Home জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধিতে আগামীতে একযোগে কাজের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে শেখ হাসিনাকে মোদীর টেলিফোন

উৎপাদন বৃদ্ধিতে আগামীতে একযোগে কাজের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে শেখ হাসিনাকে মোদীর টেলিফোন

6

ঢাকা অফিস

করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে সম্ভাব্য খাদ্য সংকট মোকাবেলায় খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে ঢাকা এবং দিল্লী একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বুধবার বিকেলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টেলিফোন করলে উভয়ে এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিকেল ৫ টা ৫০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করে তাঁকে এবং বাংলাদেশের জনগণকে বাংলা নববর্ষ এবং পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীও ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং জনগণকে মাহে রমজানের মোবারকবাদ জানান। ১২ মিনিটের টেলিফোন কথপোকথনে উভয় নেতা করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে সম্ভাব্য খাদ্য সংকট মোকাবেলায় দুই দেশের সরকারের খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে গৃহীত পদক্ষেপসমূহের উল্লেখ করেন। প্রয়োজনে উৎপাদন বৃদ্ধিতে উভয়ে একযোগে কাজ করবে বলেন প্রেস সচিব। শেখ হাসিনা বলেন, জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার আশংকা এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হতে পারে। ‘কাজেই পরিস্থিতি মোকাবেলায় এই অঞ্চলের সকল দেশের একযোগে কাজ করতে হবে,’বলেন প্রধানমন্ত্রী। উভয় প্রধানমন্ত্রীই করোনাভাইরাস মহামারী মোকাবেলায় উভয় দেশের গৃহীত পদক্ষেপের প্রশংসা করেন এবং এ বিষয়ে একযোগে কাজ করার বিষয়ে তাঁদের অঙ্গীকারও পুণর্ব্যক্ত করেন। উভয় প্রধানমন্ত্রীই করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষিতে গত মাসে অনুষ্ঠিত ভিডিও কনফারেন্সে কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে গৃহীত সার্ক ভুক্ত দেশগুলোর উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে সম্মত হন।

শেখ হাসিনা এ সময় কোভিড-১৯ মোকাবেলায় ঔষধ এবং অন্যান্য মেডিকেল সামগ্রী পাঠানোয় নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধাও জানান, বলেন প্রেস সচিব।

বাংলাদেশ আরএমজি খাতে বৈশ্বিক ক্রেতাদের ক্রয়াদেশ পূরণে সক্ষম হবে : প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা অফিস

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, চলমান করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব সত্ত্বেও বাংলাদেশ তৈরি পোশাক খাতে বৈশ্বিক ক্রেতাদের ক্রয়াদেশ পূরণ করতে সক্ষম হবে। সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন লোফভেন বুধবার অপরাহ্নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টেলিফোন করলে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী বেলা ২টার দিকে টেলিফোন করে শেখ হাসিনার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তিনি বলেন, প্রায় পনের মিনিটের আলাপে উভয় নেতা ব্যবসা-বাণিজ্য, বিশেষকরে তৈরি পোশাক খাত নিয়ে কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, ‘করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়া সত্ত্বেও আমরা আশা করি সুইডেনসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের তৈরি পোশাক সংক্রান্ত ক্রয়াদেশ পূরণ করতে সক্ষম হব।

এ প্রসঙ্গে সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করে বলেন, তাঁর দেশ তৈরি পোশাক সম্পর্কিত বাংলাদেশের কোন ক্রয়াদেশ বাতিল করবেনা। তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক আমদানী অব্যাহত রাখবো।’ শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের মালিকরা স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে তাদের কারখানা চালু করেছেন। প্রেস সচিব বলেন, দুই দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতিও উভয় নেতার আলোচনায় উঠে আসে। উভয় প্রধানমন্ত্রী করোনা মহামারী মোকাবেলায় দুই দেশের গৃহীত পদক্ষেপের প্রশংসা করেন।

এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোভিড-১৯ মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একযোগে কাজ করার তাঁর আহবান পুনর্ব্যক্ত করেন।