধারণ সম্পাদক কবির হোসেন, আওয়ামী লীগনেতা মিজানুর রহমান বাবু, ইউপি সদস্য নিমাই চন্দ্র দাস, ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম, ইউপি সদস্য মৃণাল কান্তি দাস, ইউপি সদস্য ওলিয়ার রহমান, ইউপি সদস্য রেহেনা ফিরোজ, সাবেক ইউপি সদস্য জয়দেব দাস, আওয়ামী লীগনেতা দীপক মুখার্জী, শেখর রঞ্জন দাস, মনিরুজ্জান মনি, আলী হোসেন, সাজ্জাত হোসেন, আব্দুর রহিম, নজরুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, আক্তার হোসেন-সহ কেশবপুর সদর ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম কেশবপুর সদর ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের হাতে উক্ত ১ লাখ টাকা হস্তান্তর করেন।
কেশবপুরে আরো দুজনের দেহ করেনা সনাক্ত: উপজেলায় মোট আক্রান্ত ১০
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের কেশবপুর উপজেলায় আরো ২জনের দেহে করোনা ভাইরাস সনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১০ জনে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ আলমগীর হোসেন জানান, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম রিপোর্টে কেশবপুরের ২ জন পজেটিভ রয়েছে।
তাদের মধ্যে একজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারি স্বাস্থ্য কর্মী ও মজিদপুর ইউনিয়নের বায়শা গ্রামের একজন রয়েছেন। আক্রান্তদের কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। তাদের বাসা ও বাড়ি প্রশাসনের পক্ষ থেকে লকডাউন করা হয়েছে।
কেশবপুরে করোনাভাইরাস সনাক্ত ১০ জনের ৭জন কেশবপুর হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারী। ১জন প্রাইভেট কিনিকের স্টাফ।
এ সংবাদ এলাকায় প্রচারের সাথে সাথে কেশবপুর হাসপাতাল জনশুন্য হয়ে পড়েছে। অতি প্রয়োজন ছাড়া কেউ হাসপাতালে প্রবেশ করছেনা। সকাল থেকে কেশবপুরে সেনা টহল চলেছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে জনসাধারণকে ঘরে থাকার জন্য মাইকিং অব্যাহত ছিল।
সাবেক সফল শিক্ষামন্ত্রী এএসএইচকে সাদেকের ৮৬ তম জন্মবার্ষিকী আজ
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
আজ ৩০ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সাবেক শিক্ষামন্ত্রী এএসএইচকে সাদেক এর ৮৬তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৩৪ সালের ৩০ এপ্রিল কেশবপুরের বড়েঙ্গা গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে যেসব ব্যক্তিবর্গ তাঁর প্রশাসনকে সমুজ্জ্বল করেছিলেন এবং যথাযথ দায়িত্ব পালন কালে রাষ্ট্রকে একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার পেছনে যাঁদের অসামান্য অবদান ছিল, তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী এ এস এইচ কে সাদেক।
কেশবপুরের সামগ্রিক উন্নয়নের প্রানপুরুষ, আধুনিক কেশবপুরের রূপকার, সাবেক সফল শিক্ষামন্ত্রী আবু শারাফ হিজবুল কাদের সাদেক (এ. এস, এইচ, কে সাদেক) ছিলেন সাবেক সচিব, দুইবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য ও সফল শিক্ষামন্ত্রী। তিনি ১৯৫৬ সালে পাকিস্থান সিভিল সার্ভিসে একজন সিএসপি অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। তিনি ১৯৭০-৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নাফিল ফাউন্ডেশন থেকে ফেলোশিপ অর্জন করেন। তাঁর কর্মদক্ষতা ও বিচক্ষণতার কারণে নীলফামারী ও নারায়ণগঞ্জ মহকুমা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পান এবং পরবর্তীতে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিনি পূর্ব পাকিস্থান সরকারের একজন সচিব হিসেবে কাজ করেছেন।
এছাড়া মহান মুক্তিযুদ্ধে ছিল এ এস এইচ কে সাদেক। মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহরের এলিফ্যান্ট রোডে অবস্থিত এ এস এইচ কে সাদেকের সরকারি বাসভবন ১নং টেনামেন্ট হাউজ ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের অন্যতম ঘাঁটি। মুক্তিযোদ্ধারা প্রায়ই তাঁদের অস্ত্র গোলাবারুদ এই সরকারি বাসভবনে রাখতেন। তিনি এবং তাঁর স্ত্রী প্রায়ত সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক উভয়েই মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় প্রদানসহ সবধরনের সহযোগিতা প্রদান করতেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মরহুম সাদেক স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহম্মদের একান্ত সচিব হিসেবে কাজ করেছেন এবং ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির প্রধান সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অন্যদিকে তাঁর স্ত্রী বেগম ইসমাত আরা যশোর-৬ (কেশবপুর) নির্বাচনী এলাকা থেকে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন। এরপর ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলেন। গত ২১ জানুয়ারী তিনিও না ফেরার দেশে চলে গেছেন।
এ এস এইচ কে সাদেক তাঁর বিচিত্র অভিজ্ঞতাময় জীবনে জনপ্রশাসনের জাতীয় প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া শিল্প মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং ইউএনআইডি-এর প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞ এবং আঞ্চলিক শিল্প উপদেষ্টা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর ২৫ মার্চ ১৯৮৮ সালে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য নির্বাচত হন। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর দলীয় মনোনয়নে তাঁকে শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে নিয়োজিত করেছিলেন। তিনি শিক্ষামন্ত্রী হওয়ার পর শিক্ষাক্ষেত্রে এক আমূল পরিবর্তন সাধন করেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষাপদ্ধতির সাথে সমন্বয় রেখে দেশের সকল ফলাফলে ‘জিপিএ’ সিস্টেম চালু করার পাশাপাশি সৃজনশীল পদ্ধতি প্রবর্তনসহ শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর অবদান ছিল আকাশ ছোঁয়া।
তিনি ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস রূপে স্বীকৃতি প্রদান এবং সুন্দরবনকে ইউনেস্কোর অধীনে অন্তর্ভুক্ত করতে সফল হয়েছিলেন। যার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে ২০১০ সালে মরণোত্তর একুশে পদক প্রদান করে সম্মানিত করা হয়।
ব্যক্তি হিসেবে তিনি ছিলেন অমায়িক, নম্র, ভদ্র এবং কখনো পরনিন্দা করতেন না। কখনো অন্যের গালমন্দ করে নিজেকে হাইলাইট করেননি। তিনি কাজে বিশ্বাসী ছিলেন, দেশ ও জাতির উন্নয়নে বিশ্বাসী ছিলেন। নিজের এলাকায় দলকে সুসংগঠিত করার জন্য সবসময় সোচ্চার থাকতেন। দলীয় নেতাকর্মীদের দুর্নীতিমুক্ত রাখতে তিনি সবসময় খুব কঠোর ছিলেন। অবৈধ কোনো নিয়মনীতি তিনি কখনো মেনে নেননি বা প্রশ্রয় দেননি। তাই কিছু লোভী বা স্বার্থান্বেষী মানুষ তাঁর প্রতি ছিল বিদ্বেষ মনোভাবাপন্ন। তবে পরবর্তীতে তিনি তা বুঝতে পেরে তাদেরকে এড়িয়ে চলেছেন। আসলে তাঁর মধ্যে ছিল বঙ্গবন্ধুর আদর্শচেতনা ও দৃঢ় মনোভাবাপন্ন ব্যক্তিত্ব যেটা একজন আদর্শ নেতার মধ্যে লুকিয়ে থাকা উচ্চমানের বৈশিষ্ট্য হিসেবে গণ্য হয়।
২০০১ সালে যখন বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসীন, তখনো তিনি যশোর-৬ কেশবপুর থেকে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। সেসময় যেখানে সারাদেশে আওয়ামী লীগের পরাজয় হলেও তিনি এমপি হয়েছিলেন কারণ তাঁর কাজ-কর্ম ও উন্নয়ন ছিল কেশবপুরবাসীর কাছে অভূতপূর্ব। পরবর্তীতে ১/১১ ধরপাকড়ের সময় তাঁর সাবেক কর্মকান্ডের হিসাব-নিকাশে শিক্ষাক্ষেত্রে কোনো দুর্নীতি খুঁজে পাওয়া যায়নি এবং তাঁর গায়ে কোনো কলঙ্ক লেপন করতে পারেনি কেউ; কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস ২০০৭ সালের ১০ সেপ্টেম্বর এ মহান নেতার আকস্মিক মৃত্যুর পর কেশবপুরবাসী বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ে।
কেশবপুরে কৃষকদের আট দফা দাবিতে সম্বলিত স্মারাকলিপি প্রদান
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
বাংলাদেশ কৃষক সমিতি কেশবপুর শাখার উদ্যোগে বর্তমানে ধান কটার মৌসুমে কৃষকদের ৮ দফা দাবি উত্থাপন করে প্রধানমন্ত্রী বরাবার স্মরকলিপি দিয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার কেশবপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে নেতৃবৃন্দ এ স্মরকলিপি দেন।
