
খবর বিজ্ঞপ্তি।।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ২০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় নগরীর শহীদ শেখ আবু নাসের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক। সম্মানীত অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র ও খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা, সহ-সভাপতি মল্লিক আবিদ হোসেন কবীর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শহীদুল হক মিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক
আবুল কালাম আজাদ কামাল, সংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক কামরুল ইসলাম বাবলু, সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ^াস, সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তসলিম আহমেদ আশা। এসময়ে অন্যন্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোক্তার হোসেন, সোনাডাঙ্গা থানা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাউন্সিলর মাহমুদা বেগম, মহানগর যুব লীগের সদস্য কবীর পাঠান, সোনাডাঙ্গা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রুম্মান আহমেদ।
আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারের হত্যার ঘটনার ইতোমধ্যে ৬ জন খুনির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে এবং অনেকেই পালিয়ে বেড়াচ্ছে। কিন্তু যারা বছরের পর বছর ধরে এই বর্বর হত্যাকান্ডেরে নেপথ্য ক্রীড়নক হিসেবে কাজ করেছে, তাদের পরিবারও পরবর্তীতে ভোল পাল্টে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বলে দাবি করে সরলপ্রাণ সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের কূটনৈতিক ও গোয়েন্দা দলিল এবং সাংবাদিকদের কাছে থাকা তথ্য প্রকাশিত হয়ে পড়ায় এসব কুশীলবদের ভূমিকা এখন পরিষ্কার হয়ে গেছে। সেই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুকে হত্যার প্রধান নেপথ্য কুশীলব হিসেবে প্রকাশ হয়ে পড়েছে জেনারেল জিয়াউর রহমানের ভূমিকা। এখন এটি দিনের আলোর মতো স্পষ্ট যে, বেসামরিক মোশতাক গংকে পেছনে থেকে শক্তি ও সাহস দিয়ে এবং জুনিয়র সেনা কর্মকর্তাদের সামনে রেখে পুরো ঘটনাটি পরিচালনা করেছিল খুনি জিয়াউর রহমান।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর খুনি জিয়া দেশকে পাকিস্তানি রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু যেসব পাকিস্তানি শিল্পপতির সম্পদ বাজেয়াপ্ত করেছিলো পাকিস্তানকে খুশি করতে জিয়াউর রহমান সেসব সম্পদ ফিরিয়ে দেয়। এমনকি বাংলাদেশ যেসব ক্ষতিপূরণ দাবি করে আসছিল পাকিস্তানের কাছে, সেই জায়গা থেকেও সরে আসে সে। উল্টো পাকিস্তানকে ক্ষতিপূরণ দেয়। বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের সময়কার দেশবিরোধী ও সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ করেছিলেন কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারের নির্মমভাবে হত্যার পর জিয়াউর রহমান সেসব দেশবিরোধী অপরাধীদের নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দেয় এবং তাদের দেশে ফেরার ব্যবস্থা করে। ফলে রাজাকারগুরু গোলাম আজমের দেশে ফেরার পথ সুগম হয়। জিয়াউর রহমানের এই উদ্যোগের কারণেই ধর্মব্যবসায়ী মুসলীম লীগ, জামায়াত, নেজামে ইসলাম, আল বদর, আল শামসদের পুনুরুত্থান ঘটে স্বাধীন বাংলাদেশে। এছাড়াও সংবিধানের জাতীয় চারনীতিকেও ভূলুণ্ঠিত করে সে। ধর্মনিরপেক্ষতাকে সংবিধান থেকে উঠিয়ে দিয়ে দেশে উগ্রবাদীদের অবাধ পদচারণার সুযোগ সৃষ্টি করে খুনি জিয়া।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর নাম ঘাতকের দল মুছে ফেলতে চেয়েছিল। কিন্তু তাদের সে স্বপ্ন সফল হয়নি। আজকে বিশ্বব্যাপী সে নাম সমাদৃত। একাত্তরের জয় বাংলা শ্লোগান আবার ফিরে এসেছে। ৭ মার্চের ভাষণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। বিকৃত ইতিহাস নয়, আজকে সঠিক ইতিহাস মানুষ জানতে পারছে। বিশ^ দরবারে আমরা বাঙালি জাতি আজ মাথা উঁচু করে চলতে পারছি, মাথা উঁচু করেই চলবো। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা আরো জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলবো। সেজন্য আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক শক্তিশালী বৃদ্ধি করে সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করা আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ।
২০নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি চ. ম. মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মীর মো. লিটনের পরিচালনায় এসময়ে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খান, মো. তরিকুল আলম খান, কাজী জাহিদ হোসেন, মো. শফিকুর রহমান পলাশ, এম এ নাসিম, অধ্যা. এ বি এম আদেল মুকুল, নুর জাহান রুমী, নুরিনা রহমান নিউটি, শরীফ এনামুল কবীর, মো. আলী আকবর মাতুব্বর, মো. রুহুল আমিন খান, তোতা মিয়া ব্যাপার, এস এম হাফিজুর রহমান, এ্যাড. আল আমিন, মোহাম্মদ আলী, নাসরিন সুলতানা, বাদশা হাওলাদার, মো. বাদশা হাওলাদার, আব্দুল হাই মাতুব্বর, মো. নুরুল ইসলাম মুন্সি, মোহাম্মদ হোসেন চৌধুরী, মো. নাজমুল হক মুকুল, আব্দুর রশীদ, সরদার কাওসার আলী, আবির হোসেন কাজল, মো. আবু হানিফ, এ কে এম নুরুল হক, ইসরাফিল সরদার, মো. পাপ্পু, মো. কবির হোসেন, এ্যাড. শফিউল আলম সুজন, মো. বাহাউদ্দিন শেখ, শেখ আব্দুল মজিদ ইদ্রিস মোল্লা, আসিফ খান, ওমর ফারুক, আবুল হোসেন, সেলিম শিকদার, মহাদেব কর, এ্যাড. নাহিদ সুলতানা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী বাঙালি, ফরিদ হোসেন, গফ্ফার খান, আলম মুন্সি, আফজাল চৌকিদার, ডা. সাহিদ হাসান রনি, মো. সোহাগ, মো. সাইফুল ইসলাম, সালাম ব্যাপারী, আজিজুল রহমান মতি, সাইফুল ইসলাম গাজী, বেলাল হোসেন পাটোয়ারীসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।










































