আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
লোহিত সাগরীয় সৌদি আরবের বন্দরনগরী ইয়ানবুতে মাত্র পাঁচ থেকে সাত দিনের চাহিদার সমপরিমাণ তেল মজুত রয়েছে। এ অবস্থায় তেল রপ্তানির বিকল্প পথও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সৌদি আরবের জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনটি সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়ানবু বন্দরে সৌদির যে পরিমাণ তেল রয়েছে, তা দিয়ে সর্বোচ্চ এক সপ্তাহের মতো চাহিদা মেটানো সম্ভব। এ ছাড়া মিশরেও সৌদি আরবের কিছু পরিমাণ তেল মজুত রয়েছে, তবে সেই পরিমাণ তুলনামূলক কম।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বলছে, এর আগে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দেশটির ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে হামলার পর ‘সতর্কতামূলক ব্যবস্থা’ হিসেবে সেটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভর না করে তেল রপ্তানির জন্য এটিই ছিল সৌদি আরবের একমাত্র বড় বিকল্প পথ।
এদিকে সৌদি আরবের নিরাপত্তার জন্য কোনো ধরনের হুমকি মেনে নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান। রবিবার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি আঞ্চলিক সংঘাতের ধারাবাহিক উত্তেজনা পরিস্থিতিকে আরও বিস্তৃত সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে বলেও সতর্ক করে।
তিনি বলেন, ‘উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদভুক্ত (জিসিসি) দেশগুলো নিজেদের ভূখণ্ডে কোনো ধরনের হামলা বা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করাকে মেনে নেবে না। ’
ফয়সাল বিন ফারহান আরও বলেন, হরমুজ প্রণালিসহ সব সামুদ্রিক পথে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা এবং বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সামুদ্রিক পথে যেকোনো ধরনের বিঘ্ন বৈশ্বিক বাজার, সরবরাহব্যবস্থা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।











