স্মরকলিপি সূত্রে জানা গেছে, কৃষকদের ধান কাটা,মাড়াই করার জন্যে হার্ভেস্টার মেশিন দিয়ে সরকারিভাবে সহয়তা করতে হবে। চলতি বোরো মৌসুমে ২০ লক্ষ টন ধান এক হাজার ৪০ টাকা দরে সরাসরি কৃষকেদের কাছ থেকে এবং এবং ১০ লক্ষ টান চাল চাতালে মাধ্যমে কিনতে হবে। দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে পর্যায়ক্রমে ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ক্রয় কেন্দ্র খুলে কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনতে হবে। ধান কেনার ক্ষেত্রে কৃষককে কোন প্রকার হয়রানি করা চলবে না। করোনার প্রভার,অকাল বন্যা,প্রাকৃতিক দুর্যোগ জনিত কারণে কৃষকরে সরাসরি ১০ হাজার টাকা দিতে হবে। সকল কৃষককে দুই শতাংশ হারে সুদে ঋণ দিতে হবে। ধান কাটা শ্রমিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা,থাকা,খাওয়া বন্দবস্তো, নিরাপদে যাতায়াতের ব্যবস্থা করেত হবে। ধান কাটা শ্রমিকদের পরিবারকে এক মাসের ত্রাণ সহায়তা দিতে হবে। ত্রাণÑসাহায্য বিতরণে দুর্নীতি ,স্বজনপ্রীতি এবং দলীয়করণ বন্ধ করতে হবে। খেত মজুরদের মুজুরী নির্ধারণ করে দিতে হবে।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন কৃষক সমিতি যশোর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান,কৃষক সমিতি শিকারপুর শাখার সভাপতি কৃষক পীর আলী সরদার,মহিতোষ মন্ডল, আনন্দ চৌধুরী প্রমুখ।
যশোরে আরো ১১ করোনা রোগী শনাক্ত: মোট ৫৫
যশোর অফিস
যশোরে আরো ১১ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫৫-তে।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বুধবার দুপুরে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। যদিও সকালে জানানো হয়েছিল শনাক্তের সংখ্যা ২৬। কিন্তু পরে তা প্রত্যাহার করে নিয়ে সংশোধিত ফলাফল পাঠানো হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টারে বুধবার ১১৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এরমধ্যে যশোরের ৬৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ১১টি পজেটিভ রেজাল্ট পাওয়া যায়।
বাকি ৪৮টি নমুনা যশোরের পাশের জেলা ঝিনাইদহ, মাগুরা ও নড়াইলের। এর সবকটিরই নেগেটিভ রেজাল্ট আসে। নেগেটিভ রেজাল্টের মধ্যে ঝিনাইদহের ৩৩টি, মাগুরার নয়টি এবং নড়াইলের ছয়টি নমুনা রয়েছে।
বুধবার সকালে যবিপ্রবি থেকে যে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছিল, সেখানে নতুন করে ২৬টি নমুনা পজেটিভ হয়েছে বলা হয়েছিল। কিন্তু কিছুসময়ের মধ্যে এই তথ্য সংশোধন করা হয়। পরে জানানো হয় ১১টি নমুনা পজেটিভ।
এই প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন জানান, কিছু নমুনা রিচেক না করেই রিপোর্ট পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেগুলো প্রত্যাহার করা হয়েছে। রিচেকের পর আগামীকাল এগুলোর ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
তিনি বলেন, ‘জেনোম সেন্টারে কর্মরত প্রফেসর ড. ইকবাল কবীর জাহিদের নেতৃত্বাধীন গ্রুপটির সদস্যরা কোয়ারেন্টাইনে গেছেন। সেই কারণে আজ সকালে রিপোর্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে সামান্য জটিলতা সৃষ্টি হয়। এটা তেমন গুরুতর কিছু নয়। তবে বিষয়টি যেহেতু খুবই সেনসেটিভ, সেই কারণে পরিপূর্ণ নিশ্চিত না হয়ে রিপোর্ট দেওয়া হবে না।’
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টারের পরীক্ষাগারের সদস্য ও এনএফটি বিভাগের চেয়ারপারসন ড. শিরিন নিগার জানান, জেনোম সেন্টারে আজ ১১৩টি নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে মোট ১১ জনের শরীরে করোনার জীবাণু রয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। আক্রান্তরা সবাই যশোর জেলার। বাকি ঝিনাইদহ, মাগুরা ও নড়াইলের ৪৮টি নমুনার মধ্যে সবকটিরই নেগেটিভ রেজাল্ট এসেছে। পরীক্ষার ফলাফল আইইডিসিআর-সহ সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জনকে ইমেইলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
যশোরে বিষাক্ত মদপানে আরো দুইজনের মৃত্যু
যশোর অফিস
যশোরে বিষাক্ত মদপানে আরো দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গেল কয়েকদিনে যশোরে ডজনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হলো বিষাক্ত মদপানে।
সবশেষ মৃত দুইজনই শহরের গোড়াপাড়ার বাসিন্দা ও ঋষি সম্প্রদায়ের লোক। এদের একজন হলেন কেষ্টপদ দাসের ছেলে প্রহাদ দাস (৪৬); অন্যজনের নাম প্রশান্ত কুমার দাস (৪২)।
যশোর জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রহাদ দাসকে মঙ্গলবার বিকেল চারটার দিকে অসুস্থ অবস্থায় জরুরি বিভাগে আনা হয়। সেখানে কর্মরত চিকিৎসক দেলোয়ার হোসেন জানান, হাসপাতালে আনার আগেই মারা গেছেন প্রহাদ। বিষাক্ত মদপানে এই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলেও জানান ডা. হোসেন।
কোতয়ালী থানার এসআই মাহবুব আলম জানান, প্রহাদের মৃত্যুর ব্যাপারে থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। অ্যালকোহলিক পয়জনিংয়ের শিকার হয়ে এই ব্যক্তি মারা গেছেন বলে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা।
এদিকে, সোমবার রাত নয়টা ৫০ মিনিটে প্রশান্তকুমার দাসকে জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কিছু সময়ের মধ্যে রাত সাড়ে দশটায় প্রশান্ত মারা যান। ওয়ার্ডের ডাক্তার সালাহউদ্দিন তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন বলে সেখানে দায়িত্বরত নার্স জানান।
হাসপাতালের রেজিস্ট্রারে প্রশান্তকে অ্যালকোহলজনিত কারণে অসুস্থ বলে উল্লেখ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
তার মৃত্যুর ব্যাপারেও থানায় অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড হয়েছে। দুটি মরদেহই ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে নেওয়া হয় বলে পুলিশ জানায়।
গেল বেশ কয়েকদিন ধরে যশোরে একের পর এক লোকের অস্বাভাবিক মৃত্যু হচ্ছে। তারা প্রায় সবাই বিষাক্ত বা ভেজাল মদপানে মারা গেছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বিষাক্ত মদ সরবরাহকারী হিসেবে হাসান নামে এক অবৈধ কারবারি প্রধান অভিযুক্ত। পুলিশ ইতিমধ্যে তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। বিষাক্ত মদ সরবরাহ করে হত্যা ও বেআইনি মদের ব্যবসার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তিনটি হত্যাসহ মোট পাঁচটি হয়েছে। হাসানের দোকান থেকে মদের স্যাম্পল সংগ্রহ করে তা ল্যাবে পাঠিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
এদিকে, গ্রেফতার হয়ে জেলখানায় যাওয়ায় হাসানের অবৈধ মদের কারবার বন্ধ রয়েছে। তবে এখনো মাড়োয়ারি মন্দির-সংলগ্ন এলাকা ও বাবুবাজার পতিতালয় এলাকার বেশ কয়েক ব্যক্তি চুটিয়ে অবৈধ মদের কারবার চালিয়ে যাচ্ছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। লকডাউনের কারণে শহরের সব দোকানপাট বন্ধ থাকায় তারা খরিদ্দারদের কাছ থেকে অর্ডার নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে নির্ধারিত স্থানে গিয়ে মদ সরবরাহ করছেন।
যশোর ইনসটিটিউট কমিটির খাদ্য সহায়তা
যশোর অফিস
যশোরে নিরন্ন মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন যশোর ইনসটিটিউটের সংস্কার ও উন্নয়ন কমিটি।
বুধবার বেলা ১২টার দিকে ইনসটিটিউটের মূল ফটকের সামনে এই খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসকাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, ইনসটিটিউটের যুগ্ম-সম্পাদক ও উন্নয়ন কমিটির সদস্য রওশন আরা রাসু, কমিটির নির্বাহী সদস্য কাসেদুজ্জামান সেলিম, মোয়াজ্জেম হোসেন টুলু, আজহারুল ইসলাম স্বপন, রকিবুল আলম জয় প্রমুখ।
ইনসটিটিউটের সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার আবুল কালম আজাদ লিটু জানান, ১২৩ জন নিরন্ন মানুষের মাঝে দেওয়া খাদ্যের মধ্যে রয়েছে চাল, ডাল, তেল, ছোলা, চিনি, চিড়ে ও মুড়ি।
চৌগাছায় আরো একজন ডাক্তার করোনা পজিটিভ: আক্রান্ত মোট ১২
যশোর অফিস
দিনদিন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে যশোরের চৌগাছা উপজেলায়।
গতকাল বুধবার পর্যন্ত উপজেলাতে দুজন ডাক্তার ও ৩জন নার্সসহ মোট আক্রান্ত ১২জন।
