মিলি রহমান।।
চুলের জট ছাড়াতে এবং চুল ঝলমলে ও প্রাণবন্ত করতে অনেকেই ঘরোয়া হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করেন। এজন্য কাঁচা ডিমের মাস্ক কিংবা মেথির মাস্ক বানিয়ে নেন ঘরে। কিন্তু এ দুই ঘরোয়া টোটকার মধ্যে কোনটি বেশি কার্যকর?
মেথির হেয়ার মাস্ক
মেথির দানায় রয়েছে নানা উদ্ভিজ্জ রাসায়নিক উপাদান। দীর্ঘদিন ধরেই চুলের পরিচর্যায় এর ব্যবহার হয়ে আসছে। দানা সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখলে একটি পিচ্ছিল, জেলির মতো আকার নেয়। তার সঙ্গে মেথির দানাগুলো বেটে মাস্ক তৈরি করা হয়। আর এই বৈশিষ্ট্যের জন্যই মেথি দিয়ে তৈরি মিশ্রণ চুলে প্রাকৃতিক কন্ডিশনারের মতো কাজ করে। মেথির হেয়ার মাস্ক প্রয়োগ করে তার পর মাথা ধুয়ে নিলে চুল তুলনামূলক ভাবে নরম, মসৃণ হয় এবং সহজে আঁচড়ানো যায়। চুলের বাইরের স্তর বা কিউটিকল যত মসৃণ থাকে, তত সমানভাবে আলো প্রতিফলিত হয়। ফলে চুল দেখতে আরও চকচকে লাগে।
ডিমের হেয়ার মাস্ক
ডিমে প্রচুর প্রোটিন ও অ্যামিনো অ্যাসিড রয়েছে। সেই কারণেই চুলের জন্য তৈরি নানা ধরনের মিশ্রণে প্রোটিন ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে থাকা বায়োটিন, ভিটামিন এ, ডি, ই চুলকে মজবুত ও উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। কিন্তু ডিম খেলে শরীর যে পুষ্টি পায়, কাঁচা ডিম সরাসরি চুলে লাগালে সে ফল পাওয়া যায় না। কাঁচা ডিমের মাস্ক ব্যবহার করলেই ক্ষতিগ্রস্ত চুলের গঠন মেরামত হয়ে যাবে, এমন প্রমাণ নেই।
মেথি না কাঁচা ডিমের হেয়ার মাস্ক, কোনটি এগিয়ে?
চুলকে মসৃণ, কোমল ও চকচকে দেখানোর জন্য মেথিই তুলনামূলক এগিয়ে থাকে। কারণ, ভেজানো মেথির পিচ্ছিল উপাদান চুলের উপর একটি মসৃণ আবরণের সৃষ্টি করে এবং চুলকে চকচকে দেখায়। চাইলে মেথি ও ডিমের মাস্ক একসঙ্গেও ব্যবহার করতে পারেন। এতেও উপকার মিলবে।
সূত্র: আনন্দবাজার










































