Home আঞ্চলিক খুলনার দাকোপে আজ হারিয়ে যেতে বসেছে কুঠির শিল্পের শিল্পকর্ম

খুলনার দাকোপে আজ হারিয়ে যেতে বসেছে কুঠির শিল্পের শিল্পকর্ম

28

মোঃ শামীম হোসেন- বাজুয়া (দাকোপ) ।।

খুলনার দাকোপে প্রতিটি পরিবারের প্রয়োজনে তারা তৈরী করত ঝুড়ি কুলো ঢালা ধামা পালে পাথি লক্ষ্মীর আড়ী সহ প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র। আজ হারিয়ে যেতে বসেছে কুঠির শিল্পের অন্যতম এমন একটি শিল্পকর্ম, বাজুয়ার মৃত্যুঞ্জয় দাস, তিনি এই শিল্পকর্মটাকে এখনো ধরে রেখেছেন। তার পিতা মাতা এই কাজ করতেন তারই ধারাবাহিকতায় তিনিও বাপ ঠাকুর দাদার এই কাজটি এখনো করে যাচ্ছেন। মৃত্যুঞ্জয় দাসের সাথে আলাপ আলোচনান্তে জানা যায় যে তিনি এই পেশাটাকে ধরে রাখলেও পরবর্তী প্রজম্ম অর্থাৎ তার ছেলে মেয়েরা এই পেশাটি ধরে রাখিনি,পারিবারিক এই পেশার পরিবর্তে তারা ভিন্ন পেশা বেছে নিয়েছে।

পারিবারিক এই পেশাটি যে কারনে বিলুপ্তির পথে। তিনি আরো বলেন, পেশাটি টিকিয়ে রাখতে হলে সরকারি বা বেসরকারি পৃষ্টপোষকতায় পুজি বিনিয়োগ, উন্নত প্রশিক্ষণ ও স্থানীয় বাজার সহ চাহিদা সৃষ্টি করতে পারলে নতুন প্রজম্মকে এই শিল্প রক্ষায় উৎসাহীত করা যেত। এলাকা ঘুরে দেখা যায় কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়নের বড় বাড়ি এলাকায় এখনও ধরে রেখেছে পারিবারিক প্রয়োজন মিটানোর তাগিদে এই পেশাকে।

তারা ঝুড়ি, ঢালা, কুলু, ডাকনা তৈরি করে নিজেদের প্রয়োজন ও সীমিত আকারে আশে পাশে বিক্রয় করে থাকে বলে জানা যায়। হরসিত বলেন আমরা এখনও বাব- দাদার এই পেশাকে ধরে রেখেছি তবে আমাদের ছেলে মেয়েরা এই কাজ করবে না। তারা বলেন আধুনিকতার ছোঁয়ায় এগুলো হারিয়ে যেতে বসেছে তাছাড়া এই শিল্প কর্ম এখন তৈরি করতে খরচও বেশি তাই মানুষ দেশী পূর্ণ বাদ দিয়ে বিদেশী পূর্ণ ব্যবহারে বেশি আগ্রহী হচ্ছে।