গত ২২ এপ্রিল থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত চৌগাছাতেই ১২ জন করোনা পজিটিভ হিসেবে চিহিৃত হয়েছেন। ২৮ এপ্রিল যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারের পরীক্ষায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তিন জন নার্স ও কয়ারপাড়ার একজন মহিলা (ডিভাইন গার্মেন্টস কর্মী) করোনা পজিটিভ হিসেবে চিহিৃত হয়েছিলেন। ২৭ এপ্রিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন চিকিৎসকের নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ হয়েছিলেন। বুধবার আরও একজন ডাক্তারের করোনা পজিটিভ হয়েছে।
উল্লেখ্য উপজেলাতে গত ২২ এপ্রিল প্রথম এক স্কুল ছাত্র ও একজন মহিলা করোনা পজিটিভ হয়েছিলেন।
২৫ এপ্রিল পাশাপোল ইউনিয়নরে আরো এক গর্ভবতী মহিলা করোনা পজেটিভ হয়েছিলেন।
২৬ এপ্রিল ওই মহিলার স্বামী করোনা পজিটিভ হিসেবে চিহিৃত হন।ওইদিন প্রথম আক্রান্ত কিশোরকে চিকিৎসা দেয়া চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার করোনা পজেটিভ হয়েছেন।
২৭ এপ্রিল সোমবার সেই স্কুল ছাত্রের নানা ও নানী যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিনোম সেন্টারের পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ হিসেবে চিহিৃত হয়েছেন। ২৮ এপ্রিল চৌগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রসূতি বিভাগের ৩ জন নার্স ও পৌরসদরের কারিকর পাড়ার একজন গৃহবধূ করোনা পজিটিভ হিসেবে সনাক্ত হয়েছিলেন।
গতকাল ২৯ এপ্রিল আরো একজন ডাক্তার করোনা পজিটিভ হিসেবে সনাক্ত হয়েছেন।
বুধবার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.লুৎফুন্নাহার বিষয়গুলো নিশ্চিত করেছেন। তিনি হতাশ হয়ে বলেন,আমার হাসপাতালেই দুজন ডাক্তারসহ তিনজন নার্স আক্রান্ত। তাহলে বুঝে দেখেন অবস্থা। উপজেলাবাসীর মনে এখন প্রশ্ন তাহলে চৌগাছাতেও কি করোনা ভাইরাসের “কমিউনিটি ট্রান্সমিশন” শুরু হয়েছে? চৌগাছা কি করোনা ভাইরাসের হটস্পটে পরিনত হল? প্রশ্ন করলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ড.লুৎফুন্নাহার বলেন,“কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বেশ আগেই শুরু হয়েছে।” কেনো যে চৌগাছা করোনার হটস্পটে পরিনত হচ্ছে সেটাইতো বুঝতে পারছি না। আতঙ্কিত হওয়ার মতো ঘটনা হচ্ছে যেহেতু নার্সগুলো সকলেই প্রসূতি বিভাগের কাজেই প্রসূতি বিভাগের ডাক্তার,রুগী,দর্শনার্থী সকলকেই এখন পরীক্ষা করাতে হবে।এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, প্রথম আক্রান্ত সেই কিশোর বা তার পরিবারের কেউই ঢাকাতে বা এমন কোন স্থানে যাননি, যেখানে করোনার বিস্তার ব্যাপক। তাহলে তাদের কথাই যদি সত্যি হয়,তবে ওই কিশোর ছাত্র কোথা থেকে আক্রান্ত হলো ? আর প্রথম দিনের ওই মহিলাই বা কিভাবে আক্রান্ত হয়েছেন? পাশাপোল ইউনিয়নের সেই গর্ভবতী মহিলার কথাই ধরুন, কিভাবে তারা আক্রান্ত হলেন? তাই আপনি নিশ্চিত হয়েই লিখতে পারেন চৌগাছা উপজেলাতে করোনার কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বেশ আগেই শুরু হয়েছে। এখন প্রথম আক্রান্তদের আরো কাছের মানুষকে পরীক্ষা করালে হয়তো তাদেরকেও করোনা পজিটিভ পাওয়া যাবে। এভাবেই বলছিলেন যশোরের চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.লুৎফুন্নাহার।
১৫০ পরিবারকে ইফতার দিল বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট
যশোর অফিস
যশোর জেলা বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের পক্ষ থেকে আবারো ১৫০ অসহায় রোজাদারকে ইফতার সামগ্রী দেয়া হয়েছে। শহরের পুলিশ মাঠে সোমবার দুপুরে বিতরণ করা হয়।
সংগঠনের জেলা সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান বাবলু এসব বিতরণ করেন। এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি আকিব শাওন, সহ-সভাপতি সোহেল ইমামী, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ আহমেদ বাবু, সদস্য মানজারুল ইসলাম রানা, মাসুম বিল্লা লাল, সাদ্দাম হোসেন ও রিয়াজ হোসেন।
এতে ছোলা, খেজুর, চিড়া ও মুড়ি দেয়া হয়।
দেবহাটা উপজেলার ঈদগাহ বাজারে ন্যায্যমূল্যে টিসিবি’র মালামাল বিক্রয়
কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা :
দেবহাটার ঈদগাহ বাজারে বুধবার সকালে (২৯ এপ্রিল) টিসিবি’র মালামাল খোলা বাজার বিক্রয় করা হয়। গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী, শেখ হাসিনার নির্দেশে প্রশাসনের তদারকীতে টিসিবি’র মালামাল বিক্রয় করা হয়।বুধবার সকাল থেকে দেবহাটা উপজেলার ঈদগাহ বাজারের, ঈদগাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফুটবল মাঠে সর্ব সাধারণের জন্য উন্মুক্তভাবে টিসিবি’র ব্যানারে মালামাল বিক্রয় করা হয়। প্যাকেজে থাকছে পাঁচ লিটার তৈল, ৪ কেজি চিনি, ১ কেজি ডাল ও ২ কেজি ছোলা। সকালে এই মালামাল বিক্রয়ের উদ্বোধন কালে সুভাষ ঘোষ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় দেবহাটা থানার ওসি বিপ্লব কুমার সাহার নির্দেশনা মোতাবেক ওসি (তদন্ত) উজ্জ্বল কুমার মৈত্র, সেকেন্ড অফিসার এসআই নয়ন চৌধুরী, , এএসআই সুজিত, ট্যাগ অফিসার পারুলিয়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মুনজুর কাদের সহ পুলিশ ফোর্স সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ক্রমানুসারে সাধারণ মানুষের মাঝে এই টিসিবির মালামাল বিক্রয়ে সহযোগিতা করেন। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আনুমানিক ৪শত সাধারণ মানুষের মাঝে এই টিসিবির মালামাল বিক্রয় করা হয়।
খালিশপুর বন্ধু মহলের পক্ষ থেকে ১২০ পরিবারকে রমজানের উপহার পৌছে দিলো
খবর বিজ্ঞপ্তি
চলামান করোন ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় নি¤œ আয়ের ১২০ পরিবারের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরন করেছে খালিশপুরের একঝাক তরুনদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা সংগঠন বন্ধু মহল।
সংগঠনটি বুধবার খালিশপুর নয়াবাটি এলাকায় ১২০ নি¤œ আয়ের পরিবারের মাঝে গোপনে এ উপহার সামগ্রী পৌছে দেয়। লোক লজ্জায় যারা অন্যের কাছে চাইতে পারে না মুলত এমন পরিবারে এ উপহার সামগ্রী দেওয়া হয়।
সংগঠনের সকলের সহযোগিতায় তারা এই দুর্যোগ মোকাবেলায় ফান্ড ম্যানেজ করে এই কার্যক্রম পরিচালনা করেন। ভবিষ্যতে এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।
এছাড়াও আগ্রহী ডোনারদের অনুরোধ করেছেন তাদের সাথে যোগদান করার জন্য। যাতে করে তার আরো কিছু মানুষের পাশে দাড়াতে পারে।
দৌলতপুর দেয়ানায় কৃষকের ধান কেটে দিলো যুবলীগ ও ছাত্রলীগ
দৌলতপুর (খুলনা) প্রতিনিধি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় কৃষকদের ধান কাটার পাশে সহযোগিতা করার আহবান সফল কল্পে গতকাল বিকেলে নগরীর দৌলতপুর দেয়ানা দক্ষিণ পাড়া এলাকায় দৌলতপুর থানা আ’লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের যৌথ উদ্যোগে ধান কাটা অভিযান শুরু হয় । দেশব্যাপী করোনা ভাইরাসের উপক্রম বৃদ্ধি হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর আহবানকে সাধুবাদ জানান সহ কৃষকদের পাশে থেকে এহেন উদ্যোগ গ্রহণ করায় কৃষকদের ধান কেটে ঘরে নিতে ব্যাপক সাশ্রয় হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নগর আ’লীগ নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর ইসলাম বন্দ, নগর আ’লীগ ও সাংবাদিক নেতা মোজাম্মেল হক হাওলদার, আকাঙ্খা গ্রুপের চেয়ারম্যান, আ’লীগ নেতা ও সাবেক কমিশনার আলহাজ্ব শেখ মজনু, আ’লীগ নেতা আলহাজ্ব শেখ হারুন অর রশিদ, মোঃ সবুর মোল্যা, যুবলীগ নেতা মেহেদী হাসান মোড়ল, শেখ আসাদ, শেখ জিহাদ ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম মানিক, রাকিব মোড়ল, রিপন মোড়ল, রেজওয়ান মোড়ল সহ আ’লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মী সহ এলাকার গন্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ। প্রধানমন্ত্রীর এহেন উদ্যোগ গ্রহন করায় বিষয়টিতে কৃষক সহ এলাকার শ্রমজীবী মানুষের মনে ব্যাপক প্রাণ চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়েছে।
জনগনের কষ্ট লাঘবের দাবি খুলনা বিএনপি’র: সরকারী দলের নিয়ন্ত্রিত ১০টাকা কেজি দরের চালের রেশনকার্ডে জনগন বঞ্ছিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
সরকারী দল নিয়ন্ত্রিত ১০টাকা কেজি দরের চালের রেশনকার্ডের বন্টন প্রক্রিয়ায় প্রকৃত হতদরিদ্র জনগন বঞ্চিত হচ্ছে। রেশনকার্ড বন্টনে রাজনৈতিক প্রভাব থাকায় প্রকৃত হতদরিদ্র্যদের তালিকা প্রস্তুত না হওয়া, সরকারী কর্মকর্তাদের তদারকি না থাকা, তালিকা প্রস্তুতিতে ধীরগতি হওয়া, বরাদ্দকৃত চালের সিংহভাগ বন্টন না হওয়া এবং ১০লাখ লোকের বসবাস খুলনা মহানগরীতে মাত্র ১৯ হাজার কার্ড বিলির সিদ্ধান্ত অপ্রতুল হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষপ্রকাশ করেছে খুলনা মহানগর বিএনপি।
প্রদত্ত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, করোনা ভাইরাসে কর্মহীন নি¤œ আয়ের মানুষ দীর্ঘ একমাস গৃহবন্দী ও কর্মহীন। সরকারী ঘোষণা ছিলো ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌঁছে দেয়া হবে, ১০টাকায় চাল দেয়া হবে; তবে এসবের কোন সুফল পাচ্ছে না জনগন। বরং নি¤œআয়ের মানুষ অনাহারে-অর্ধাহারে দিন পর করছে।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল দেশে রেশনকার্ডে খাদ্যশস্য বন্টন প্রক্রিয়ায় অস্বচছতা দুর্নীতি ও লুটপাটের কারণে দেশে দুর্ভিক্ষ নেমে এসেছিল। তখনও আওয়ামী সরকারের একলা চলো নীতি অবলম্বন করেছিল। বিবৃতি নেতৃবৃন্দ হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, জনগনের জন্য বরাদ্দকৃত ত্রাণ ও খাদ্যদ্রব্য রাষ্ট্রীয় সম্পদ, এটা জনগনের অর্থে ক্রয় করা; আওয়ামীলীগের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। ত্রাণ ও রেশন কার্ডের চাল বিলি হতে হবে সরকারী কর্মকর্তাদের তদারকিতে। হতদরিদ্রদের তালিকা প্রস্তুত অবশ্যই সরকারী কর্মকর্তা ও সেনা বাহিনীর তদারকিতে করতে হবে। প্রস্তুতকৃত তালিকা অবশ্যই নুতন করে ভেরিফাই করতে হবে। খুলনা শহরে কমপক্ষে দুই লাখ কর্মহীন নি¤œ আয়ের মানুষের জন্য খাদ্য বরাদ্দ দিতে হবে। ওএমএস রেশনের দোকান বন্টনের ক্ষেত্রে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের নির্বাচন করতে হবে।
বিবৃতিতে জনপ্রশাসনকে আওয়ামী দৃষ্টিভত্তি বাদ দিয়ে রাষ্ট্রের কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেছেন নি¤œ আয়ের মানুষের বেঁচে থাকার অন্ন নিয়ে দুর্নীতি অনিয়ম স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধ না হলে বিএনপি জনগনকে নিয়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। বিবৃতিদাতারা হলেন, বিএনপির চেয়ারপাসনের উপদেষ্টা এম নুরুল ইসলাম দাদুভাই, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, আব্দুল জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এ্যাড. ফজলে হালিম লিটন, স ম আব্দুর রহমান, মোঃ ইকবাল হোসেন, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এসএম আরিফুর রহমান মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।
নৌবাহিনী কর্তৃক গরীব ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা ভাইরাস এর সংক্রমণ রোধকল্পে বাংলাদেশ নৌবাহিনী বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার লক্ষ্যে তাদের টহল অব্যাহত রেখেছে। দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জীবাণুনাশক ছিটানো, অসহায় ও দরিদ্রের ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌছানোসহ জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। নৌ ঘাঁটি তিতুমীর কর্তৃক খালিশপুরের আলমনগর জোড়াগেট সংলগ্ন এলাকায় বসবাসরত ২০০ গরীব ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এছাড়া নৌ ঘাঁটি সোলাম কর্তৃক মাথাভাঙ্গা এলাকায় ১০০ অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। অপরদিকে মোতায়েনকৃত নৌবাহিনী কন্টিনজেন্ট বরগুনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় টহলের পাশাপাশি জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে। এসময় ১০০টি জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। সাধারণ জনগণকে কাঁচা বাজার, ঔষধের দোকান ও মসজিদ ব্যবহারে সরকারী নীতিমালা অনুসরণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়। একই সাথে অনুমোদিত নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর দোকান নির্দিষ্ট রুটিন সময়ের পর বন্ধ রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করে। নৌ কন্টিনজেন্ট মংলা জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিগরাজ বাজার, চাঁদপাই, মংলা বন্দর, মিঠাখালী, সোনাইতলা ও কুমারখালী এলাকায় টহল পরিচালনা করে ও ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান করে। এ সময় মুদি দোকান খোলা রাখার জন্য ও মটরসাইকেল চালকের নিকট হইতে ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক পাঁচ হাজার পাঁচশত টাকা জরিমানা করা হয় । নৌ কন্টিনজেন্ট মংলা ১২৬৩টি অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণে সহায়তা করে। এসময় ১০০টি জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।
২নং ওয়ার্ড হতদরীদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম মঞ্জুর নির্দেশে খুলনা মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি ও ফুলতলা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শেখ ইকবাল হোসেনের পক্ষ থেকে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস এর কারণে কর্মহীন হয়ে পড়ায় ২৯এপ্রিল বুধবার সকাল ১০টায় কেসিসি ২নং ওয়ার্ডে কর্মহীন অসহায় হতদরীদ্রদের মাঝে সামাজিক ও শারিরিক দুরত্ব বজায় রেখে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের উদ্বোধন করেন খানজাহান আলী থানা বিএনপি’র সভাপতি মীর কায়সেদ আলী। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা ইনামুল হাসান ডায়মন্ড, এমদাদুল হক, মিজানুর রহমান,জামাল হোসেন, আব্দুর রব মুন্সি, আশরাফ ঢালী, আলহাজ্ব শেখ আল আমিন, কামরুল ইসলাম, সামসুর রহমান, ওবায়দুর রহমান প্রমুখ।
খুলনা জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সাজ্জাদুর রহমান লিংকন
ফুলবাড়ীগেট(খুলনা)প্রতিনিধি
খুলনা জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও খানজাহান আলী থানা যুবলীগের আহবায়ক সাজ্জাদুর রহমান লিংকন প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস এর কারণে যোগিপোল ইউনিয়নের কর্মহীন ও অসহায় হতদরীদ্রদের মাঝে ২৯ এপ্রিল বুধবার সকাল ১০ টায় যোগিপোল সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়ে শ্রম প্রতিমšী¿ বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান এমপির পক্ষে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা প্রশাসক মোঃ হেলাল হোসেন, খুলনা সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক, সাধারন সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয় খুলনার পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ সাজ্জাদুর রহমান লিংকন, যোগিপোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ আনিসুর রহমান, ৩৩নং ওয়ার্ড আওয়মীলীগের সভাপতি মোঃ ইউসুফ আলী খলিফা, সাধারণ সম্পাদক মোড়ল হাবিবুর রহমান, খানজাহান আলী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম, দিঘলিয়া উপজেলা নির্বহী কর্মকর্তা মোঃ হাফিজ আল-আসাদ দৌলতপুর মহিলা আ’লীগের সভাপতি মাহফুজা শাহাবুদ্দিন, যুবলীগ নেতা মিজানুর রহমান রুপম , তরিকুজ্জামান মনির, আবু হেনা বাবলু, আলহাজ্ব রবিউল ইসলাম, তানজির হোসেন লিখন, রবিউল ইসলাম,রুমা খন্দকার মুন্নি , যোগিপোল ইউনিয়ন পরিষদের সকল ইউপি সদস্য ,যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।
মোংলায় করোনায় কর্মহীনদের মাঝে পৌর আওয়ামী লীগের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
মোংলা পৌর আওয়ামী লীগের নিজস্ব অর্থায়নে করোনায় কাজ হারিয়ে খাদ্য সংকটে পড়া দরিদ্র ও নি¤œমধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে মোংলা বন্দর শ্রমিক কর্মচারী সংঘ চত্বরে পৌর এলাকার প্রায় ৫শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা হিসেবে চাল, ডাল, আলু, পেয়াজ, লবণ ও সাবান দেয়া হয়েছে। এ সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আ: রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব শেখ কামরুজ্জামান জসিমসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বাজুয়ায় এবার তরমুজের বাম্পার ফলন
মোঃ শামীম হোসেন, বাজুয়া
খুলনার দাকোপের বাজুয়ায় এবার তরমুজের বাম্পার ফলন। দাকোপে এবার গতবারের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক জমিতে তরমুজ চাষ, ফলনও হয়েছে বাম্পার। গতবার তরমুজ চাষ হয়েছিল ১৫০০ হেক্টর জমিতে। এবার তরমুজ চাষ হয়েছে ২৫০০ হেক্টর জমিতে। দামও খুব ভাল এবং চাষীরা লাভবান। এলাকাবাসী ও কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৩৩ নং পোল্ডারের ৫টি ইউনিয়নে গতবারের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। এবছর তরমুজের বাম্পার ফলন অথচ করোনা ভাইরাসের কারনে কৃষকদের তরমুজের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এলাকার তরমুজ চাষী কৃষকদের কাছ থেকে জানা যায় ২০১৩ সালে তরমুজের অস্বাভাবিক দর পতনে হাজার হাজার তরমুজ চাষী ব্যাপক লোকসানের কারণে হতাশ হয়ে মারাত্মক ভাবে ঋণের বেড়াজালে জড়িয়ে পড়ে, অনেক ক্ষতিগ্রস্থ চাষী তরমুজ চাষ ছেড়ে অন্য পেশায় যোগ দিয়েছিল। ক্ষতিগ্রস্থ চাষীর মধ্যে এ বছর মাত্র ৫ হাজার ৭শ ৩২ জন তরমুজ চাষী নতুন ভাবে বাঁচার আশায় ২৫০০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ করেছে। ৩৩ নং পোল্ডারের বাজুয়া, দাকোপ, কৈলাশগঞ্জ, লাউডোব ও বানিশান্তা ইউনিয়নে গত বছর মোট ১৩‘শ ৫০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়। চলতি বছর তার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ওই পাঁচটি ইউনিয়নে মোট তরমুজ চাষ হয়েছে মাত্র ১৭০০শ হেক্টর জমিতে। এলাকা ঘুরে জানা যায় বাজুয়া এলাকায় ১৯৮৯ সালে সর্বপ্রথম কৃষক রবীন্দ্র নাথ মন্ডল ও পংকজ কয়াল উপজেলা কৃষি অফিস থেকে তরমুজের বীজ সংগ্রহ করে তরমুজ চাষের শুভ সুচনা করে এবং তরমুজের খুব ভাল ফলন হওয়ায় পরবর্তীতে আশ-পাশের কৃষকরাও তরমুজ চাষে ঝুকে পড়ে। সরেজমিনে বাজুয়া কচা এলাকার তরমুজ চাষী শিক্ষক মুরারী মোহন থান্দার জানান, এবছর আমি ৫ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। ফলন খুব ভাল। বিঘা প্রতি আমার খরচ হয়েছে ১০/১২ হাজার টাকা। প্রতি বিঘা বিক্রি করেছি ৫০ হাজার টাকা। পশ্চিম বাজুয়া এলাকার চাষী ইউপি সদস্য সঞ্চয় মন্ডল ও বাজুয়া ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান উৎপল দাশ জানান, আমি ১৯বিঘা জমিতে ৩ লক্ষ টাকা খরচ করে তরমুজ চাষ করেছি এবং বিক্রি করেছি ১১ বিঘা ৪ লাখ ৫ হাজার টাকায় এখনও আমাদের ৮ বিঘা জমির তরমুজ বিক্রয় করতে বাকি আছে। এছাড়া কৃষক ফণি ভূষন মন্ডল জানান, আমি ৩০ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছি। আমার ফলন খুব ভাল, জমি চাষ করতে আমার খরচ হয় মোট ৩ লাখ প্রায় ১০ হাজার টাকা এবং এ পর্যন্ত মাল বিক্রি করেছি প্রায় ৮/৯ লাখ টাকা। ক্ষেতে এখনো তরমুজ রয়েছে। পশ্চিম বাজুয়ার কৃষক শ্রীকান্ত রায় বলেন আমার ১৫ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করতে খরচ হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা, মাল বিক্রি করেছি প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ টাকার। ক্ষেতে আরো মাল আছে। পূর্ব বাজুয়া এলাকার চাষী সুধীর তরফদার জানান, আমার ৬ বিঘা জমিতে তরমুজ লাগাতে বীজ, কীটনাশক, সার, সেচ, শ্রমিক দিয়ে ব্যয় হয়েছে ৭০ হাজার টাকা। মাল বিক্রি করেছি প্রায় দেড় লাখ টাকার, এখনো ক্ষেতে মাল রয়েছে। এছাড়া একই এলাকার রনজিত থান্দার, ঝন্টু গাইনসহ আরো অনেক চাষী এবছরে তরমুজ চাষের লাভের কথা জানান। বরিশাল জেলার নলছড়ি এলাকার তরমুজ ব্যবসায়ী সামছুর হাওলাদার জানান এ বছর এখানে তরমুজের ফলন খুব ভাল, আমি প্রতি বিঘা তরমুজ ক্ষেত কিনছি ৪০-৫০ হাজার টাকা। তিনি আরো জানান এ এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল থাকলে আরো বেশী দামে মাল বিক্রি হত। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মেহেদী হাসান জানান গত বারের লক্ষ্য মাত্রার চেয়ে এ বছর বেশী জমিতে তরমুজের চাষ হযেছে। ফলনও ভাল তবে করোনা ভাইরাসের কারনে বাজার দর কিছুটা কম তবে করোনা ভাইরাস না থাকলে এবং এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল থাকলে কৃষকরা আরো লাভবান হত।
মণিরামপুর হাসপাতালের আরো চারস্টাফ করোনা আক্রান্ত
মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চারজন নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে এক নারী উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, এক নারী মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ইপিআই), এক নারী অফিস সহকারী ও একজন স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন। এই নিয়ে মণিরামপুরে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো মোট পাঁচজনে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টার থেকে যে ১১ জনের করোনা পজেটিভ রিপোর্ট এসেছে তারমধ্যে মণিরামপুরে আক্রান্ত হয়েছেন এই চারজন। বুধবার দুপুরে মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. শুভ্রা রানী দেবনাথ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এরআগে গত ১২ এপ্রিল মণিরামপুর হাসপাতালের এক স্বাস্থ্যকর্মীর করোনা ধরা পড়ে। যা ছিল যশোরের প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী। তিনি বর্তমানে মণিরামপুর হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন আছেন। ইতিমধ্যে তার তিন দফা নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। যারমধ্যে প্রথম দুইটি রিপোর্ট করোনা পজেটিভ ছিল। তৃতীয় ফলাফল এখনো হাতে পাননি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
ডা. শুভ্রা রানী দেবনাথ বলেন, গত সোমবার (২৭ এপ্রিল) সাত জনের নমুনা সংগ্রহ করে সিভিল সার্জন অফিসের মাধ্যমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টারে পাঠানো হয়। তারমধ্যে আজ (বুধবার) চারজনের করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে। চারজনই হাসপাতালের স্টাফ। তারমধ্যে একজন সেকমো, একজন করোনা নমুনা সংগ্রহকারী মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, একজন অফিস সহকারী ও একজন স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন।
চারজনের মধ্যে দুই জনকে হাসপাতালের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। বাকি দুই জন বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন, বলেন ডা. শুভ্রা।
একপ্রশ্নের জবাবে ডা. শুভ্রা বলেন, যেহেতু হাসপাতাল একটি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান। তাই এখনি হাসপাতাল লকডাউনের সিদ্ধান্তে যাওয়া যাচ্ছে না। আক্রান্ত চারজন কার কার সংস্পর্শে এসেছেন তাদের তালিকা করা হচ্ছে। তালিকা সিভিল সার্জন অফিস ও উপজেলা প্রশাসনকে দেওয়া হবে। তারপর তারা এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ শরিফী বলেন, প্রাথমিকভাবে আক্রান্ত চারজনের বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ব্যবস্থা উপজেলা প্রশাসন করবে। আর হাসপাতালের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ যেভাবে চাইবেন সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
যশোরের সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন বলেন, মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স লকডাউনের কোন সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি।
করোনাভাইরাস জনিত কারণে খুলনায় দুস্থদের মধ্যে জেলা রেড ক্রিসেন্টের পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনাভাইরাস জনিত পরিস্থিতিতে খুলনায় দুস্থ ও কর্মহীন মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে খুলনা জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। বুধবার খুলনা জেলা পরিষদ চত্বরে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন খুলনা জেলা পরিষদ ও খুলনা জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ। খুলনার ৯টি উপজেলার প্রায় ৫শ’ পরিবারের মাঝে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে খুলনা জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সেক্রেটারি মকবুল হোসেন মিন্টু,নির্বাহী সদস্য আবু জাফর,ফারহানা হালিম,এজাজ আহম্মেদ,জয়ন্তী রানী সরদার,ইউনিট কর্মকর্তা মঈনুল ইসলাম পলাশ এবং যুব রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় শেখ হারুনুর রশীদ বলেন, প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের কারণে মানুষ কর্মহীন ও অসহায় হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় দুস্থ ও কর্মহীন মানুষের মধ্যে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে যে কোন সংকট ও দুর্যোগে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবে এবং কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
নিম্ন আয়ের কর্মহীনদের মাঝে সিটি মেয়রের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
তথ্য বিবরণী
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ‘বেসরকারি মানবিক সহায়তা সেল’-এর আওতায় বুধবার সকালে খুলনার যোগীপোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে চারশত নি¤œআয়ের কর্মহীনদের মাঝে সাত কেজি করে চালসহ, শাক, লাউ, করলা ও ঢেঁড়শসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।
খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, খুলনা বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জিয়াউর রহমান, দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ হাফিজ-আল-আসাদ, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ সাজ্জাদুর রহমান লিংকন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পরে সিটি মেয়র আড়ংঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে চারশত নি¤œআয়ের কর্মহীনদের মাঝে সাত কেজি করে চাল, শাক, লাউ, করলা ও ঢেঁড়শসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। এর আগে খুলনা সিটি মেয়র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘মানবিক সহায়তা কর্মসূচির’ আওতায় নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিস চত্বরে চারশত ৬০ কর্মহীন বেবীট্রেক্সি চালকদের মাঝে আট কেজি করে চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। পরে সিটি মেয়র ২২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর অফিস চত্বরে পাঁচশত কর্মহীন ইটভাটা এবং স’মিলস শ্রমিকদের মাঝে আট কেজি করে চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।
কয়রার আমাদী ইউনিয়নে কর্মহীনদের মাঝে সংসদ সদস্য বাবু’র খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণরোধে সরকারি নির্দেশে কাজকর্ম ছেড়ে ঘরে বসে থাকা কয়রার আমাদী ইউনিয়নের দৈনিক আয়ের মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু। সোমবার দুপুরে আমাদী ইউনিয়নে দুইশ’ কর্মহীন পরিবারের মাঝে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. হারুন অর রশীদ, কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাফরুল ইসলাম পাড়, আমাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আমির আলী গাইন, আমাদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্মল দাশ, জেলা যুবলীগ নেতা শামীম সরকার, উপাধ্যক্ষ এইচ এম নজরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা জালাল ঢালী, প্রধান শিক্ষক উৎপল কুমার, খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোঃ আবু সাঈদ খান, যুবলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম, জিয়াউর রহমান জুয়েল, জেলা ছাত্রলীগ নেতা শেখ মোঃ শাকিল প্রমুখ।
অভয়নগরে ৮ জুয়াড়িকে ১৫দিনের জেল ও জরিমানা
অভয়নগর প্রতিনিধি
যশোরের অভয়নগরে উপজেলার নওয়াপাড়া এলাকায় জুয়া খেলার অপরাধে ৮ জুয়াড়িকে ১৫দিন করে বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৩০হাজার টাকা জরিমানা দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ২৯ এপ্রিল বুধবার বিকালে এ কারাদন্ড প্রদান করেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কেএম রফিকুল ইসলাম। অভয়নগর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) তাজুল ইসলাম জানান, জুয়াড়িদেরকে বৃহস্পতিবার সকালে কারাগারে পাঠানো হবে। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, নওয়াপাড়া গ্রামের মহম মোড়লের ছেলে মনিরুল ইসলাম মোড়ল, একই গ্রামের আয়ুব সরদারের ছেলে লিটন সরদার, জিয়াউল হক এর ছেলে রাকিব হাচান, আশরাব আলরি ছেলে সাইফুল ইসলাম, জাফোর মোল্যার ছেলে ইসমাইল হোসেন, আ:হাই এর ছেলে ইব্রাহিম হোসেন, হাতেম জোমাদ্দারের ছেলে রুহুল আমিন, লুৎফর সরদারের ছেলে সোহেল।
অভয়নগর থানার এসআই নাসির ও এএসআই তরিকুল ইসলাম জানান, উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামের মডেল কলেজের পাশে পলাশের বাড়ি জুয়ার আসর বসেছে এমন একটি খবরে অভয়নগর থানার ওসির নির্দেশে অভিযান চালিয়ে ৮ জুয়াড়িকে হাতেনাতে আটক করি। পরে আটককৃতদের ভ্রাম্যমান আদালত তাদের প্রত্যেককে ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।
মহানগর তাঁতী দলের ইফতার সামগ্রী বিতরণকালে মঞ্জু: ভারতের স্বার্থ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় দেশে তৈরী করোনা টেস্টের কিট গ্রহণ করা হয়নি
খবর বিজ্ঞপ্তি
চাল চোর, তেল চোরদের খবর পত্রিকায় আসে, সবাই ছি ছি করে, অথচ দেশের এ দুঃসময়েও স্বাস্থ্যখাত গুলোও নিরাপদ নয়। চুরি-ডাকাতির মহাউৎসব চলছে, আড়ালে আড়ালে। সরকার তেলো মাখায় তেল দেয়। ব্যবসায়ীদের টাকা দেয়, ঋণ দেয়। অপর দিকে গরীব শ্রমিক মরে ধুকে ধুকে। ভারতের স্বার্থ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় দেশে তৈরী করোনা টেস্টের কিট গ্রহণ করা হয় না। অন্যদিকে ওষুধ ব্যবসায়ীরা দু’ধরণের ওষুধ উৎপাদন করেন। খারাপ মানেরটা খায় দেশের মানুষ, ভালটা চলে যায় বিদেশে। কৃষকের ধান কাটার নামে নাটক হয়, শুটিং হয়। কাঁচা ধান কেটে ক্ষতির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। আমরা ঘরে বসে ছবি দেখি পত্রিকায় ও সোস্যাল মিডিয়াতে। দেশের এই সংকটময় মুহুর্তে দলের সকল স্তরের নেতা-কর্মিদের সমাজের দুঃখী মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসতে হবে।
গতকাল বুধবার দুপুর ২টায় বিএনপি’র দলীয় কার্যালয়ে মহানগর তাঁতী দলের উদ্যোগে তাঁতী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবু সাঈদ শেখের সার্বিক সহযোগিতায় করোনা ভাইরাসের কারণে গৃহবন্ধি রোজাদার মানুষের জন্য ইফতার সামগ্রী বিতরণকালে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও নগর বিএনপি’র সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এময় উপস্থিত ছিলেন আরিফুজ্জামান অপু, শেখ আব্দুর রশিদ, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এড. সেলিম মাওলা, ম স আলিম, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, রিয়াজুর রহমান, ইমতিয়াজ আলম বাবু, সৈয়দ আলি, ইকবাল হোসেন, মাস্টার রফিকুল ইসলাম, হাসান আলি বাবু, মুশফিকুর রহমান অভি, দেলোয়ার হোসেন, মারুফ হোসেন, আব্দুস সাত্তার, মনিরুজ্জামান লেলিন প্রমুখ।
বিকেল ৩টার দিকে খানজাহান আলি থানার আটরা গিলাতলা ইউনিয়ন বিএনপি’র উদ্যোগে নগর বিএনপি’র কর্মসুচির অংশ হিসেবে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের কারণে গৃহবন্ধি অসহায় মানুষের মাঝে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন সাবেক সংসদ সদস্য ও নগর বিএনপি’র সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এসময় উপস্থিত ছিলেন মীর কায়ছেদ আলি, শেখ ইকবাল হোসেন, এম এ রহমান বাবুল, শেখ আব্দুর রশিদ, মোল্যা খায়রুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান মুরাদ, ইউসুফ হারুন মজনু, ওহেদুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম শুকুর, জসিম উদ্দিন লাবু, আব্দুস সালাম, শেখ হাসিবুল হাসান, রবিউল ইসলাম, মোল্যা আইয়ুব শেখ, জাহিদুল ইসলাম, সৈয়দ শাহজাহান আলি, মুরাদ মিনা, রুহুল আমিন, আনোয়ার হোসেন, মোল্যা সোলাইমান, আবুল কালাম, বাচ্চু মোল্যা, শেখ আল আমিন, নান্না মোল্যা, জাহাঙ্গীর হোসেন তোতা, সেলিম মিয়া, ইসলাম হোসেন, বিল্লাল হোসেন, ইসমাইল হোসেন বাবু, ফকরুল ইসলাম প্রমুখ।
নগরীতে আরও ৯জন হোম কোয়ারেন্টাইনে
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা মহানগর পুলিশ গেল ২৪ ঘন্টায় বিভিন্ন জেলা থেকে খুলনা মহানগরীতে আগত ০৯ জন ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে তাদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করেছে। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার শেখ মনিরুজ্জামান মিঠু জানান, আগত ব্যক্তিদের থানা ভিত্তিক পরিসংখ্যান সোনাডাঙ্গা থানা-০৬ (ঢাকা -০৫, গোপালগঞ্জ-০১), লবনচরা থানাঃ ০১( খুলনা জেলা-০১, দৌলতপুর থানা-০২ (ঢাকা-০২, সর্বমোট- ০৯ জন।
উপজেলা পর্যায়ে নিম্ম আয়ের মানুষের পাশে যুবলীগ নেতা পলাশ
খবর বিজ্ঞপ্তি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের নির্দেশনা অনুযায়ী নিম্ম আয়ের মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন খুলনা মহানগর যুবলীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ। ইতিমধ্যে খুলনা মহানগর যুবলীগের উদ্যোগে নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডে চলছে উপহার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম, পাশাপাশি বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে শাক স্বজ্বি। এছাড়াও যেসব উপজেলায় এখন ধান পেকেছে সে সব উপজেলায় ধান কাঁটা কার্যক্রম চলছে। নগরীর বাইরে জেলার উপজেলায়ও ত্রাণ বিতরণ করছে যুবলীগের নেতৃবৃন্দ। যার অংশ হিসেবে বুধবার রূপসা উপজেলার ১২শত পরিবারের কাছে উপহার বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও আইচগাতি ইউনিয়নের ৫৬টি মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের কাছে পৌছে দেওয়া হয়েছে শেখ হাসিনার উপহার।
এ বিষয়ে নগর যুবরীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ জানান, যুবলীগের নগর নেতৃবৃন্দ যার যার স্থান থেকে সাধারন মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। আর সংগঠনের পক্ষথেকেও আমরা দাঁড়াচ্ছি। ইতিমধ্যে আমরা ৩১টি ওয়ার্ডে উপহার সামগ্রী সাধারন মানুষের কাছে পৌছে দেওয়া, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে সচেতনতা বৃদ্ধি মূলক কার্যক্রম পরিচালনার কার্যক্রম শুরু করেছি। পাশাপাশি আমরা উপজেলা পর্যায়েও কার্যক্রম শুরু করেছি। তিনি এই দূর্যোগে সকলকে ঘরে থেকে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানান।
জমি নিয়ে বিরোধ, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র খুন
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে আরাফাত হোসেন (২২) নামের একজন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাতে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। আরাফাত রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ও শেখপাড়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত মৃত সেনা সদস্য আরাফাত জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে। শৈলকুপা কচুয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ওসি পিয়ার আলী এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার বিকালে শৈলকুপার শেখপাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেন ও তার ছেলে আরাফাত হোসেন বাড়ির পাশের কেনা জমিতে বেড়া দিতে যান। এসময় পাশের জমির মালিক রুস্তম আলী জোয়ারদারের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক ও গোলাম জোয়ারদারের ছেলে উজ্জ্বল বাধা দেয়। সেসময় তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে তারা লাঠি দিয়ে আরাফাত হোসেনের মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুষ্টিয়া ও পরে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাতেই তার মৃত্যু হয়।
সড়ক অবরোধের পর মিললো ত্রাণ
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ শহরে ত্রাণের দাবিতে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করে সড়ক অবরোধে ঘটনা ঘটেছে। ঝিনুকমালা আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দারা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে চেয়ারম্যান কে এম নজরুল ইসলাম আশ্বাস দিলেও ত্রাণ দেননি। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে যান। সেখানে যথাযথ আশ্বাস না পেয়ে পায়রা চত্বর ও পরে ঝিনুকমালা আবাসন প্রকল্পের সামনে ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মসহাসড়ক অবরোধ করেন তারা। প্রায় ২ ঘণ্টা অবরোধ করে রাখার পর জেলা প্রশাসক ঘটনাস্থলে গিয়ে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।
বিক্ষোভকারীরা জানায়, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পাগলাকানাই ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে ঝিনুকমালা আবাসন প্রকল্প। এই আবাসনে বসবাস করে ২৩০টি পরিবার। তাদের ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সদর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি কে এম নজরুল ইসলাম হতদরিদ্র পরিবারগুলোর খোঁজ নেননি। চেয়ারম্যান তাদের কাছ থেকে একাধিকবার ভোটার আইডি কার্ড নিলেও পরে দেখা করেননি। অবশেষে মঙ্গলবার সকালে বাধ্য হয়ে তারা বিক্ষোভ করেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার বদরুদ্দোজা শুভ বলেন, ‘পাগলাকানাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ শুনেছি। আমার সমন্বয় করে নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করছি। তাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ বলেন, ‘ঝিনাইদহে ত্রাণসামগ্রীর কোনও ঘাটতি নেই। প্রতিদিন নিম্ন আয়ের লোকজনের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে ঝিনুকমালা আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দাদের মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পাগলাকানাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কে এম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি তাদের তালিকা সংগ্রহ করেছি। কয়েকদিনের মধ্যেই ত্রাণ সামগ্রী দেওয়া হবে। এর মাঝেই একটি মহল ষড়যন্ত্র করে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।’
হোটেলের সামনে সবজি বেচছেন মালিকরা, কর্মচারীরা ভ্যানে
স্টাফ রিপোর্টার
করোনার প্রভাবে খুলনার ছোটবড় সব ধরনের খাবার হোটেল, চাইনিজ রেস্টুরেন্ট এক মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় মালিক ও কর্মচারীরা পড়েছেন গভীর সংকটে। সংকট কাটাতে বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা করেছেন হোটেল মালিক ও কর্মচারীরা। মালিকরা এখন হোটেলের সামনেই কাঁচামাল নিয়ে বসেছেন। আর কর্মচারীরা ভ্যানে করে বেচছেন সবজি, মাছ।
মহানগরীর ময়লাপোতা মোড়ের খাবার হোটেল মালিক শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এক মাস হলো হোটেল বন্ধ রয়েছে। এখন তো আর চলা যাচ্ছে না। সংসার চালাতে হলে বিকল্প আয় দরকার। আর বয়স হয়েছে, বাইরে ঘুরেও কিছু করতে পারবো না। তাই হোটেলের সামনেই কাঁচামাল নিয়ে বসে পড়েছি। এখানের সান্ধ্য বাজার দিনের বেলায় বন্ধ থাকায় আশপাশের লোকজন আমার কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনছেন।’ প্রথম রোজা থেকে তিনি এ কাজ করছেন।
মহানগরীর গোবরচাকা প্রধান সড়কের চাইনিজ রেস্টুরেন্টের মালিক আফজাল হোসেন এক ভ্যানে করে মাছ বিক্রি করছেন। তিনি বলেন, ‘বন্ধ কত দিন থাকবে তা তো বোঝা যাচ্ছে না। দোকান খুলতে না পারলে সংসার চালানো কঠিন হচ্ছে। ব্যবসার টাকা রক্ষা করাও কঠিন হবে। তাই বিকল্প হিসেবে ভ্যানে করে মাছ নিয়ে নেমে পড়েছি। এখন মাছ আর কাঁচামাল ছাড়া আয়ের অন্য কোনও বিকল্প পথ নেই। লাজ লজ্জা করে জীবন চলবে না।’ খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন বলেন, নিম্ন মধ্যবিত্তরা জেলা প্রশাসনের মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করলেই স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী তাদের ঠিকানায় খাবার পৌঁছে দিচ্ছে।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে বাংলাদেশে ঢুকছে ২২১৪ ভারতীয় ট্রাক
বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি
ভারতের পেট্রাপোলে পণ্যবাহী ট্রাকের জট কমাতে বেনাপোল-পেট্রাপোল চেকপোস্টের নো-ম্যানস ল্যান্ডে ভারত থেকে আমদানিকৃত পণ্য লোড-আনলোডের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ভারত-বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা। বুধবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে নো-ম্যানস ল্যান্ডে এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে প্রশাসনের সবার সঙ্গে কথা বলে চালু করা হবে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য, অতিপ্রয়োজনীয় ও পচনশীল পণ্য দিয়ে ভারত রফতানি শুরু করবে। পরে অন্যান্য পণ্য আমদানি-রফতানি হবে। করোনাভাইরাসে লকডাউনের মধ্যেই বুধবার দুপুরে নো-ম্যানস ল্যান্ডে এক জরুরি বৈঠকে বসেন বাংলাদেশ-ভারতের ব্যবসায়ী নেতারা। এ সময় বাংলাদেশের পক্ষে বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি কামাল উদ্দিন শিমুল, সদস্য আমিনুল হক আনু, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান ও কার্গো সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রাকিব উপস্থিত ছিলেন। ভারতের পক্ষে পেট্রাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী ও বনগাঁ আমদানি-রফতানিকারক সমিতির সভাপতি পরিতোষ বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি চালু করতে পারছে না পেট্রাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায় পেট্রাপোল বন্দরের সেন্ট্রাল পার্কিং থেকে বনগাঁ পৌরসভার কালিতলা পার্কিং পর্যন্ত ২২১৪ পণ্যবোঝাই ভারতীয় ট্রাক দাঁড়িয়ে রয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের মতপার্থক্যের জন্য আগের মতো বাণিজ্য চালু করা যাচ্ছে না। ফলে পাটবীজসহ বিভিন্ন ধরনের পচনশীল পণ্য ও শিল্প কল-কারখানায় ব্যবহৃত কাঁচামাল আটকে পড়ায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
একই সঙ্গে দুই দেশে প্রায় ৩০-৪০ হাজার মানুষ বেকার হয়ে পড়েছেন। আমদানি-রফতানি চালু হলে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসবে। করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে বন্দর ব্যবহারকারীদের স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক হ্যান্ড গ্লাভস, মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার অথবা সাবান পানির ব্যবস্থা থাকবে। ভারতের পেট্রাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, করোনাভাইরাসের জন্য ভারত সরকার দফায় দফায় লকডাউন বৃদ্ধি করায় আমদানি-রফতানি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। লকডাউন ঘোষণার পর গত ২৩ মার্চ থেকে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সবপ্রকার আমদানি-রফতানি বন্ধ রয়েছে। ভারতীয় ট্রাকচালকরা বাংলাদেশে গেলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে রাখবে পেট্রাপোল পুলিশ। তাই ভারতীয় ট্রাক নো-ম্যানস ল্যান্ড পর্যন্ত যাবে। বাংলাদেশি ট্রাকচালক ও শ্রমিকরা সেখান থেকে মালামাল লোড-আনলোড করে নেবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য, অতিপ্রয়োজনীয় ও পচনশীল পণ্য দিয়ে রফতানি শুরু হবে। পরে অন্যান্য পণ্য রফতানি হবে। পরিস্থিতি ভালো হলে আগের মতো কাজ শুরু হয়ে যাবে।
বেনাপোল আইসিপি বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার আব্দুল ওয়াহাব বলেন, নো-ম্যানস ল্যান্ড ব্যবহার করতে হলে বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে। আমরা কথা বলার পর আপনারা কাজ করতে পারবেন।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি কামাল উদ্দিন শিমুল বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে দুই দেশে লকডাউন চলছে। ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ারও একটি বিষয় আছে। প্রবেশের অপেক্ষায় প্রায় ২৩০০ পণ্যবোঝাই ট্রাক পেট্রাপোল বন্দরে দাঁড়িয়ে আছে। রোজার সময় ফল, পেঁয়াজের প্রয়োজন। তাই নো-ম্যানস ল্যান্ড ব্যবহার করে কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নিরাপত্তার মধ্য দিয়েই কাজ করবে সবাই।
বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক মামুন কবির তরফদার বলেন, ভারত যদি পণ্য রফতানি করে; সেই পণ্য বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা যদি নো-ম্যানস ল্যান্ড থেকে গ্রহণ করে তাহলে বন্দরের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
খুলনায় নতুন করে ৩ জনের করোনা শনাক্ত
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা করোনা হাসপাতালের নার্স ও রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিচ্ছন্ন কর্মীসহসহ নতুন করে ৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাতে খুলনা মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে ৬৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া যায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খুলনার সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ।
তিনি জানান, মঙ্গলবার খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স শীলা রানী দাস, রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিচ্ছন্নতাকর্মী নাজনীন এবং নৈশপ্রহরী মামুনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। শীলা রানী খুলনা করোনা হাসপাতালের (ডায়াবেটিক হাসপাতাল) নার্স ইনচার্জ। সিভিল সার্জন আরও জানান, এর আগে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইপিআই টেকনিশিয়ান শাহারুল ইসলাম করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তিনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়ার্টারে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রূপসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাসরিন আক্তার বলেন, রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দুই কর্মীর করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাই হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কোয়ার্টার (২) লকডাউন করা হয়েছে। এছাড়াও সবাইকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মসজিদ ও চতুর্থ শ্রেণির ১ নম্বর কোয়ার্টার লকডাউন করা হয়।
মেহেরপুর র্যাবের অভিযানে “আল্লাহর দল” এক সদস্য গ্রেফতার
স্টাফ রিপোর্টার
মেহেরপুর জেলার সদর থানাধীন রাধাকান্তপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন “আল্লাহর দল” এর এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৬। মঙ্গলবার দিবাগত রাত সোয়া ৩টার দিকে র্যাবের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার জঙ্গি সদস্য হলেন মেহেরপুর জেলার সদর থানাধীন রাধাকান্তপুর গ্রামের মো. মোসাদ আলীর ছেলে মো. সম্রাট বাহাদুর (২৩)।
র্যাব-৬ জানায়, মঙ্গলবার দিবাগত রাত সোয়া ৩টার দিকে মেহেরপুর জেলার সদর থানাধীন রাধাকান্তপুর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে ঝিনাইদহ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল। এসময় চুয়াডাঙ্গা সদর থানার জঙ্গি সংক্রান্তে রুজু হওয়া মামলা নং- ৫৯ এর পলাতক আসামি সম্রাট বাহাদুরকে গ্রেফতার করা হয়। সে ৩বছর পূর্বে মেহেরপুরের নিমতলা মার্কেটে একটি কসমেটিক্সের দোকানে আল্লাহর দলের ঝিনাইদহ জেলার যুগ্ম সম্পাদক (সোহেল আবাবিল) এর নিকট হতে তিনি সদস্য হওয়ার দাওয়াত পেয়েছিলেন। তাকে চুয়াডাঙ্গা কোর্টে সোপর্দ করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
ঝিনাইদহে র্যাবের অভিযানে পর্ণোগ্রাফি মামলায় গ্রেফতার ১
স্টাফ রিপোর্টার
ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা থানার রানীনগর গ্রামে অভিযান চালিয়ে প্রেমিকার অশ্লীল ভিডিও গোপনে ধারণ করে ব্ল্যাক মেইল করায় পর্ণোগ্রাফি মামলায় এক যুবককে গ্রেফতার করেছে করেছে র্যাব-৬। গতকাল বুধবার দুপুর ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার যুবক হলেন ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা থানার রানীনগর গ্রামের গহর আলি বিশ্বাসের ছেলে মো. নাহিদ হাসান (২৭)।
র্যাব-৬ জানায়, গতকাল বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা থানার রানীনগর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের নেতৃত্বে র্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময় প্রেমিকার অশ্লীল ভিডিও গোপনে ধারণ করে তার স্বামীসহ শশুর বাড়ির সবাইকে ভাইরাল করে দেয়ার অপরাধে নাহিদ হাসানকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে শৈলকুপা থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।










































